
একের পর এক রেকর্ড গড়েন বলে ‘রেকর্ড আল হাসান’ তকমা সাকিব আল হাসান পেয়ে গেছেন অনেক আগেই। আইসিসি ইভেন্টেও রয়েছে তাঁর একগাদা রেকর্ড। ব্যাটিং, বোলিং দুটোতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দশে আছেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব। ৩৬ ইনিংসে ব্যাটিং করে ৭৪২ রান করেছেন। গড় ও স্ট্রাইকরেট ২৩.৯৩ ও স্ট্রাইকরেট ১২২.৪৪। করেছেন তিন ফিফটি। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন ২০১২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ৪৭ উইকেট নিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী এখনো তিনি।
বোলিংয়ের মতো ব্যাটিংয়েও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দশে এশিয়ানদের জয়জয়কার। প্রথম ১০ ব্যাটারের মধ্যে পাঁচজনই এশিয়ার। ১১৪১ রান করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বিরাট কোহলি। দুই ও তিনে থাকা মাহেলা জয়বর্ধনে ও ক্রিস গেইলের রান ১০১৬ ও ৯৬৫ রান। জয়বর্ধনে সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন ২০১৪ সালে। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ১০ বছর আগে বিশ্বকাপে ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় লঙ্কানরা। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ গেইল খেলেছেন ২০২১ সালে। তাতে রোহিত শর্মার সেরা দুইয়ে ওঠার সম্ভাবনা আরও একটু জোরালো হলো। ৯৬৩ রান করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রোহিত। তাঁর নেতৃত্বেই এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে ভারত।
৮৯৭ রান করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিলকরত্নে দিলশান। দিলশান সবশেষ ২০১৬ সালে খেলেছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবু রান সংগ্রাহকের সেরা পাঁচে জায়গা করে নিতে সাকিবের জন্য একটু কঠিনই হবে। ছয় ও সাতে থাকা ডেভিড ওয়ার্নার ও জস বাটলার দুজনই আছেন এবারের বিশ্বকাপে। বড় মঞ্চে ওয়ার্নার, বাটলার যে কতটা বিধ্বংসী হতে পারেন, সেটার প্রমাণ দেখা গেছে অনেকবারই।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ১০ রান সংগ্রাহক
রান ইনিংস স্ট্রাইকরেট
বিরাট কোহলি (ভারত) ১১৪১ ২৫ ১৩১.৩০
মাহেলা জয়বর্ধনে (শ্রীলঙ্কা) ১০১৬ ৩১ ১৩৪.৭৪
ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ৯৬৫ ৩১ ১৪২.৭৫
রোহিত শর্মা (ভারত) ৯৬৩ ৩৬ ১২৭.৮৮
তিলকরত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা) ৮৯৭ ৩৪ ১২৪.০৬
ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া) ৮০৬ ৩৪ ১৩৩.২২
জস বাটলার (ইংল্যান্ড) ৭৯৯ ২৭ ১৪৪.৪৮
সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ) ৭৪২ ৩৬ ১২২.৪৪
এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) ৭১৭ ২৯ ১৪৩.৪০
কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড) ৬৯৯ ২৪ ১৮৩.৮৪
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের যে তালিকায় সাকিব এখনো সবার ওপরে

একের পর এক রেকর্ড গড়েন বলে ‘রেকর্ড আল হাসান’ তকমা সাকিব আল হাসান পেয়ে গেছেন অনেক আগেই। আইসিসি ইভেন্টেও রয়েছে তাঁর একগাদা রেকর্ড। ব্যাটিং, বোলিং দুটোতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দশে আছেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব। ৩৬ ইনিংসে ব্যাটিং করে ৭৪২ রান করেছেন। গড় ও স্ট্রাইকরেট ২৩.৯৩ ও স্ট্রাইকরেট ১২২.৪৪। করেছেন তিন ফিফটি। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন ২০১২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ৪৭ উইকেট নিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী এখনো তিনি।
বোলিংয়ের মতো ব্যাটিংয়েও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দশে এশিয়ানদের জয়জয়কার। প্রথম ১০ ব্যাটারের মধ্যে পাঁচজনই এশিয়ার। ১১৪১ রান করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বিরাট কোহলি। দুই ও তিনে থাকা মাহেলা জয়বর্ধনে ও ক্রিস গেইলের রান ১০১৬ ও ৯৬৫ রান। জয়বর্ধনে সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন ২০১৪ সালে। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ১০ বছর আগে বিশ্বকাপে ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় লঙ্কানরা। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ গেইল খেলেছেন ২০২১ সালে। তাতে রোহিত শর্মার সেরা দুইয়ে ওঠার সম্ভাবনা আরও একটু জোরালো হলো। ৯৬৩ রান করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রোহিত। তাঁর নেতৃত্বেই এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে ভারত।
৮৯৭ রান করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিলকরত্নে দিলশান। দিলশান সবশেষ ২০১৬ সালে খেলেছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবু রান সংগ্রাহকের সেরা পাঁচে জায়গা করে নিতে সাকিবের জন্য একটু কঠিনই হবে। ছয় ও সাতে থাকা ডেভিড ওয়ার্নার ও জস বাটলার দুজনই আছেন এবারের বিশ্বকাপে। বড় মঞ্চে ওয়ার্নার, বাটলার যে কতটা বিধ্বংসী হতে পারেন, সেটার প্রমাণ দেখা গেছে অনেকবারই।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ১০ রান সংগ্রাহক
রান ইনিংস স্ট্রাইকরেট
বিরাট কোহলি (ভারত) ১১৪১ ২৫ ১৩১.৩০
মাহেলা জয়বর্ধনে (শ্রীলঙ্কা) ১০১৬ ৩১ ১৩৪.৭৪
ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ৯৬৫ ৩১ ১৪২.৭৫
রোহিত শর্মা (ভারত) ৯৬৩ ৩৬ ১২৭.৮৮
তিলকরত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা) ৮৯৭ ৩৪ ১২৪.০৬
ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া) ৮০৬ ৩৪ ১৩৩.২২
জস বাটলার (ইংল্যান্ড) ৭৯৯ ২৭ ১৪৪.৪৮
সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ) ৭৪২ ৩৬ ১২২.৪৪
এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) ৭১৭ ২৯ ১৪৩.৪০
কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড) ৬৯৯ ২৪ ১৮৩.৮৪
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের যে তালিকায় সাকিব এখনো সবার ওপরে

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
২ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৩ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৩ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৪ ঘণ্টা আগে