রানা আব্বাস, আবুধাবি থেকে

২০২৩ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তানের সেই ম্যাচটা মনে আছে? লাহোরে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ মুখোমুখি আফগান-লঙ্কানরা। যে জিতবে, সেই যাবে সুপার ফোরে। স্নায়ুক্ষয়ী সেই ম্যাচের শেষ দিকে দলের কম্পিউটার বিশ্লেষকের ভুল হিসাবে আফগানরা হারায় শেষ চারে ওঠার সুযোগ। আফগানিস্তান লঙ্কানদের কাছে ম্যাচটা হারে মাত্র ২ রানে।
৫০ ওভারের সংস্করণের জায়গায় এবার এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। কিন্তু শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান আবারও সেই সমীকরণের মারপ্যাঁচ নিয়েই আজ আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে সুপার ফোরে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে। গত এশিয়া কাপে বাংলাদেশ আগেই নিশ্চিত করেছিল সুপার ফোর। কিন্তু আজ এই ম্যাচে একসঙ্গে জড়িয়ে তিনটা দলের ভাগ্য। খেলবে লঙ্কান-আফগানরা, তাতে জড়িয়ে থাকছে বাংলাদেশও।
শ্রীলঙ্কা জিতে গেলে বাংলাদেশের হিসাব সহজ, লঙ্কানদের সঙ্গে লিটনরাও চলে যাবেন সুপার ফোরে। আর আফগানিস্তান জিতলে তখন আসবে নেট রানরেটের কঠিন হিসাব। তাতে পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুইয়ে বাংলাদেশ থাকতে পারবে কি না, আগে থেকে বলার উপায় নেই। সব মিলিয়ে এটা একটা ‘গ্রেট গেম’ হতে চলেছে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ আফগান অলরাউন্ডার গুলবদিন নাইব। আজকের ম্যাচ নিয়ে নাইব বলছেন, ‘শ্রীলঙ্কা আর আফগানিস্তানের ম্যাচটা গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। এটা একটা গ্রেট গেম হতে যাচ্ছে। আমরা একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি, একে অন্যকে খুব ভালোভাবে চিনি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খুব একটা সময় পাওয়া যায় না ঘুরে দাঁড়ানোর। সহজ হবে না। তবে আমরা আমাদের দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। আমরা এই কন্ডিশনে অভ্যস্ত, এখানে আগেও অনেক ম্যাচ জিতেছি।’
নাইব মনে করেন, চাপে আফগানরা নয়, থাকবে শ্রীলঙ্কাই, ‘এ ধরনের টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের টুর্নামেন্টে আমরা অভ্যস্ত। আমরা কোনো চাপে নেই। শ্রীলঙ্কা ভালো দল। শ্রীলঙ্কাই চাপে বেশি থাকবে।’ কেন আফগানিস্তানকে চাপ খুব বেশি স্পর্শ করে না, সেটির ব্যাখ্যায় আফগানদের নিরন্তর সংগ্রাম, কঠিন পরিস্থিতিতে জীবন চালিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছেন নাইব। আফগান অলরাউন্ডারের যুক্তি, ‘ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মতো আমাদের ক্রিকেট বোর্ড নয়। আমরা এ ধরনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাই। আমরা এ ধরনের পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত। আমরা এ ধরনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ভালোবাসি।’
এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপকে মৃত্যুকূপ হিসেবে দেখা হয় আগে থেকেই। তিনটি সমশক্তির দল একই গ্রুপে। তিনটিরই সমান সুযোগ সুপার ফোরে ওঠার। এই গ্রুপে এবার ‘কাবাব মে হাড্ডি’ যেন হংকং। তিনটি দলেরই ‘সফট টার্গেট’ ছিল হংকং! আইসিসির সহযোগী দেশকে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান—তিন দলই হারিয়েছে। তবে হংকংকে সবচেয়ে স্বচ্ছন্দে হারিয়েছে আফগানরা। শ্রীলঙ্কা তো প্রায় হেরেই যেতে বসেছিল। হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ও সহজে আসেনি। শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশকে হারিয়েছে। বাংলাদেশ আবার হারিয়েছে আফগানিস্তানকে। আজ আফগানদের হারাতে পারবে শ্রীলঙ্কা? টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি সাক্ষাতে লঙ্কানরা এগিয়ে, ৮ ম্যাচের ৫টিই জিতেছে। কিন্তু খেলাটা যে মরুতে, যেটা আফগানদের ‘দ্বিতীয় ঘর’। নাইব যেটা মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের কঠিন পরিস্থিতি ও কন্ডিশনে তাঁরা ভালো খেলে অভ্যস্ত। তবে দুই দলই একটি জায়গায় একমত, ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে পাওয়ারপ্লে।
টুর্নামেন্টে বেশির ভাগ ম্যাচের ধরন বলে দিচ্ছে, প্রথম ৬ ওভারে যারা ভালো করছে, তারাই জিতছে। যেহেতু শ্রীলঙ্কা জিতলে হিসাবটা সহজ, বাংলাদেশের সমর্থকেরা নিশ্চিতভাবে ‘নাগিন ডার্বি’ ভুলে লঙ্কানদের সমর্থন দেবে! বাংলাদেশের মানুষের চোখ যে থাকবে এই ম্যাচে, সেটি অনুধাবন করতে পারছে শ্রীলঙ্কা দলও। আবুধাবিতে আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান দলের প্রতিনিধি হয়ে এসে দাসুন শানাকা বললেন, ‘আমরা এটা জানি যে বাংলাদেশের ভক্তরা আমাদের জয় দেখার অপেক্ষায় আছে। আমরাও ম্যাচটি জিততে চাই।’
তবে পরশু আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক নাসুম আহমেদ জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান কোনো দলকে সমর্থন নয়, ভাগ্যে যেটা লেখা আছে, তাঁরা সেটাই মেনে নিতে প্রস্তুত।

২০২৩ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তানের সেই ম্যাচটা মনে আছে? লাহোরে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ মুখোমুখি আফগান-লঙ্কানরা। যে জিতবে, সেই যাবে সুপার ফোরে। স্নায়ুক্ষয়ী সেই ম্যাচের শেষ দিকে দলের কম্পিউটার বিশ্লেষকের ভুল হিসাবে আফগানরা হারায় শেষ চারে ওঠার সুযোগ। আফগানিস্তান লঙ্কানদের কাছে ম্যাচটা হারে মাত্র ২ রানে।
৫০ ওভারের সংস্করণের জায়গায় এবার এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। কিন্তু শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান আবারও সেই সমীকরণের মারপ্যাঁচ নিয়েই আজ আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে সুপার ফোরে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে। গত এশিয়া কাপে বাংলাদেশ আগেই নিশ্চিত করেছিল সুপার ফোর। কিন্তু আজ এই ম্যাচে একসঙ্গে জড়িয়ে তিনটা দলের ভাগ্য। খেলবে লঙ্কান-আফগানরা, তাতে জড়িয়ে থাকছে বাংলাদেশও।
শ্রীলঙ্কা জিতে গেলে বাংলাদেশের হিসাব সহজ, লঙ্কানদের সঙ্গে লিটনরাও চলে যাবেন সুপার ফোরে। আর আফগানিস্তান জিতলে তখন আসবে নেট রানরেটের কঠিন হিসাব। তাতে পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুইয়ে বাংলাদেশ থাকতে পারবে কি না, আগে থেকে বলার উপায় নেই। সব মিলিয়ে এটা একটা ‘গ্রেট গেম’ হতে চলেছে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ আফগান অলরাউন্ডার গুলবদিন নাইব। আজকের ম্যাচ নিয়ে নাইব বলছেন, ‘শ্রীলঙ্কা আর আফগানিস্তানের ম্যাচটা গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। এটা একটা গ্রেট গেম হতে যাচ্ছে। আমরা একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি, একে অন্যকে খুব ভালোভাবে চিনি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খুব একটা সময় পাওয়া যায় না ঘুরে দাঁড়ানোর। সহজ হবে না। তবে আমরা আমাদের দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। আমরা এই কন্ডিশনে অভ্যস্ত, এখানে আগেও অনেক ম্যাচ জিতেছি।’
নাইব মনে করেন, চাপে আফগানরা নয়, থাকবে শ্রীলঙ্কাই, ‘এ ধরনের টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের টুর্নামেন্টে আমরা অভ্যস্ত। আমরা কোনো চাপে নেই। শ্রীলঙ্কা ভালো দল। শ্রীলঙ্কাই চাপে বেশি থাকবে।’ কেন আফগানিস্তানকে চাপ খুব বেশি স্পর্শ করে না, সেটির ব্যাখ্যায় আফগানদের নিরন্তর সংগ্রাম, কঠিন পরিস্থিতিতে জীবন চালিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছেন নাইব। আফগান অলরাউন্ডারের যুক্তি, ‘ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মতো আমাদের ক্রিকেট বোর্ড নয়। আমরা এ ধরনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাই। আমরা এ ধরনের পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত। আমরা এ ধরনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ভালোবাসি।’
এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপকে মৃত্যুকূপ হিসেবে দেখা হয় আগে থেকেই। তিনটি সমশক্তির দল একই গ্রুপে। তিনটিরই সমান সুযোগ সুপার ফোরে ওঠার। এই গ্রুপে এবার ‘কাবাব মে হাড্ডি’ যেন হংকং। তিনটি দলেরই ‘সফট টার্গেট’ ছিল হংকং! আইসিসির সহযোগী দেশকে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান—তিন দলই হারিয়েছে। তবে হংকংকে সবচেয়ে স্বচ্ছন্দে হারিয়েছে আফগানরা। শ্রীলঙ্কা তো প্রায় হেরেই যেতে বসেছিল। হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ও সহজে আসেনি। শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশকে হারিয়েছে। বাংলাদেশ আবার হারিয়েছে আফগানিস্তানকে। আজ আফগানদের হারাতে পারবে শ্রীলঙ্কা? টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি সাক্ষাতে লঙ্কানরা এগিয়ে, ৮ ম্যাচের ৫টিই জিতেছে। কিন্তু খেলাটা যে মরুতে, যেটা আফগানদের ‘দ্বিতীয় ঘর’। নাইব যেটা মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের কঠিন পরিস্থিতি ও কন্ডিশনে তাঁরা ভালো খেলে অভ্যস্ত। তবে দুই দলই একটি জায়গায় একমত, ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে পাওয়ারপ্লে।
টুর্নামেন্টে বেশির ভাগ ম্যাচের ধরন বলে দিচ্ছে, প্রথম ৬ ওভারে যারা ভালো করছে, তারাই জিতছে। যেহেতু শ্রীলঙ্কা জিতলে হিসাবটা সহজ, বাংলাদেশের সমর্থকেরা নিশ্চিতভাবে ‘নাগিন ডার্বি’ ভুলে লঙ্কানদের সমর্থন দেবে! বাংলাদেশের মানুষের চোখ যে থাকবে এই ম্যাচে, সেটি অনুধাবন করতে পারছে শ্রীলঙ্কা দলও। আবুধাবিতে আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান দলের প্রতিনিধি হয়ে এসে দাসুন শানাকা বললেন, ‘আমরা এটা জানি যে বাংলাদেশের ভক্তরা আমাদের জয় দেখার অপেক্ষায় আছে। আমরাও ম্যাচটি জিততে চাই।’
তবে পরশু আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক নাসুম আহমেদ জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান কোনো দলকে সমর্থন নয়, ভাগ্যে যেটা লেখা আছে, তাঁরা সেটাই মেনে নিতে প্রস্তুত।

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
৯ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৪ ঘণ্টা আগে