২, ৪, ২, ৩, ১২, ১৫, ০, ৩, ৫, ৪, ০—মাঝের ১২ ও ১৫ বাদ দিয়ে বাকি সংখ্যাগুলোকে সাজিয়ে নিলে মোবাইলের ডিজিট মনে হতে পারে যে কারও। অথচ এ সংখ্যাগুলো দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারদের রান! বিষ্ময়কর হলেও এটাই সত্যি। কেপটাউন টেস্টের প্রথমদিনে প্রোটিয়ারা অলআউট মাত্র ৫৫ রানে!
দুই সংখ্যার রান দুটি দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার ডেভিড বেডিংহাম ও উইকেটরক্ষক কাইল ভেরেন্নের। সর্বোচ্চ ১৯ রানের জুটিটিও তাঁদের। ৩৪ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর এই জুটিতেই ৫০ পেরোনো স্কোর। অবশ্য টেস্টে অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়া এ আর নতুন কী দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য!
টেস্টে সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার যে তালিকা সেখানে প্রোটিয়াদের উপস্থিতিই সবচেয়ে বেশি। ৫০ রানের আগে সর্বোচ্চ ৭ বার অলআউট হয়েছে তারা। সবচেয়ে কম ২৬ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটি নিউজিল্যান্ডের। তার পরের চারটিতেই নাম দক্ষিণ আফ্রিকার। আর স্কোরগুলো হলো—৩০, ৩০, ৩৫, ৩৬। প্রথম তিনটি ইংল্যান্ডের সামনে, শেষটি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।
এই কেপটাউনেই ১৮৯৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৮৮৯ সালেও একই ভেন্যু ইংলিশদের বিপক্ষে ৪৭ ও ৪৩ থেমেছিল প্রোটিয়াদের দুই ইনিংস। ভারতের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার আগের সর্বনিম্ন স্কোরটি ছিল ৭৯। ২০১৫ সালে নাগপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে রবীচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজার ঘূর্ণিতে চোখে সর্ষে দেখেছিল সফরকারীরা।
কিন্তু এবার কেপটাউনে নিজের নবাবী দেখালেন মোহাম্মদ সিরাজ। প্রোটিয়াদের ৫৫ রানে বাঁধার পথে ৯ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এটিই টেস্টে সিরাজের ক্যারিয়ার-সেরা বোলিং। গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৫১ রানে অলআউট করার পথে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন এই পেসার।
সিরাজের তোপ দাগানোর শুরুটা ইনিংসের চতুর্থ ওভারে, ওপেনার এইডেন মার্করামকে ফিরিয়ে। মাঝখানে ত্রিস্টান স্টাবসের উইকেটটি ছাড়া স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইন-আপের ৭ উইকেটের ৬টি নিয়েছেন সিরাজ। প্রোটিয়াদের ১০ উইকেটের ৮টিই গেছে ভারতের পেসারদের পকেটে। ভারতের বিপক্ষে টেস্টে যেকোনো দলের এটিই সর্বনিম্ন স্কোর।

ব্যাট হাতে ইব্রাহিম জাদরানের দুর্দান্ত এক ইনিংস, আর বল হাতে মোহাম্মদ নবির কিপ্টে এবং কার্যকর বোলিং। এই দুইয়ের মাঝে পড়ে নাস্তানাবুদ কানাডা। হেরেছে ৮২ রানে। আফগানিস্তান রেকর্ড ২০০ রানের স্কোর গড়লেই বোঝা গিয়েছিল এই রান তাড়া করতে পারবে না কানাডা। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই; আফগানদের রানের নিচে চাপা পড়েছে...
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিকেট বিশ্বকে চমক দিয়ে চলেছে জিম্বাবুয়ে। আন্ডারডগ তকমা ঝেড়ে ফেলে গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবেই সুপার এইটে পা রেখেছে সিকান্দার রাজার দল। আজ স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারানোর পর জিম্বাবুয়ের অধি
১০ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জাজনক বিদায়ে ক্ষুব্ধ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর এবার ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে ‘ফরেনসিক পর্যালোচনার’ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। ২০২১ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন বিপর্যয় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না অজি
১১ ঘণ্টা আগে
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপে দীর্ঘ ১৬ বছরের খরা কাটাল জিম্বাবুয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে গত ১৬ বছরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়েছে জিম্বাবুয়ে। আগের দুইবারই জেতে লঙ্কানরা। লঙ্কানদের বিপক্ষে এই স্মরণীয় জয়ের ফলে
১৩ ঘণ্টা আগে