
টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রেকর্ড গড়েছিল উইন্ডিজরা। ১৯ বছর পর পার্থ স্টেডিয়ামে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ার হাতছানি ক্যারিবীয়দের সামনে। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৪৯৮ রানের লক্ষ্যে ৩ উইকেটে ১৯২ রানে আজ চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে উইন্ডিজরা।
গতকাল ১ উইকেটে ২৯ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার লিডসহ রান হয়েছিল ৩৪৪ রান। ২ উইকেটে ১৮২ রানে আজ দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। তাতে লিডসহ অজিদের রান হয় ৪৯৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০৪ রান করেন মারনাস লাবুশেন। যা লাবুশেনের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। যেখানে এই দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট পেয়েছেন কেমার রোচ এবং রস্টন চেজ।
৪৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনিংয়ে ক্রেগ ব্র্যাথওয়েট ও ত্যাগনারায়ন চন্দরপল মিলে ১১৬ রানের জুটি গড়েছেন। ত্যাগনারায়নকে বোল্ড করে উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন মিচেল স্টার্ক। ৪৫ রান করেছেন ক্যারিবীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার। আর ক্যারিবীয়দের প্রথম ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার ব্রাথওয়েট দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১ তম সেঞ্চুরি পেয়েছেন এই ওপেনার। ১০১ রানে অপরাজিত থেকে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। ২ উইকেট নিয়েছেন নাথান লায়ন এবং ১ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক।
২০০৩ সালে অ্যান্টিগার সেন্ট জোনসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪১৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৩ উইকেটে ম্যাচ জিতে টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯ বছর এই রেকর্ড এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। এবার নিজেদের রেকর্ডকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার হাতছানি রয়েছে ক্যারিবীয়দের সামনে।

টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রেকর্ড গড়েছিল উইন্ডিজরা। ১৯ বছর পর পার্থ স্টেডিয়ামে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ার হাতছানি ক্যারিবীয়দের সামনে। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৪৯৮ রানের লক্ষ্যে ৩ উইকেটে ১৯২ রানে আজ চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে উইন্ডিজরা।
গতকাল ১ উইকেটে ২৯ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার লিডসহ রান হয়েছিল ৩৪৪ রান। ২ উইকেটে ১৮২ রানে আজ দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। তাতে লিডসহ অজিদের রান হয় ৪৯৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০৪ রান করেন মারনাস লাবুশেন। যা লাবুশেনের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। যেখানে এই দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট পেয়েছেন কেমার রোচ এবং রস্টন চেজ।
৪৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনিংয়ে ক্রেগ ব্র্যাথওয়েট ও ত্যাগনারায়ন চন্দরপল মিলে ১১৬ রানের জুটি গড়েছেন। ত্যাগনারায়নকে বোল্ড করে উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন মিচেল স্টার্ক। ৪৫ রান করেছেন ক্যারিবীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার। আর ক্যারিবীয়দের প্রথম ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার ব্রাথওয়েট দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১ তম সেঞ্চুরি পেয়েছেন এই ওপেনার। ১০১ রানে অপরাজিত থেকে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। ২ উইকেট নিয়েছেন নাথান লায়ন এবং ১ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক।
২০০৩ সালে অ্যান্টিগার সেন্ট জোনসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪১৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৩ উইকেটে ম্যাচ জিতে টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯ বছর এই রেকর্ড এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। এবার নিজেদের রেকর্ডকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার হাতছানি রয়েছে ক্যারিবীয়দের সামনে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, তখন ভেন্যু পরিবর্তনের ইস্যুটি বেশ জোরালো হয়েছে। কারণ, নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে খেলতে চাচ্ছে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তাঁর সিদ্ধান্তে এখনো অনড়ই থাকছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু, দল সব গত বছরের নভেম্বরেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে যখন এক মাসও বাকি নেই, সেই মুহূর্তে ভেন্যু পরিবর্তন ইস্যুতে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)
৮ ঘণ্টা আগে
দেখতে দেখতে বিপিএল শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। ৩৪ ম্যাচের মধ্যে ২০ ম্যাচ হয়েছে। এই সময়েই বড় ধাক্কা খেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিপিএল থেকে ছিটকে গেলেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির তারকা ক্রিকেটার অ্যাডাম রসিংটন।
৯ ঘণ্টা আগে
ফিক্সিংয়ের কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অতীতে অনেকবার কলঙ্কিত হয়েছে। এবারের বিপিএল নিয়ে এই সংক্রান্ত খবর তেমন একটা না হওয়ায় মনে হচ্ছিল টুর্নামেন্টটা এবার ফিক্সিংয়ের কালো থাবা থেকে মুক্ত হয়েছে। কিন্তু ঢাকা ক্যাপিটালসের কারণে আবারও সেই অন্ধকার দিকটা সামনে চলে এসেছে।
১০ ঘণ্টা আগে