বাঁ হাতের কনুইয়ের চোটে পড়ে বাংলাদেশে তো আসছেনই না, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না–ও খেলতে পারেন স্টিভ স্মিথ। অ্যাশেজের প্রস্তুতি নিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন তিনি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজও খেলা হচ্ছে না চোটে পড়া স্মিথের। এখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। পরশু এক সাক্ষাৎকারে স্মিথ বলেছেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এখনো যথেষ্ট সময় আছে। ধীরে ধীরে চোট কাটিয়ে উঠছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারলে ভালোই হতো। টেস্ট খেলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। অ্যাশেজের প্রস্তুতি নিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না–ও খেলতে পারি।’
২০১৯ অ্যাশেজে ৪ টেস্টে ৩ সেঞ্চুরিতে ১১০ দশমিক ৫৭ গড়ে ৭৭৪ রান করে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক ছিলেন স্মিথ। তিন সেঞ্চুরির একটিকে তিনি ডাবলে পরিণত করেছিলেন। এই অ্যাশেজেও গতবারের পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করার আশা স্মিথের।
আমিরাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে ১৭ অক্টোবর। ১৭ নভেম্বর শেষ হবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণের টুর্নামেন্টটি। ২৭ নভেম্বর হোবার্টে হবে অস্ট্রেলিয়া-আফগানিস্তান একমাত্র টেস্ট। ৮ ডিসেম্বর গ্যাবায় শুরু ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজ।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে