
প্রথমবারের মতো বিগ ব্যাশ খেলার অপেক্ষায় ছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। কিন্তু এই তারকা ক্রিকেটারের অপেক্ষা সহজেই ফুরাচ্ছে না। হাঁটুর চোটে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ব্যয়বহুল ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের পরবর্তী আসর থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। এক বার্তায় বিগ ব্যাশের দল সিডনি থান্ডার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিগ ব্যাশ সামনে রেখে চেন্নাইয়ে অনুশীলনের সময় হাঁটুতে চোট পান অশ্বিন। সুস্থ হওয়ার জন্য অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। মাঠে ফিরতে লম্বা সময় লেগে যাবে এই স্পিনারে। ততদিনে আর সিডনির হয়ে বিগ ব্যাশের পরবর্তী আসরে খেলতে পারবেন না অশ্বিন।
ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিদেশী লিগে খেলার অনুমতি দেয় না বিসিসিআই। গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন অশ্বিন। কিছুদিন আগে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে (আইপএল) বিদায় বলেন তিনি। এরপর প্রথম বিদেশী ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে সিডনি থান্ডারের সঙ্গে চুক্তি করেন অশ্বিন।
বিগ ব্যাশের পরবর্তী আসরে সিডনি থান্ডারের হয়ে তিন থেকে পাঁচটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল অশ্বিনের। যেখানে ডেভিড ওয়ার্নার, ক্রিস গ্রিন, শাদাব খানদের মতো ক্রিকেটারদের সতীর্থ হিসেবে পেতেন ভারতীয় দলের এক সময়কার নিয়মিত মুখ। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে সিডনি।
বিবৃতিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি জানিয়েছে, ‘সিডনি থান্ডার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে শুভকামনা জানিয়েছে। তিনি যেন হাঁটু অস্ত্রোপচারের পরে সুস্থ হয়ে দ্রুত মাঠে ফিরতে পারেন। ইতোমধ্যে এই ক্রিকেটার বিগ ব্যাশের এই মৌসুম থেকে ছিটকে গেছেন।’
এক বিবৃতিতে অশ্বিন বলেন, ‘বিগ ব্যাশের ১৫ তম আসর খেলতে পারব না ভেবে আমি হতাশ। আমার সব মনোযোগ এখন সেরে ওঠা নিয়ে। আমি আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে চাই। সিডনি পরিবার এবং সমর্থকরা আমাকে যে উষ্ণতা দেখিয়েছে তার জন্য আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। যদি পুনর্বাসন এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা অনুকূল থাকে, তাহলে আমি মৌসুমের শেষের দিকে দলের সাথে থাকতে এবং ভক্তদের সাথে দেখা করতে চাই। সিডনির জন্য শুভকামনা জানাচ্ছি।’

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
২ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৩ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৪ ঘণ্টা আগে