
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক সিরিজ খেলতে নেমেছেন আমের জামাল। কিন্তু পাকিস্তানি পেসারের খেলা দেখে মনে হয়নি প্রথম সিরিজ তাঁর। বিশেষ করে আজ সিডনি টেস্ট দলের হয়ে যা করেছেন।
মূল কাজ বোলিং হলেও পাকিস্তানের হয়ে আজ ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন জামাল। আটে নেমে তাঁর ৮২ রানের ইনিংসে ৩০০ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে দলকে ৩১৩ রানের সংগ্রহ এনে দেন তিনি। অন্যথায় ২২০-২৩০ রানে আটকে যেতে হতো তাদের।
দলীয় ২২৭ রানের সময় ৯ উইকেট পড়ে যায় পাকিস্তানের। সেখান থেকে শেষ ব্যাটার মির হামজাকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জামাল। দুজনে মিলে শেষ উইকেটে যোগ করেন ৮৬ রান। যার ৭৯ রানই এই পেসারের। তবে ৭ রান করা হামজা বল ডট খেয়ে যে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন, সেটা কম নয়। টেস্টে শেষ ব্যাটারের ৪৩ বল খেলা সহজ নয়।
পার্থে অভিষেক টেস্টে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন জামাল। ৫৬ বছর পর কোনো সফরকারী দলের বোলার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অভিষেকে ৬ উইকেট নিয়েছেন। সর্বশেষ ১৯৬৭ সালে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ভারতের সৈয়দ আবিদ আলী। আর আজ তৃতীয় টেস্ট খেলতে নেমে দলকে অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকে উদ্ধার করলেন তিনি। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পেয়েছেন। ৯৭ বলে ৮২ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৯ চার ও ৪ ছক্কায়।
জামালের আগে পাকিস্তানকে ধসের হাত থেকে রক্ষা করেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। টস জিতে ইনিংস শুরু করতে নেমেই ইনিংসে ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারে ২ উইকেট হারায় সফরকারীরা। কোনো রান না করেই ফিরে যান পাকিস্তানের দুই ওপেনার শফিক আবদুল্লাহ ও সাইম আইয়ুব। আইয়ুব আবার অভিষেক টেস্ট শুরু করেছেন ‘ডাক’ মেরে। পাকিস্তানের পঞ্চম ওপেনার হিসেবে শূন্য রানে আউট হলেন উদীয়মান এই ব্যাটার।
দুই ওপেনারই ডাক মারায় ‘বিব্রতকর’ এক রেকর্ডে নাম তুলেছেন শফিক-আইয়ুব। ১৪৭ বছরের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম কোনো দলের দুই ওপেনার বছরের প্রথম টেস্টে ডাক মেরেছেন। তাঁদের আউটের পর পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর পরিবর্তে একসময় ৪৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে। সেখান থেকে দলকে পথ দেখান রিজওয়ান।
পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক শন মাসুদকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামলান। ৩৫ রানে মাসুদ আউট হলে আগা সালমানকে নিয়ে আবারও দলকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেন রিজওয়ান। এবার সালমানের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ৯৪ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের প্রতি-আক্রমণ করে সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু হুট করেই তাঁর কী যেন হলো, প্যাট কামিন্সের শট বল হুক করতে গিয়ে জশ হ্যাজলউডের হাতে ধরা পড়লেন। এর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর সেঞ্চুরির স্বপ্নও ধূলিসাৎ হলো। ১২ রানের আক্ষেপ নিয়ে ৮৮ রানে ড্রেসিংরুমে ফিরতে হলো তাঁকে। ১০৩ বলের ইনিংসটিতে ১০ চারের বিপরীতে ২ ছক্কা ছিল। অন্যদিকে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে টানা তিন ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন কামিন্স।
বিদায়ী টেস্টে সবার চোখ ছিল ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটিংয়ে। টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক মাসুদ ব্যাটিং নেওয়ায় সমর্থকদের অপেক্ষা করতে হয়েছে দিনের শেষ পর্যন্ত। শেষ দিকে এক ওভারের জন্য ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে প্রথম বলেই চার মারেন ওয়ার্নার। এরপর সাজিদ খানের ওভারে আরও ২ রান নেন তিনি। প্রথম দিনের খেলা শেষে তাঁর ও দলের রান বিনা উইকেটে ৬। তাঁকে সঙ্গ দিতে নামা উসমান খাজা কোনো বলের মুখোমুখি হননি। এর আগে শেষ টেস্টের ব্যাটিংয়ে নামার সময় পাকিস্তান দলের কাছ থেকে গার্ড অব অনার পেয়েছেন ওয়ার্নার।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক সিরিজ খেলতে নেমেছেন আমের জামাল। কিন্তু পাকিস্তানি পেসারের খেলা দেখে মনে হয়নি প্রথম সিরিজ তাঁর। বিশেষ করে আজ সিডনি টেস্ট দলের হয়ে যা করেছেন।
