
জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ৩ উইকেটের জয়ে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকেরা। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। এ যাত্রায় তাদের বিপক্ষে ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা।
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে এদিন বোলাররাই শ্রীলঙ্কার জয়ের ভীত গড়ে দেয়। সফরকারীদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। রান তাড়ায় ৭০ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে লঙ্কানরা। দুই ম্যাচ শেষে ১-১ সমতায় আসায় শেষ ম্যাচটা অলিখিত ফাইনালে রূপ নিল। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগামী ২৫ মার্চ মাঠে নামবে দুই দল।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুর পর শেষে দিকেও ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। ৪৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর শেষ দিকে ৭ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। এরপরও লঙ্কানদের হার ঠেকাতে পারেনি বাংলাদেশ। চামারি আতাপাত্তু, হার্শিথা সামারাবিক্রমা, সানসিমা করুনারত্নেদের ব্যাটে চড়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলঙ্কা।
চতুর্থ উইকেটে ৭৭ রান যোগ করেন সামারাবিক্রমা এবং করুনারত্নে। করুনারত্নে ৪০ রান করে নাহিদা আক্তারের শিকার হলে এই জুটি ভাঙে। সঙ্গী হারিয়ে অল্প সময়ের ব্যবধানে সামারাবিক্রমাও বিদায় নেন। ৫০ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন আতাপাত্তু। শ্রীলঙ্কার পতন হওয়া ৬ উইকেটের চারটাই নেন নাহিদা। ৭.২ ওভারে এই স্পিনারের খরচ ২১ রান। সুলতানা খাতুন এবং রিতু মনি নেন একটি করে উইকেট।
এর আগে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন জ্যোতি। এ ছাড়া শারমিন সুলতানা ২৫, নাহিদা ২০ এবং রিতুর ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। শ্রীলঙ্কার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল আতাপাত্তু। ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন অধিনায়ক। মালকি মাদারা, নিমাশা মিপেজ ও আইনোকা রানাভিরা নেন দুটি করে উইকেট।

মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মানেই যেন ইউরোপ আর লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ, যেখানে এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলো যেত শুধুই দু-একটা ‘অঘটন’ ঘটানোর স্বপ্ন নিয়ে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন পুরোনো সব চেনা হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের হাওয়া দুই মহাদেশে লেগেছে ভিন্ন সমান্তরালে।
১ ঘণ্টা আগে
কিন্তু শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন হর্ষিত রানা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ রান। হ্যারি টেক্টরের করা সেই নাটকীয় ওভারে ছিল ওয়াইড, নো-বল আর বাউন্ডারির ছড়াছড়ি। সমীকরণ যখন ২ বলে ৮ রান, তখন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন হর্ষিত রানা। শেষ বলে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৭ রান, স্ট্রাইকে থাকা প্রিন্
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রেন্ট ব্রিজে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড তৃতীয় টেস্টের খেলা এখনো শেষ হয়নি। আজ টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা চলছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন বেন স্টোকস।
৫ ঘণ্টা আগে