
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই সংস্করণের ১৩ তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। শততম টেস্ট ম্যাচ হওয়ায় এই শতক স্মরণীয় হয়ে থাকবে তাঁর জন্য। বিশেষ এই সেঞ্চুরিটা দাদা-দাদি আর নানা-নানিকে উৎসর্গ করেছেন মুশফিক।
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন ২৮ তম ওভারে নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হলে ক্রিজে আসেন মুশফিক। প্রথাগত টেস্ট ঘরানার ব্যাটিংয়ে গতকাল ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন সাবেক অধিনায়ক। অপেক্ষা ছিল মাত্র ১ রানের। আজ দিনের দ্বিতীয় ওভারেই তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের ঘরে পৌঁছে যান মুশফিক। সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ম্যাথু হামফ্রিসের বলে অ্যান্ড্রু ম্যাকব্রায়েনের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ২১৪ বলে ৫ ছক্কায় সাজানো তাঁর ১০৬ রানের ইনিংস।
মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষেই চালকের আসনে আছে বাংলাদেশ। মুশফিকের পর সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন দাস। জোড়া শতকে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রান তোলেছে বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে ফলোঅনের শঙ্কায় পড়েছে আয়ারল্যান্ড। দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে ৯৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে সফরকারী দল। ফলোঅন এড়াতে চাইলে আরও ১৭৯ রান করতে হবে আইরিশদের।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকের কাঁছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, শততম টেস্টের সেঞ্চুরি কাকে উৎনর্গ করতে চান তিনি? জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার দাদা-দাদি আর নানা-নানিকে। কারণ বেঁচে ছিলেন, তাঁরা আমার সবচেয়ে বড় ফ্যান ছিলেন। মারা যাওয়ার আগে যখন তাঁরা অসুস্থ ছিলেন, আমার এখনো মনে আছে, দাদা-দাদি, নানা-নানি বলেছিলেন যে, ভাই তোমার খেলা দেখার জন্যও আমরা আর কয়েকটা দিন বেঁচে থাকতে চাই। খুব কম নাতি নাতনির ভাগ্যে এমন কিছু জোটে। আমি এখন বলতে চাই যে, তাদের দোয়ার কারণেই আমি এতদূর আসতে পেরেছি। আমার সেঞ্চুরি উৎসর্গ করার মতো আরও অনেক মানুষ আছেন। কিন্তু আমি দাদা-দাদি আর নানা-নানিকে উৎসর্গ করতে চাই।’

সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের হাতে। অথচ গতকাল প্রথম দিনে প্রথম দুই সেশনে পাকিস্তান যেভাবে খেলছিল, সেটা বজায় থাকলে হতে পারত অন্য কিছু। তবে দল ভালো অবস্থায় থাকায় লিটন দাসকে কৃতিত্ব দিয়েছেন নাহিদ রানা।
১১ ঘণ্টা আগে
ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন নাহিদ রানা। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতির পাশাপাশি লেংথের পরিবর্তন করে একের পর এক উইকেট তুলে নিচ্ছেন রানা। যার মধ্যে পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজমকে তিনবার আউট করেছেন রানা। তবে বাংলাদেশের আলোচিত গতিতারকাকে ভয় পান না বাবর।
১২ ঘণ্টা আগে
তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনা কেমন হয়, সেটা টের পাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো বটেই, আইপিএলেও একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাচ্ছেন তিনি। বাজে অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেই দৃষ্টান্তও স্থাপন করছেন তিনি। তবে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন কোহলি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং ও বাউন্সারে ব্যাটারদের হরহামেশাই কুপোকাত করেন নাহিদ রানা। আগুনে বোলিংয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে হই চই ফেলে দিয়েছেন রানা। বিশ্বের অধিকাংশ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে কখনো কোনো বোলার বাউন্সার মারলে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের গতিতারকা।
১৪ ঘণ্টা আগে