
ভালো নেই পাকিস্তানের ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। গত আড়াই বছর ধরে তিনি কারাবন্দী। এই কারাজীবনে তাঁর স্বাস্থ্যের অনেক অবনতি হয়েছে। পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারের চিকিৎসা যেন সঠিকভাবে হয়, পাকিস্তান সরকারের কাছে আবেদন করেছেন সুনীল গাভাস্কার-গ্রেগ চ্যাপেলদের মতো কিংবদন্তি অধিনায়কেরা।
ইমরান খানের চোখের জ্যোতি কমে যাওয়ার ব্যাপারে কদিন আগে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় ক্রিকেট মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘দি এজের’ এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গাভাস্কার-চ্যাপেলসহ ১৪ ক্রিকেটার ইমরানের সুচিকিৎসার দাবিতে পাকিস্তান সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘তাঁর স্বাস্থ্যের বিষয়ে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন নিয়ে আমরা বেশ চিন্তিত। বিশেষ করে কারাগারে থাকা অবস্থায় তাঁর চোখের জ্যোতি অনেক কমে গেছে। গত আড়াই বছর ধরে তিনি কারাগারে আছেন। সতীর্থ ক্রিকেটার হিসেবে আমরা তাঁর অবস্থা বুঝতে পারি। ইমরান খানের মতো একজন ব্যক্তিকে একজন সাবেক জাতীয় নেতার উপযুক্ত মর্যাদা ও মানবিক দিকটা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।’
গাভাস্কার, চ্যাপেলের পাশাপাশি পাকিস্তান সরকারের কাছে পাঠানো চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন স্যার ক্লাইভ লয়েড, কপিল দেব, মাইকেল আথারটন, অ্যালান বোর্ডার, মাইকেল ব্রিয়ারলি, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, ডেভিড গাওয়ার, কিম হিউজ, নাসের হুসেইন, স্টিভ ওয়াহ ও জন রাইট। একসময়ের সতীর্থরা যে বিশ্বকাপজয়ী ইমরানের অসুস্থতায় কতটা উদ্বিগ্ন, চিঠিতে সেটা ফুটে উঠেছে। পাকিস্তান সরকারের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘ক্রিকেটে ইমরান খানের অবদান বিশ্বজুড়ে বেশ প্রশংসিত। সুনিপুণ দক্ষতা, নেতৃত্ব ও স্পোর্টসম্যানশিপে পাকিস্তানকে ঐতিহাসিক ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন। তাঁর অধিনায়কত্বে পাকিস্তানের এই ঐতিহাসিক জয় সীমান্ত পেরিয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মতে অনুপ্রাণিত করেছিল। আমরা অনেকেই তাঁর সঙ্গে মাঠ শেয়ার করেছি। তিনি এখনো ক্রিকেটের সেরা অলরাউন্ডার এবং অধিনায়কদের একজন।’
শুধু ১৯৯২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কই নন, পাকিস্তানের ১৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে ইমরান খানের। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শিরোপা উঁচিয়ে ধরার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলেননি। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। পাকিস্তান সরকারের কাছে গাভাস্কার-চ্যাপেলদের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ক্রিকেটের বাইরেও ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চ্যালেঞ্জিং সময়ে জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁর দেশের সর্বোচ্চ পদে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। খেলোয়াড়, ভক্ত-সমর্থক, প্রশাসক সবার কাছ থেকেই যথেষ্ট সম্মান পেয়েছেন।
ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিসের মতো কিংবদন্তি পেসাররা উঠে এসেছেন ইমরান খানের হাত ধরেই। ইমরানের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার খবর পেয়ে কদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ওয়াসিম আকরাম। নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে ওয়াসিম আকরাম লিখেছিলেন, ‘আমাদের অধিনায়ক ইমরান খানের স্বাস্থ্য সমস্যার কথা শুনে হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেবে এবং তাঁর জন্য সম্ভাব্য সেরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে। তাঁর দ্রুত আরোগ্য ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি।’

বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
২৮ মিনিট আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
২ ঘণ্টা আগে
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ম্যাচের পর তাদের উদ্যাপন নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ফকল্যান্ড ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত চান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
২ ঘণ্টা আগে