Ajker Patrika

বাংলাদেশ ম্যাচের কভেন্ট্রি, ইংল্যান্ডের ব্রুক—আরও যাঁরা আছেন দুর্ভাগাদের তালিকায়

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ১৯
বাংলাদেশ ম্যাচের কভেন্ট্রি, ইংল্যান্ডের ব্রুক—আরও যাঁরা আছেন  দুর্ভাগাদের তালিকায়
২০২ রান করেও পরাজিত দলে থাকতে হয়েছে হ্যারি ব্রুককে। এর আগে ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৯৪ রান করেও জিম্বাবুয়েকে জেতাতে পারেননি চার্লস কভেন্ট্রি (ডানে)। ছবি: ক্রিকইনফো

রাওয়ালপিন্ডিতে গত রাতে শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড রানবন্যার ম্যাচে রেকর্ড বই তছনছ হয়ে গেছে। ৮৫৯ রানের ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে শ্রীলঙ্কা। লঙ্কানরা যেমন নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিতেছে, তেমনি হ্যারি ব্রুকের জন্য ভুলে যাওয়ার মতোই। এমন এক রেকর্ডে ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাম লিখিয়েছেন, যা তিনি ভুলেই যেতে চাইবেন।

ওয়ানডেতে হারের ম্যাচে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলার বিব্রতকর রেকর্ডটি ব্রুকের। এমনকি তিনি একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি ডাবল সেঞ্চুরি করার পরও পরাজিত দলে থেকেছেন। রাওয়ালপিন্ডিতে গতকাল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১১৬ বলে ২১ চার ও ২ ছক্কায় করেন ২০২ রান। এমন বিব্রতকর রেকর্ডে দুইয়ে জিম্বাবুয়ের চার্লস কভেন্ট্রি। ২০০৯ সালে তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৯৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন। সেটা ম্লান হয়ে গিয়েছিল তামিম ইকবালের ১৫৪ রানের ইনিংসে।

শুধু কভেন্ট্রি, ব্রুকই নন—ওয়ানডেতে ১৮০ বা তাঁর বেশি রানের ইনিংস খেলেও পরাজিত দলে থাকার রেকর্ড রয়েছে পাঁচটি। ২০২১ সালে জোহানেসবার্গে ফখর জামান তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি পেতে পেতেও পাননি। ৭ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি মিস করার পাশাপাশি তিনি ছিলেন পরাজিত দলে। ডাবল সেঞ্চুরি মিসের পাশাপাশি পরাজিত দলে থাকতে হয়েছে স্কটল্যান্ডের জর্জ মানসিকেও। ২০২৫ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মানসি করেছিলেন ১৯১ রান।

২০০৭ সালে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে ১৮১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন হেইডেন। ১৬৬ বলের ইনিংসে ১১ চার ও ১০ ছক্কা মেরেছিলেন। তবে অস্ট্রেলিয়া সেবার ৩৪৬ রান করেও হেরেছিল নিউজিল্যান্ডের কাছে।

২০০৯ সালে বুলাওয়েতে তামিম-কভেন্ট্রি দুজনেই ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন। তামিম ১৩৮ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় ১৫৪ রান করেছিলেন। কভেন্ট্রি ১৯৪ রান করেছিলেন ১৫৬ বলে। তাঁর ইনিংসে ১৬ চার ও ৭ ছক্কার মার। গতকাল অবশ্য দুজনকে ম্যাচসেরার পুরস্কার দেওয়া হয়নি। ১০৬ বলে ১৫ চার ও ৩ ছক্কায় ১৩০ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন পবন রত্নায়েকে।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসে তিনটা সেঞ্চুরি হতে পারত গতকাল। তবে আভিস্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা দুজনেই ৯৭ রান করে আউট হয়েছেন। তবে ছয় নম্বরে নামা জানিথ লিয়ানাগের ২৭ বলে ৬১ রানের বিস্ফোরক ইনিংসটাই শ্রীলঙ্কাকে ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিততে সহায়তা করে। ৭ চার ও ৩ ছক্কা মেরেছেন। যার মধ্যে শেষ ওভারের পঞ্চম বলে জশ টাঙকে লং অফ দিয়ে ছক্কা মেরে লিয়ানাগে লঙ্কানদের ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন। ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৩৫ রান তাড়া করে ২ উইকেটে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডে ইতিহাসে এখনো এটা সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।

ওয়ানডেতে হারের ম্যাচে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস

স্কোর ক্রিকেটারদলপ্রতিপক্ষ সালভেন্যু 
২০২ হ্যারি ব্রুক ইংল্যান্ড শ্রীলঙ্কা ২০২৬ রাওয়ালপিন্ডি
১৯৪* চার্লস কমেন্ট্রি জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ২০০৯ বুলাওয়ে
১৯৩ ফখর জামান পাকিস্তান দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২১জোহানেসবার্গ
১৯১ জর্জ মানসি স্কটল্যান্ডনেদারল্যান্ডস ২০২৫ ডান্ডি
১৮১* ম্যাথু হেইডেন অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ২০০৭ হ্যামিল্টন

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত