হৃদয়ের হৃদয়কাড়া ডাবল সেঞ্চুরি

মিরপুর টেস্টে বাজে শট খেলা নিয়ে তৈরি হওয়া সমালোচনাকে শক্তিতে রূপ দিলেন তাওহীদ হৃদয়। সিলেট টেস্টে ধ্বংস্তূপে দাঁড়িয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন এই ব্যাটার। এবার টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটাকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন তিনি।
জোমেল ওয়ারিক্যানের করা ১০০তম ওভারের প্রথম থেকে এক রান নিয়ে বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেলেন হৃদয়। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম। পরের দুজন হলেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবার। এই তালিকার সবশেষ নামটা হৃদয়ের। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবলে রুপ দিলেন তিনি।
৩০৪ বলে ১৯ চার ও ৭ ছক্কায় ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। দুর্দান্ত, অনবদ্য, অসাধারণ— পরিস্থিতি বিবেচনায় তাঁর এই ডাবল সেঞ্চুরির জন্য কোনো বিশেষণই যেন যথেষ্ট নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩৫৬ রান তাড়ায় একপ্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন হৃদয়। কখনো মুশফিকু রহিম, আবার কখনো মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলামকে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন। অন্যপ্রান্তে সঙ্গীদের হারালেও মাটি কামড়ে ক্রিজে টিকে ছিলেন হৃদয়। প্রয়োজনে দেখেশুনে খেলেছেন আবার সুযোগ পেলে চার-ছক্কা মেরেছেন।
ডাবল সেঞ্চুরি করার পথে তাইজুলকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি পথ পাড়িয়ে দেন হৃদয়। তাঁদের অষ্টম উইকেট জুটিতে ১১৭ রান পায় বাংলাদেশ। ২২ রান করে ফিরলেও তাইজুলের অবদান কোনো অংশেই কম না। মুশফিককে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৭৩ রান যোগ করেন হৃদয়। এ ছাড়া ষষ্ঠ উইকেটে মিরাজের সঙ্গে ৪১ রান এনে দেন তিনি। অর্থাৎ দলের ইনিংস একাই টানছেন এই ব্যাটার।
হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রায় ছুঁয়ে ফেরার অপেক্ষায় বাংলাদেশ। এই রিপোর্ট লেখার সময় স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩৫০ রান। ৬ রান পিছিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তরা।








