
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের চার ব্যাটার ব্যাট করেছেন। চার ব্যাটারের মধ্যে শুধু তানজিদ তামিমের স্ট্রাইকরেট কম ১২০.৮৩। বাকি তিনজন—পারভেজ হোসেন ইমন, অধিনায়ক লিটন দাস ও সাইফ হাসানের ব্যাটিং স্ট্রাইকরেট ছিল ১৬৬.৬৬, ১৮৬.২০ ও ১৮৯.৪৭!
গত মাসে দুই সপ্তাহের স্কিল অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ, যেখানে জোর দেওয়া হয়েছিল পাওয়ার হিটিংয়ের ওপর। দলীয় ব্যাটারদের নিয়ে কাজ করেছেন পাওয়ার হিটিং কোচ ইংলিশম্যান জুলিয়ান রস উড। হিটিংয়ে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রো-ভেলোসিটি ব্যাট দিয়েও ক্রিকেটারদের অনুশীলন করিয়েছেন তিনি। ডাচ দলের বিপক্ষে চলতি সিরিজের টি-টোয়েন্টিতে চার ব্যাটার কম বল খেলে বেশি রান করাটা সেই পাওয়ার হিটিং অনুশীলনের ফল বলে ধরে নেওয়া যায়।
সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইকরেট সাইফ হাসানের। প্রায় দুই বছর পর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চড়িয়ে ১৯ বলে করেছেন অপরাজিত ৩৬। বল হাতেও নিয়েছেন ২ উইকেট। দল ও সাইফের পাওয়ার কন্ট্রোল ও স্ট্রাইকরেটের উন্নতিটা চোখ এড়ায়নি দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীনের। তবে এখনই কোনো কিছু নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে নারাজ তিনি। উল্টো সতর্কতা জারি করে বললেন, ‘আমি আগেও অনুরোধ করেছি, কাউকে খুব তাড়াতাড়ি আকাশে তুলবেন না, আবার খুব তাড়াতাড়ি কাউকে নিচেও নামাবেন না।’
সাইফের ফেরায় তাঁর শক্ত মানসিকতা কাজ করেছে বলেও মনে করেন সালাহ উদ্দীন, ‘ও ভালো খেলেছে। ওর ফেরাটা আসলে তার শক্ত মানসিকতার একটা পরিচয়। যেকোনো মানুষ যখন ব্যাকফুটে চলে যায়, সেখান থেকে সবাই ফিরে আসতে পারে না। একটা সময় সে ছিল টেস্ট প্লেয়ার, সেখান থেকে সে বেরিয়ে এসে যে চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে, সেটা সবার ভেতরে থাকে না।’
এখন এই ধারাবাহিকতা সাইফ ধরে রাখতে পারে কি না, এটাই দেখার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ আজ। জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই ম্যাচের আগে সালাহ উদ্দীনের চাওয়া, ‘প্রথম ম্যাচে সাইফ যে চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে, সেটা যেন ও চালিয়ে যেতে পারে।’
আগের দিন ম্যাচ থাকায় গতকাল দলীয় অনুশীলন ছিল না। তবে নিজের ইচ্ছায় মাঠে এসে গা গরম করেছেন নুরুল হাসান সোহান, সাইফউদ্দিন ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী। তাঁদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন পাওয়ার হিটিং পরামর্শক জুলিয়ান রস উড ও সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন।
আজকের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি যেখানে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের লড়াই, সেখানে ডাচ দলের জন্য এটি সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। যে লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলছেন ডাচ ক্রিকেটার নোহাহ ক্রোস। গতকাল ক্রোস বলেছেন, ‘অবশ্যই ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে আমাদের। আর আমরা বিশ্বাস করি, পরের দুই ম্যাচ ভালো করব এবং ২-১-এ সিরিজ জিতব।’
বাংলাদেশের পেস আক্রমণের সামনে প্রথম ম্যাচে ভালো করতে পারেননি ডাচ ব্যাটাররা। সেটি মাথায় রেখে বাংলাদেশের বোলারদের প্রশংসাও করলেন ক্রোস, ‘আমার মনে হয়, ওরা সত্যিই খুব উঁচুমানের বোলার। তাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতাও আছে।’
ডাচদের বিপক্ষে এই সিরিজটাকে এশিয়া কাপের প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। দলের মাঠের পারফরম্যান্সে তাই উত্তরোত্তর উন্নতি দেখতে চান সালাহ উদ্দীন। বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোচ বলেছেন, ‘এশিয়া কাপে ভালো করতেই হবে। কিন্তু তার চেয়েও জরুরি হলো, আমাদের প্রতিনিয়ত উন্নতি করতে হবে।’

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৩ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৪ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৫ ঘণ্টা আগে