
ব্যাটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তিত ছিল বাংলাদেশ। তার ওপর একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একাদশের কাছে ইনিংস এবং ৩৮ রানের হার। এত কিছুর পরও নিজেদের ওপর থেকে বিশ্বাস হারাননি ক্রিকেটাররা। ডারউইন টেস্ট ৯ উইকেটের জয়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজ জানালেন, বিশ্বাসের সে মন্ত্রেই বাজিমাত করেছেন তাঁরা।
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে মিরাজ বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাসটা তখনও ছিল (প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর)। প্রস্তুতি ম্যাচে হারের পরও আমাদের ভাবতে হয়েছে—এই কন্ডিশনে আমাদের সামনে দারুণ একটি সুযোগ আছে। অনেক দিন পর আমরা এখানে এসেছি। ওরা খুব ভালো একটি দল, বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে তাদের। তাদের হারাতে পারলে সেটা আমাদের দেশ ও ক্রিকেটের জন্য দারুণ কিছু হবে। সেখান থেকে আমরা একটি বার্তাই পেয়েছি—আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে। বিশ্বাস না থাকলে আমরা এগোতে পারব না।’
দলগত পারফরম্যান্সের কারণেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়া সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন মিরাজ, ‘আমাদের পুরো ইউনিট হিসেবে বিশ্বাস রাখতে হয়েছে। এই কন্ডিশনে কীভাবে পারফর্ম করা যায়, সেটাই আমরা ভেবেছি। দল হিসেবে আমরা ভালো বোলিং করেছি এবং সঠিক সময়ে ভালো ব্যাটিং করেছি। প্রথম ১০ ওভারে তামিম ও শাদমান যেভাবে ব্যাটিং করেছে, তাতে আমাদের শুরুটা ভালো হয়েছে। তামিম সেঞ্চুরি করেছে, শান্তও ভালো ব্যাটিং করেছে। মুমিনুলও খুব ভালো করেছে।’
টেল এন্ডারদের প্রশংসা করে মিরাজ বলেন, ‘হাসান, তাসকিন ও তাইজুলের সঙ্গে দারুণ একটা জুটি হয়েছে। তারা আমাকে সুযোগ করে দিয়েছে, কারণ তারা আউট হয়ে গেলে আমি রান করতে পারতাম না। আমি শুধু একটা কথাই বলেছি—আমাদের উইকেটে থাকতে হবে। ওদের বোলিং আক্রমণ খুব ভালো, তাই আমাদের ইতিবাচক থাকতে হবে। কে বোলিং করছে, সেটা নিয়ে চিন্তা না করে প্রতিটি বল খেলতে হবে। আমরা শুধু এভাবেই ভেবেছি।’
ম্যাচজুড়ে সমর্থকনের জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ দিতে ভুলেননি মিরাজ, ‘আমার মনে হয়, দেশে সবাই খুব খুশি। এটা আমাদের জন্য গর্বের মুহূর্ত এবং সবাই খুব উপভোগ করছে। অনেক বাংলাদেশি দর্শক মাঠে এসে আমাদের সমর্থন করেছেন। আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, আমাদের পাশে এসে সমর্থন করার জন্য। তারা বিশ্বাস করেছিল যে আমরা ম্যাচটি জিততে পারব। সেই বিশ্বাস থেকেই আমরা জয় পেয়েছি। দর্শকদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।’

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করে ৪২৬ রানে থামে বাংলাদেশ। ২২৮ রানে পিছিয়ে থাকা স্বাগতিকেরা দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানের বেশি করতে পারেনি। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রানের। তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে জয় তুলে নেয় অতিথিরা।
৩ মিনিট আগে
এত কম সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জিততে পারেনি ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ডের মতো দলগুলো। অজিদের ঢেরায় লাল বলের প্রথম ম্যাচ জিততে ৫২ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল প্রোটিয়াদের। নিউজিল্যান্ডের লেগেছিল ৪২ বছর। এশিয়া তথা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি ভারত ৩০ বছর অপেক্ষার পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট জয়ের
৩৬ মিনিট আগে
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ জিতেছে দাপটের সঙ্গেই। টানা সাড়ে তিন দিন আধিপত্য দেখিয়ে ৯ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সফরকারীরা। এই জয়কে যেকোনো ফরম্যাটেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয় বলে মনে করছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটা বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়। এর আগে ২০১৭ সালে নিজেদের মাঠে অজিদের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে