
দক্ষিণ আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচেই দেখা গেল ব্যাটিং ব্যর্থতার চিত্র। প্রথম ম্যাচে হতাশ করেছিল কিউই ব্যাটাররা। ম্যাচটিতে তাদের সঙ্গী হয়েছিল ৭ উইকেটের বড় হার। এরপর সবশেষ দুই ম্যাচে এই চিত্র প্রোটিয়া শিবিরে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির মতো আরও একবার ব্যর্থ সফরকারী দলের ব্যাটিং লাইন।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের করা ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬৮ রানের জয়ে সিরিজে ফিরেছিল ব্ল্যাক ক্যাপরা। তৃতীয় ম্যাচেও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল তারা। এ যাত্রায় ৮ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২২ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে মিচেল সান্টনারের দল। এই জয়ে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড। চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে আগামী ২২ মার্চ ওয়েলিংটনে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজে টিকে থাকলে হলে সে ম্যাচে জেতার বিকল্প নেই দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য। তার আগে তাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে থাকল বাজে ব্যাটিং।
ম্যাচের ফলের মতো এদিন টস ভাগ্যও কথা বলেনি দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে অতিথিরা; ৪৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে। সে ধাক্কা সামলে আর লড়াই করার মতো পুঁজি পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ পর্যন্ত অলআউট না হলেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রানের বেশি করতে পারেনি কেশভ মহারাজের দল।
দশে নামা পেসার এনকোবানি মোকোয়েনা (২৬ রান) এবং সাতে নামা অলরাউন্ডার জর্জ লিন্ডে (২৩ রান) দক্ষিণ আফ্রিকার মান বাঁচান। নাহলে এক শর অনেক আগেই গুটিয়ে যেত দক্ষিণ আফ্রিকা। ডিয়ান ফরেস্টার ১৭ ও জেরাল্ড কোয়েটজি ১৬ রান করে দলের ব্যর্থতার দিনে হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন। এ ছাড়া সমান ১৫ রান করেন টনি ডি জর্জি এবং কনর এস্টারহুইজেন। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে কাইল জেমিসন, সান্টনার এবং বেঞ্জামিন সিয়ার্স দুটি করে উইকেট নেন।
রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই নিউজিল্যান্ডের জয়ের ভীত গড়ে দেন দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে এবং টম লাথাম। ১১ তম ওভারের শেষ বলে জুটি ভাঙার আগে ৯৬ রান যোগ করেন তাঁরা। ২৬ বলে ৩৯ রান করে ফেরেন কনওয়ে। জয় থেকে ১ রান দূরে থাকতে ১৭ রান করে আউট হন টিম রবিনসন। ৬৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন লাথাম। নিউজিল্যান্ডের পতন হওয়া উইকেট দুটি ভাগাভাগি করে নেন লুথো সিপামলা এবং মহারাজ।

একই সময়ে কাল কেপ ভার্দে লড়বে সৌদি আরবের বিপক্ষে। এইচ গ্রুপের দুই লড়াইয়ে চোখ থাকবে আর্জেন্টিনারও। কারণ রানার্সআপ দলকে শেষ বত্রিশে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে তারা।
৪০ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের মঞ্চে জার্মানির বিপক্ষে ইতিহাস গড়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইকুয়েডর। বিশ্বকাপজয়ী কোনো দলের বিপক্ষে প্রথম জয়ের পাশাপাশি ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো গ্রুপপর্বও পেরিয়েছে তারা। এই ঐতিহাসিক অর্জনের আনন্দে দেশজুড়ে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া।
২ ঘণ্টা আগে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল জার্মানির। জার্মানদের কাছে সুযোগ ছিল অপরাজিত হয়ে শেষ বত্রিশে যাওয়ার। কিন্তু তা আর হলো না। উল্টো তাদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ইকুয়েডর। হারের পর মেজাজ হারালেন জার্মান কোচ জুলিয়ান নাগলসমান।
২ ঘণ্টা আগে
‘এফ’ গ্রুপের সব ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই বিশ্বকাপে ব্রাজিলের নকআউটের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হয়েছে। রাউন্ড অব সিক্সটিনে ওঠার মিশনে জাপানকে পেয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। নকআউট পর্বের এই লড়াইয়ের আগে পরিসংখ্যান অবশ্য স্বস্তিই দিচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। এর কারণ নেইমার।
২ ঘণ্টা আগে