ওয়ারিকান পেরেছেন, তাইজুল-মিরাজরা পারবেন তো

প্রথম দিনের খেলা শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২১৩ রান। মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন তাই সংবাদ সম্মেলনে ৪০০ রানের লক্ষ্যের কথা শুনিয়েছিলেন। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত ব্যাটিং কোচের এই কথাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি ব্যাটাররা।
ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমেছে ২৭২ রানে। বড় সংগ্রহের ভীত পাওয়ার পরও স্বাগতিকেরা সালাহ উদ্দীনের কথা রাখতে পারেননি মূলত জোমেল ওয়ারিকানের ঘূর্ণি বোলিংয়ের কারণে। বাংলাদেশকে অলআউট করার পথে একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন এই স্পিনার।
২১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। ৩ উইকেটের দুইটাই নেন ওয়ারিকান। আজ দিনের প্রথম ওভারেই সেঞ্চুরির তুলে নেন ৯৯ রানে ব্যাট করতে নামা সাদমান ইসলাম। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের সুখস্মৃতি ওই ওতটুকুই। এরপরই ধস নামে স্বাগতিক শিবির।
সাদমানের বিদায়ের পর আর বেশিদূর এগোয়নি বাংলাদেশের ইনিংস। তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজরা দায়িত্ব নিতে পারেননি। শেষের ব্যাটাররাও প্রতিরাধ গড়তে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলাফল, শেষ ৫৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় বাংলাদেশ। গতকালের ২ উইকেটের সঙ্গে আজ আরও তিনটা ঝুলিতে পুরেন ওয়ারিকান। ৫ উইকেট নিতে তাঁর খরচ ৫৩ রান।
ওয়ারিকানের এমন বোলিংয়ের পর এবার নজর থাকবে বাংলাদেশের স্পিনারদের দিকে। একাদশে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের সঙ্গে আছেন নাঈম হাসান। স্পিনারের আধিক্যই বলে দিচ্ছে, এই উইকেট বাড়তি সহায়তা পাবেন স্পিনাররা। এবার মিরাজ-তাইজুলরা সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারলেই হয়।