মূল কাজ বোলিং হলেও পাকিস্তানের হয়ে আজ ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন জামাল। আটে নেমে তাঁর ৮২ রানের ইনিংসে ৩০০ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে দলকে ৩১৩ রানের সংগ্রহ এনে দেন তিনি। অন্যথায় ২২০-২৩০ রানে আটকে যেতে হতো তাদের।
দলীয় ২২৭ রানের সময় ৯ উইকেট পড়ে যায় পাকিস্তানের। সেখান থেকে শেষ ব্যাটার মির হামজাকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জামাল। দুজনে মিলে শেষ উইকেটে যোগ করেন ৮৬ রান। যার ৭৯ রানই এই পেসারের। তবে ৭ রান করা হামজা বল ডট খেয়ে যে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন, সেটা কম নয়। টেস্টে শেষ ব্যাটারের ৪৩ বল খেলা সহজ নয়।
পার্থে অভিষেক টেস্টে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন জামাল। ৫৬ বছর পর কোনো সফরকারী দলের বোলার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অভিষেকে ৬ উইকেট নিয়েছেন। সর্বশেষ ১৯৬৭ সালে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ভারতের সৈয়দ আবিদ আলী। আর আজ তৃতীয় টেস্ট খেলতে নেমে দলকে অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকে উদ্ধার করলেন তিনি। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পেয়েছেন। ৯৭ বলে ৮২ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৯ চার ও ৪ ছক্কায়।
জামালের আগে পাকিস্তানকে ধসের হাত থেকে রক্ষা করেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। টস জিতে ইনিংস শুরু করতে নেমেই ইনিংসে ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারে ২ উইকেট হারায় সফরকারীরা। কোনো রান না করেই ফিরে যান পাকিস্তানের দুই ওপেনার শফিক আবদুল্লাহ ও সাইম আইয়ুব। আইয়ুব আবার অভিষেক টেস্ট শুরু করেছেন ‘ডাক’ মেরে। পাকিস্তানের পঞ্চম ওপেনার হিসেবে শূন্য রানে আউট হলেন উদীয়মান এই ব্যাটার।
দুই ওপেনারই ডাক মারায় ‘বিব্রতকর’ এক রেকর্ডে নাম তুলেছেন শফিক-আইয়ুব। ১৪৭ বছরের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম কোনো দলের দুই ওপেনার বছরের প্রথম টেস্টে ডাক মেরেছেন। তাঁদের আউটের পর পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর পরিবর্তে একসময় ৪৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে। সেখান থেকে দলকে পথ দেখান রিজওয়ান।
পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক শন মাসুদকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামলান। ৩৫ রানে মাসুদ আউট হলে আগা সালমানকে নিয়ে আবারও দলকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেন রিজওয়ান। এবার সালমানের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ৯৪ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের প্রতি-আক্রমণ করে সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু হুট করেই তাঁর কী যেন হলো, প্যাট কামিন্সের শট বল হুক করতে গিয়ে জশ হ্যাজলউডের হাতে ধরা পড়লেন। এর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর সেঞ্চুরির স্বপ্নও ধূলিসাৎ হলো। ১২ রানের আক্ষেপ নিয়ে ৮৮ রানে ড্রেসিংরুমে ফিরতে হলো তাঁকে। ১০৩ বলের ইনিংসটিতে ১০ চারের বিপরীতে ২ ছক্কা ছিল। অন্যদিকে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে টানা তিন ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন কামিন্স।
বিদায়ী টেস্টে সবার চোখ ছিল ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটিংয়ে। টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক মাসুদ ব্যাটিং নেওয়ায় সমর্থকদের অপেক্ষা করতে হয়েছে দিনের শেষ পর্যন্ত। শেষ দিকে এক ওভারের জন্য ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে প্রথম বলেই চার মারেন ওয়ার্নার। এরপর সাজিদ খানের ওভারে আরও ২ রান নেন তিনি। প্রথম দিনের খেলা শেষে তাঁর ও দলের রান বিনা উইকেটে ৬। তাঁকে সঙ্গ দিতে নামা উসমান খাজা কোনো বলের মুখোমুখি হননি। এর আগে শেষ টেস্টের ব্যাটিংয়ে নামার সময় পাকিস্তান দলের কাছ থেকে গার্ড অব অনার পেয়েছেন ওয়ার্নার।

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
১ ঘণ্টা আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ ঘণ্টা আগে