
নারী ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার জয়রথ ছুটছেই। শেষ টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে বিশ্বকাপে শিরোপা জিতেছিল তাঁরা। এবার বার্মিংহামের কমনওয়েলথ গেমসেও চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার নারীরা। ফাইনালে ভারতকে ৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে তাঁরা।
ভারতের চিত্রটা আবার বিপরীত। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে খেলতে নেমে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এবার কমনওয়েলথ গেমসের ফাইনালেও তাঁদের কাছে হারল ভারতের নারী দল। ১৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ভারতের নারীরা জয়ের কাছাকাছি ছিল। শেষ ৩০ বলে তাঁদের দরকার ৪৪ রান হাতে ছিল ৭ উইকেট। অ্যাশলি গার্ডনারের পরপর দুই বলে পূজা ভাস্ত্রেকর ১ ও অধিনায়ক হারমিনপ্রীত কৌর ৬৫ রান করে আউট হলে ম্যাচ জয়ের আশা শেষ হয় ভারতীয়দের। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ভারত। শেষপর্যন্ত তিন বল বাকি থাকতেই ১৫২ রানে অলআউট হয় হারমিনপ্রীতের দল ।
এজবাস্টনে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া রান তোলে ৮ উইকেটে ১৬১ রান। দলের সর্বোচ্চ রান করেন ওপেনার বেথ মুনি ৪১ বলে ৬১ রান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বোলিংয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেওয়া গার্ডনার ব্যাটিংয়েও দারুণ অবদান রেখেছেন। এই অলরাউন্ডার ১৫ বলে ২৫ রান করেছেন।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে