ক্রীড়া ডেস্ক

লম্বা সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ জেতা হয় না ইংল্যান্ডের। এবার সেই খরা কাটানোর সুযোগ দেখছেন ইংলিশদের সাবেক তারকা পেসার ক্রিস একস। বর্তমান দলের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস আছে তাঁর।
এর আগে অ্যান্ড্রু স্ট্রসের অধীনে সবশেষ ২০১০–১১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ জিতে ফিরেছিল ইংল্যান্ড। এরপর গত ১৫ বছরে আরও তিনবার তাসমানে পাড়ের দেশটিতে মর্যাদাপূর্ণ টেস্ট সিরিজ খেলেছে ইংল্যান্ড। প্রতিবারই হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাদের। এবারের অ্যাশেজে নানা কারণেই ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছেন ওকস।
কোচ ব্র্যান্ডন ম্যাককালামের অধীনে এবং বেন স্টোকসের নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটে বিশ্বাসী ইংল্যান্ড। দলে আছে জো রুট, হ্যারি ব্রুক, অলি পোপদের মতো ব্যাটাররা। যারা প্রতিপক্ষের বড় রান তাড়া করে জয় এনে দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন। বোলিং লাইনও বেশ শক্তিশালী। সব মিলিয় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, চাপ সামাল দেওয়ার ক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং দারুণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ইংল্যান্ডের এবারের অ্যাশেজের দলকে অতীতের চেয়ে বেশ শক্তিশালী বলে মনে করছেন ওকস।
বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওকস বলেন, ‘ইংল্যান্ড দলে গভীরতা আছে। এই দলটি খুবই দুর্দান্ত। অস্ট্রেলিয়ায় খেলা ক্রিকেটারদের জন্য সবসময়ই ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা। আমি আশা করি ছেলেরা গিয়ে নিজেদের ভালোভাবে করবে। প্রথম একাদশের ক্রিকেটাররা যদি ফিট থাকতে পারে তাহলে এবার আমাদের জন্য বিরাট সুযোগ।’
ওকসের বিশ্বাস, লড়াকু ক্রিকেট খেলে এবারের অ্যাশেজের শেষটা রাঙাবে ইংল্যান্ড, ‘অ্যাশেজে সব সময়ই অনেক বেশি লড়াই হয়। এই ক্রিকেটাররা যথেষ্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। তাদের দারুণ অভিজ্ঞতা আছে। গত কয়েক বছর ধরে দলটি ভালোভাবে গড়ে উঠেছে। কিন্তু বড় সিরিজগুলোতে আমাদের শেষটা ভালো হয়নি। আমাদের প্রতিযোগিতামূলক পারফরম্যান্সের প্রয়োজন। ছেলেরা সেটা করতে মুখিয়ে আছে।’

লম্বা সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ জেতা হয় না ইংল্যান্ডের। এবার সেই খরা কাটানোর সুযোগ দেখছেন ইংলিশদের সাবেক তারকা পেসার ক্রিস একস। বর্তমান দলের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস আছে তাঁর।
এর আগে অ্যান্ড্রু স্ট্রসের অধীনে সবশেষ ২০১০–১১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ জিতে ফিরেছিল ইংল্যান্ড। এরপর গত ১৫ বছরে আরও তিনবার তাসমানে পাড়ের দেশটিতে মর্যাদাপূর্ণ টেস্ট সিরিজ খেলেছে ইংল্যান্ড। প্রতিবারই হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাদের। এবারের অ্যাশেজে নানা কারণেই ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছেন ওকস।
কোচ ব্র্যান্ডন ম্যাককালামের অধীনে এবং বেন স্টোকসের নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটে বিশ্বাসী ইংল্যান্ড। দলে আছে জো রুট, হ্যারি ব্রুক, অলি পোপদের মতো ব্যাটাররা। যারা প্রতিপক্ষের বড় রান তাড়া করে জয় এনে দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন। বোলিং লাইনও বেশ শক্তিশালী। সব মিলিয় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, চাপ সামাল দেওয়ার ক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং দারুণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ইংল্যান্ডের এবারের অ্যাশেজের দলকে অতীতের চেয়ে বেশ শক্তিশালী বলে মনে করছেন ওকস।
বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওকস বলেন, ‘ইংল্যান্ড দলে গভীরতা আছে। এই দলটি খুবই দুর্দান্ত। অস্ট্রেলিয়ায় খেলা ক্রিকেটারদের জন্য সবসময়ই ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা। আমি আশা করি ছেলেরা গিয়ে নিজেদের ভালোভাবে করবে। প্রথম একাদশের ক্রিকেটাররা যদি ফিট থাকতে পারে তাহলে এবার আমাদের জন্য বিরাট সুযোগ।’
ওকসের বিশ্বাস, লড়াকু ক্রিকেট খেলে এবারের অ্যাশেজের শেষটা রাঙাবে ইংল্যান্ড, ‘অ্যাশেজে সব সময়ই অনেক বেশি লড়াই হয়। এই ক্রিকেটাররা যথেষ্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। তাদের দারুণ অভিজ্ঞতা আছে। গত কয়েক বছর ধরে দলটি ভালোভাবে গড়ে উঠেছে। কিন্তু বড় সিরিজগুলোতে আমাদের শেষটা ভালো হয়নি। আমাদের প্রতিযোগিতামূলক পারফরম্যান্সের প্রয়োজন। ছেলেরা সেটা করতে মুখিয়ে আছে।’

দেশের ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট আগেও দেখা গেছে। তবে এবার যেন ছাড়িয়ে গেল অতীতের সবকিছু। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বিপিএলের ম্যাচ হয়নি ক্রিকেটারদের বয়কটের সিদ্ধান্তে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা আপাতত দূর হয়েছে। রাতে বিসিবি-ক্রিকেটারদের সভায় বিপিএল শুক্রবার থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদমাধ্যমকে বলেন...
৬ ঘণ্টা আগে
খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১০ ঘণ্টা আগে