
অভিষেকের পর থেকেই টেস্টে বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা হয়ে ওঠেছিলেন মুমিনুল হক। তবে মাঝে কিছু সময় ছন্দে ছিলেন না। অবশেষে তাঁর চিরচেনা ব্যাটিংয়ের দেখা পাওয়া গেল মিরপুর টেস্টে। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিয়ারের ১২ তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাঁ-হাতি ব্যাটার।
সর্বশেষ ২৬ মাস আগে মুমিনুল সেঞ্চুরি করেছিলেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে। সেঞ্চুরি না পাওয়ার সঙ্গে মাঝে রানেও ছিলেন না তিনি। দীর্ঘ সেঞ্চুরি খরা কাটানোয় স্বস্তিতে মুমিনুল। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মলনে আক্ষেপ ঘুচেছে জানান বাংলাদেশি ব্যাটার।
তবে রান না পাওয়ার প্রশ্নে একমত নন মুমিনুল। তিনি বলেছেন, ‘রান হচ্ছে না, আপনারা যদি শেষ চার ইনিংস দেখেন, রান অত খারাপ না। মানে আপনারা হয়তো প্রতি ম্যাচে ২০০ আশা করেন, এজন্য আপনাদের কাছে মনে হয় রানে নাই! আপনারা যেভাবে চিন্তা করেন রানে নাই, তা না! হ্যাঁ, আক্ষেপ ছিল যখন লম্বা ইনিংস ব্যাটিং করতে পারিনি, যেটা আমার অভ্যাস। এক-দুই-তিন-চার সেশন ব্যাটিং করা, ঐটা নিয়ে আক্ষেপ ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, সেটা করতে পারছি, দলের জন্য ভালো হয়েছে, আর কিছু না।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২০১৯ সালে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশ ২২৪ রানে হেরেছিল। সেটিও আবার নিজেদের মাঠ চট্টগ্রামে। এবার মিরপুরে জিতে সেটার প্রতিশোধ নিচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মুমিনুল বলেছেন, ‘এখনও দুই দিন বাকি আছে। আমরা লম্বা সময় ব্যাটিং করেছি। আর কোনো কিছু না। ওই রিভেঞ্জ-টিভেঞ্জ (প্রতিশোধ) নেওয়ার কিছু নাই। আবহাওয়া দেখেন যদি দুইদিন বৃষ্টি হয়, সেটা একমাত্র আল্লাহ জানে। এটা আমিও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না। আপনিও পারবেন না। আমাদের চিন্তা ছিল লম্বা ব্যাটিং করতে হবে। ৬০০ বা ৭০০ করতে হবে এমন চিন্তা ছিল না।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে মুমিনুল প্রথম ইনিংসে করেন ১৫ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৫ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে খেলেন অপরাজিত ১২১ রানের ইনিংস।

অভিষেকের পর থেকেই টেস্টে বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা হয়ে ওঠেছিলেন মুমিনুল হক। তবে মাঝে কিছু সময় ছন্দে ছিলেন না। অবশেষে তাঁর চিরচেনা ব্যাটিংয়ের দেখা পাওয়া গেল মিরপুর টেস্টে। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিয়ারের ১২ তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাঁ-হাতি ব্যাটার।
সর্বশেষ ২৬ মাস আগে মুমিনুল সেঞ্চুরি করেছিলেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে। সেঞ্চুরি না পাওয়ার সঙ্গে মাঝে রানেও ছিলেন না তিনি। দীর্ঘ সেঞ্চুরি খরা কাটানোয় স্বস্তিতে মুমিনুল। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মলনে আক্ষেপ ঘুচেছে জানান বাংলাদেশি ব্যাটার।
তবে রান না পাওয়ার প্রশ্নে একমত নন মুমিনুল। তিনি বলেছেন, ‘রান হচ্ছে না, আপনারা যদি শেষ চার ইনিংস দেখেন, রান অত খারাপ না। মানে আপনারা হয়তো প্রতি ম্যাচে ২০০ আশা করেন, এজন্য আপনাদের কাছে মনে হয় রানে নাই! আপনারা যেভাবে চিন্তা করেন রানে নাই, তা না! হ্যাঁ, আক্ষেপ ছিল যখন লম্বা ইনিংস ব্যাটিং করতে পারিনি, যেটা আমার অভ্যাস। এক-দুই-তিন-চার সেশন ব্যাটিং করা, ঐটা নিয়ে আক্ষেপ ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, সেটা করতে পারছি, দলের জন্য ভালো হয়েছে, আর কিছু না।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২০১৯ সালে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশ ২২৪ রানে হেরেছিল। সেটিও আবার নিজেদের মাঠ চট্টগ্রামে। এবার মিরপুরে জিতে সেটার প্রতিশোধ নিচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মুমিনুল বলেছেন, ‘এখনও দুই দিন বাকি আছে। আমরা লম্বা সময় ব্যাটিং করেছি। আর কোনো কিছু না। ওই রিভেঞ্জ-টিভেঞ্জ (প্রতিশোধ) নেওয়ার কিছু নাই। আবহাওয়া দেখেন যদি দুইদিন বৃষ্টি হয়, সেটা একমাত্র আল্লাহ জানে। এটা আমিও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না। আপনিও পারবেন না। আমাদের চিন্তা ছিল লম্বা ব্যাটিং করতে হবে। ৬০০ বা ৭০০ করতে হবে এমন চিন্তা ছিল না।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে মুমিনুল প্রথম ইনিংসে করেন ১৫ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৫ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে খেলেন অপরাজিত ১২১ রানের ইনিংস।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৪ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৫ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৫ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৬ ঘণ্টা আগে