টেস্ট ক্রিকেট থেকে ডেভিড ওয়ার্নারের অবসরের ঘোষণা দেওয়ার সময় থেকেই আলোচনা হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারের উত্তরসূরি হবেন কে? ওপেনিংয়ে খেলেন এমন বেশ কজন ক্রিকেটারের নামও এসেছিল সেই আলোচনায়।
ওয়ার্নার তো নিজের উত্তরসূরি হিসেবে মার্কাস হ্যারিসের নাম বলে সমালোচনার মুখেও পড়েছেন। তবে প্রথাগত ওপেনারদের টেক্কা দিয়েছেন স্টিভেন স্মিথ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাঁকে ওপেনিংয়ে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি।
এতে করে ওয়ার্নারের উত্তরসূরি নিয়ে সব জল্পনার অবসান হয়েছে। সঙ্গে স্মিথের ইচ্ছাও পূরণ হয়েছে। কেননা, কিছুদিন আগে নিজেই সতীর্থ ওয়ার্নারের জায়গায় খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর সেই আগ্রহে এবার সাড়া দিয়েছেন বেইলি।
আজ দুই টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণার সময় এমনটিই জানিয়েছেন বেইলি। প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘বিশ্বাস করি সে তার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় লিখতে আগ্রহী। খুব বেশি দূরে তাকাচ্ছি না...তবে সমস্ত অভিপ্রায় ও উদ্দেশ্য হচ্ছে স্টিভ সেখানে ব্যাটিং করতে চায়। এটা নিঃস্বার্থ যে কেউ একজন একটি পজিশনে বা মিডল অর্ডারে এতটা ভালো সাফল্য পেয়েছে যে সে খোলামেলা এবং ইচ্ছুক নতুন বা ভিন্ন পজিশনে ভালো কিছু করতে।’
টেস্টে তিন থেকে নয় পর্যন্ত কমপক্ষে একবার ব্যাটিং করলেও কখনো ওপেনিংয়ে নামা হয়নি স্মিথের। ৩৪ বছর বয়সী ব্যাটার এবার নতুন পরিচয় দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। স্মিথ ওপরে উঠে যাওয়ায় তাঁর জায়গায় ব্যাটিং করবেন অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন। তবে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ১৩ সদস্যের দলে ওপেনিংয়ে ব্যাকআপ হিসেবে ম্যাট রেনশকে দলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
আগামী ১৭ জানুয়ারি শুরু হওয়া টেস্ট সিরিজ শেষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ক্যারিবিয়ান সফরে ওয়ানডে সংস্করণে দলকে নেতৃত্বও দেবেন স্মিথ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ২ ফেব্রুয়ারি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াড: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোলান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, উসমান খাজা, মারনাস লাবুশানে, নাথান লায়ন, মিচেল মার্শ, ম্যাট রেনশ, স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্ক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াড: স্টিভেন স্মিথ (অধিনায়ক), শন অ্যাবট, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যারন হার্ডি, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, মারনাস লাবুশানে, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ল্যান্স মরিস, জাই রিচার্ডসন, ম্যাট শর্ট, অ্যাডাম জাম্পা।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৪ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে