
ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশনে নামবে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ সামনে রেখে দলটি সবার আগে ঘোষণা করেছিল স্কোয়াড। এবার ক্রিকেটাররা কোন ডিজাইনের জার্সি পরে বিশ্বকাপে খেলতে নামবেন তা উন্মোচন করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপের ডিজাইন করা জার্সিতে থাকছে আদিবাসীদের ছোঁয়া। এবারই প্রথম কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে আদিবাসীদের নকশাযুক্ত জার্সিতে খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। জার্সিটির ডিজাইন করেছেন আন্টি ফিওনা ক্লার্ক ও কোর্টনি হেগান। তাঁদের শিল্পকর্মটিতে ফুটে উঠেছে আদিবাসী ও টোরেস স্ট্রেইট আইল্যান্ডের পতাকা।
জার্সির কলার ও হাতাতে কালো রং ব্যবহৃত হয়েছে। সামনের অংশের ওপরে ডান পাশে বিশ্বকাপ ও বাঁ-পাশে অস্ট্রেলিয়ার লোগোকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। এই দুই লোগোর নিচে ও আদিবাসী নকশার মাঝে লেখা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার নাম। আর হলুদ রংকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে আদিবাসী শিল্পকর্মটি সামনে-পেছনে পুরো জার্সিজুড়ে নকশা করা হয়েছে। আর ট্রাউজার তৈরি করা হয়েছে কালো রঙে। ক্যাপে থাকছে আদিবাসী ও টোরেস স্ট্রেইট আইল্যান্ডের নিজস্ব পতাকার রংও।
জার্সির নকশাকারী হ্যাগেন বলেছেন, ‘জার্সিটি আদিবাসী ও টোরেস স্ট্রেইট আইল্যান্ডের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে। অস্ট্রেলিয়ার ফার্স্ট নেশনস পতাকার রঙে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।’
অন্য ডিজাইনকারী ক্লার্কের প্রপিতামহ জেমস কুজেন্স আবার ১৮৬৬ সালে এমসিজিতে ল্যান্ডমার্ক ম্যাচে আদিবাসী একাদশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এই ডিজাইনার বলেছেন, ‘সামগ্রিক নকশাটি করা হয়েছে ব্যক্তি, সম্প্রদায়, দল ও আমাদের চারপাশে যা বিদ্যমান যেমন নদী, জমি ইত্যাদিকে একত্রে অন্তর্ভুক্ত করে।’
আগামী ১৬ অক্টোবর শুরু হবে অস্ট্রেলিয়াতে অষ্টমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিকদের সঙ্গে আছে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড। প্রথম রাউন্ড থেকে আরও দুটি দল যুক্ত হবে এই গ্রুপে।

ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশনে নামবে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ সামনে রেখে দলটি সবার আগে ঘোষণা করেছিল স্কোয়াড। এবার ক্রিকেটাররা কোন ডিজাইনের জার্সি পরে বিশ্বকাপে খেলতে নামবেন তা উন্মোচন করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপের ডিজাইন করা জার্সিতে থাকছে আদিবাসীদের ছোঁয়া। এবারই প্রথম কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে আদিবাসীদের নকশাযুক্ত জার্সিতে খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। জার্সিটির ডিজাইন করেছেন আন্টি ফিওনা ক্লার্ক ও কোর্টনি হেগান। তাঁদের শিল্পকর্মটিতে ফুটে উঠেছে আদিবাসী ও টোরেস স্ট্রেইট আইল্যান্ডের পতাকা।
জার্সির কলার ও হাতাতে কালো রং ব্যবহৃত হয়েছে। সামনের অংশের ওপরে ডান পাশে বিশ্বকাপ ও বাঁ-পাশে অস্ট্রেলিয়ার লোগোকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। এই দুই লোগোর নিচে ও আদিবাসী নকশার মাঝে লেখা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার নাম। আর হলুদ রংকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে আদিবাসী শিল্পকর্মটি সামনে-পেছনে পুরো জার্সিজুড়ে নকশা করা হয়েছে। আর ট্রাউজার তৈরি করা হয়েছে কালো রঙে। ক্যাপে থাকছে আদিবাসী ও টোরেস স্ট্রেইট আইল্যান্ডের নিজস্ব পতাকার রংও।
জার্সির নকশাকারী হ্যাগেন বলেছেন, ‘জার্সিটি আদিবাসী ও টোরেস স্ট্রেইট আইল্যান্ডের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে। অস্ট্রেলিয়ার ফার্স্ট নেশনস পতাকার রঙে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।’
অন্য ডিজাইনকারী ক্লার্কের প্রপিতামহ জেমস কুজেন্স আবার ১৮৬৬ সালে এমসিজিতে ল্যান্ডমার্ক ম্যাচে আদিবাসী একাদশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এই ডিজাইনার বলেছেন, ‘সামগ্রিক নকশাটি করা হয়েছে ব্যক্তি, সম্প্রদায়, দল ও আমাদের চারপাশে যা বিদ্যমান যেমন নদী, জমি ইত্যাদিকে একত্রে অন্তর্ভুক্ত করে।’
আগামী ১৬ অক্টোবর শুরু হবে অস্ট্রেলিয়াতে অষ্টমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিকদের সঙ্গে আছে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড। প্রথম রাউন্ড থেকে আরও দুটি দল যুক্ত হবে এই গ্রুপে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, তখন ভেন্যু পরিবর্তনের ইস্যুটি বেশ জোরালো হয়েছে। কারণ, নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে খেলতে চাচ্ছে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তাঁর সিদ্ধান্তে এখনো অনড়ই থাকছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু, দল সব গত বছরের নভেম্বরেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে যখন এক মাসও বাকি নেই, সেই মুহূর্তে ভেন্যু পরিবর্তন ইস্যুতে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)
৮ ঘণ্টা আগে
দেখতে দেখতে বিপিএল শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। ৩৪ ম্যাচের মধ্যে ২০ ম্যাচ হয়েছে। এই সময়েই বড় ধাক্কা খেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিপিএল থেকে ছিটকে গেলেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির তারকা ক্রিকেটার অ্যাডাম রসিংটন।
৯ ঘণ্টা আগে
ফিক্সিংয়ের কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অতীতে অনেকবার কলঙ্কিত হয়েছে। এবারের বিপিএল নিয়ে এই সংক্রান্ত খবর তেমন একটা না হওয়ায় মনে হচ্ছিল টুর্নামেন্টটা এবার ফিক্সিংয়ের কালো থাবা থেকে মুক্ত হয়েছে। কিন্তু ঢাকা ক্যাপিটালসের কারণে আবারও সেই অন্ধকার দিকটা সামনে চলে এসেছে।
১০ ঘণ্টা আগে