
বাবর আজমের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ধবলধোলাই এড়াতে পারেনি পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের ব্যাটিং ব্যর্থতায় আগেই সিরিজ খুইয়েছিল বাবর আজমের দল। বার্মিংহামে তৃতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাটিং করে ৩৩১ রান করেও পাকিস্তানের হার ৩ উইকেটে।
সিরিজ শুরুর আগে বড় ধাক্কা খেয়েছিল ইংল্যান্ড। মূল দলের তিন ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় একেবারেই নতুন এক দল নিয়ে মাঠে নেমেছিল ইংলিশরা। অভিজ্ঞতার বিচারে যারা পাকিস্তান দলের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। বেন স্টোকসের দলের এটা ভালোভাবেই জানা ছিল। তবে ঘরের মাঠে নিজেদের স্বল্প সামর্থ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছে ইংলিশরা। আর তাতেই পাকিস্তান ধবলধোলাই হয়েছে ৩-০ ব্যবধানে।
সিরিজের তিন ম্যাচেই ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। প্রথম দুই ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা আর সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে বোলারদের যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স পাকিস্তানের এই ভরাডুবির কারণ।
আগের দুই ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা তাঁদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলেও তৃতীয় ওয়ানডেতে ম্যাচ হারের দায় ব্যাটসম্যানদের দেওয়ার সুযোগ নেই। ইমাম–উল–হক ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফিফটি পেরোনো ইনিংসের সঙ্গে বাবার আজমের ১৫৮। ৯ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩৩১। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৬৫ রানেই ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।
স্টোকসের দলের হার যখন চোখ রাঙানি দিচ্ছিল উইকেটে তখন দাঁড়িয়ে যান জেমস ভিন্স ও লুইস গ্রেগোরি। দ্রুত উইকেটে সেট হয়ে রানের চাকা সচল রাখেন তাঁরা। হাসান আলী, শাহিন আফ্রিদিদের নখদন্তহীন বোলিংয়ে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইংল্যান্ড। এই দুজনের ১২৯ রানের জুটিতে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান।
সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডের ছবি প্রায় একই রকম। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলের সঙ্গে ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি পাকিস্তান। দুটি ম্যাচেই ২০০ রানের আগে থেমেছে পাকিস্তানের ইনিংস। কার্ডিফে প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাটিং করে ১৫০ রানই ছুঁতে পারেনি সফরকারীরা। ম্যাচটি পাকিস্তান হেরেছিল ৯ উইকেটে।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রান তাড়া করতে নেমেও পাকিস্তান ব্যাটসম্যানরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করতে পারেননি। ২৪৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৯৫ রানে অল আউট হয়েছেন তাঁরা। ইংল্যান্ডের জয় ৫২ রানে। শেষ ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানরা জ্বলে উঠলেও বোলাররা তাঁদের কাজ ঠিকঠাক করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কাছে ধবলধোলাই হতে হয়েছে ৩-০ ব্যবধানে।

বাবর আজমের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ধবলধোলাই এড়াতে পারেনি পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের ব্যাটিং ব্যর্থতায় আগেই সিরিজ খুইয়েছিল বাবর আজমের দল। বার্মিংহামে তৃতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাটিং করে ৩৩১ রান করেও পাকিস্তানের হার ৩ উইকেটে।
সিরিজ শুরুর আগে বড় ধাক্কা খেয়েছিল ইংল্যান্ড। মূল দলের তিন ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় একেবারেই নতুন এক দল নিয়ে মাঠে নেমেছিল ইংলিশরা। অভিজ্ঞতার বিচারে যারা পাকিস্তান দলের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। বেন স্টোকসের দলের এটা ভালোভাবেই জানা ছিল। তবে ঘরের মাঠে নিজেদের স্বল্প সামর্থ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছে ইংলিশরা। আর তাতেই পাকিস্তান ধবলধোলাই হয়েছে ৩-০ ব্যবধানে।
সিরিজের তিন ম্যাচেই ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। প্রথম দুই ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা আর সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে বোলারদের যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স পাকিস্তানের এই ভরাডুবির কারণ।
আগের দুই ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা তাঁদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলেও তৃতীয় ওয়ানডেতে ম্যাচ হারের দায় ব্যাটসম্যানদের দেওয়ার সুযোগ নেই। ইমাম–উল–হক ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফিফটি পেরোনো ইনিংসের সঙ্গে বাবার আজমের ১৫৮। ৯ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩৩১। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৬৫ রানেই ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।
স্টোকসের দলের হার যখন চোখ রাঙানি দিচ্ছিল উইকেটে তখন দাঁড়িয়ে যান জেমস ভিন্স ও লুইস গ্রেগোরি। দ্রুত উইকেটে সেট হয়ে রানের চাকা সচল রাখেন তাঁরা। হাসান আলী, শাহিন আফ্রিদিদের নখদন্তহীন বোলিংয়ে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইংল্যান্ড। এই দুজনের ১২৯ রানের জুটিতে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান।
সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডের ছবি প্রায় একই রকম। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলের সঙ্গে ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি পাকিস্তান। দুটি ম্যাচেই ২০০ রানের আগে থেমেছে পাকিস্তানের ইনিংস। কার্ডিফে প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাটিং করে ১৫০ রানই ছুঁতে পারেনি সফরকারীরা। ম্যাচটি পাকিস্তান হেরেছিল ৯ উইকেটে।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রান তাড়া করতে নেমেও পাকিস্তান ব্যাটসম্যানরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করতে পারেননি। ২৪৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৯৫ রানে অল আউট হয়েছেন তাঁরা। ইংল্যান্ডের জয় ৫২ রানে। শেষ ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানরা জ্বলে উঠলেও বোলাররা তাঁদের কাজ ঠিকঠাক করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কাছে ধবলধোলাই হতে হয়েছে ৩-০ ব্যবধানে।

মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি এখন শুধুই আর দুই ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বল গড়িয়েছে রাষ্ট্রের কোর্টে। বাংলাদেশ সরকারের অন্তত তিনজন উপদেষ্টা এ বিষয়ে গত দুই দিনে এ নিয়ে কথা বলেছেন। ক্রীড়া উপদেষ্টার নির্দেশে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গতকাল আইসিসিকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়ে
৭ ঘণ্টা আগে
ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচের ২১ মিনিটে। মনিকা চাকমাকে পেছন থেকে ফেলে দেন সাবিত্রি ত্রিপুরা। রেফারি অবশ্য ফাউলের বাঁশি বাজাননি। তবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মনিকা।
১০ ঘণ্টা আগে
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১০ রান দরকার ছিল ঢাকা ক্যাপিটালসের। জয়ের জন্য মোস্তাফিজুর রহমান ছাড়া আর কেইবা বড় ভরসা হতে পারত রংপুর রাইডার্সের। বাঁহাতি এই পেসারের আইপিএলে বাদ পড়া নিয়ে বর্তমানে উত্তাল দেশের ক্রিকেট। মাঠের বাইরের ঘটনা অবশ্য মাঠের ভেতর প্রভাব পড়তে দেননি। একইসঙ্গে নিরাশ করেননি রংপুরকে।
১১ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সমর্থকেরা। সেই আলোচনা গড়িয়েছে সরকারের টেবিলেও। বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের উদ্যোগ নিতে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
১৪ ঘণ্টা আগে