
হেডিংলি ও এজবাস্টন টেস্টে রানের ফোয়ারা ছুটিয়ে কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছিলেন শুবমান গিল। লর্ডসে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে হাসেনি তাঁর ব্যাট। ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম ইনিংসে করেন ১২ রান। ভারতের নবাগত টেস্ট অধিনায়ক হয়তো ভাবলেন, এভাবে আর কত! দলের প্রয়োজনের সময় ঠিকই জ্বলে উঠলেন তিনি।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে চতুর্থ টেস্টের চতুর্থ দিনে গিল গতকাল ব্যাটিংয়ে নেমে পড়েছেন দলের বিপর্যয়ের সময়। ৩১১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা ভারত ০ রানেই হারায় ২ উইকেট। এমন অবস্থান চার নম্বরে নামা গিল ও ওপেনার লোকেশ রাহুল দিশেহারা ভারতকে পথ দেখানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের অষ্টম ফিফটি তুলে নেওয়া গিল এখনো অপরাজিত ৭৮ রানে। তাতে ইংল্যান্ডে কোনো টেস্ট সিরিজে এশিয়ান ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৯৭ রান করে ফেললেন ভারতের এই ব্যাটার। ৪ টেস্টের ৮ ইনিংসে ৯৯.৫৭ গড়ে রান করেছেন তিনি। গিলের আগে এই রেকর্ডটি ছিল পাকিস্তানের মোহাম্মদ ইউসুফের। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের মাঠে ৪ টেস্টের ৭ ইনিংসে চার ফিফটিতে ৬৩১ রান করেছিলেন ইউসুফ। পাকিস্তানি ব্যাটিং কিংবদন্তির ১৯ বছর আগে সেই সিরিজে গড় ছিল ৯০.১৪।
ভারত গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৩ ওভারে ২ উইকেটে ১৭৪ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে। তৃতীয় উইকেটে গিল-রাহুল ৩৭৭ বলে গড়েছেন ১৭৪ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি। ১১তম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে ১৩ রান দূরে এখন রাহুল। ২১০ বলে ৮ চারে তিনি অপরাজিত ৮৭ রান করে। ইনিংস পরাজয় এড়াতে ভারতের এখনো করতে হবে ১৩৭ রান।
ইংল্যান্ডের মাঠে এক টেস্ট সিরিজে তিন ব্যাটার ৬০০-এর বেশি রান করতে পেরেছেন। গিল-ইউসুফের পাশাপাশি এই রেকর্ড গড়া অপর ব্যাটার হলেন রাহুল দ্রাবিড়। ২০০২ সালে ইংল্যান্ড সফরে ১০০.৩৩ গড়ে করেছিলেন ৬০২ রান। তিনি সেবার চার টেস্টের ৬ ইনিংসে ব্যাটিং করেছিলেন। এই তালিকায় চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ৬০০ রান করার সুযোগ বিরাট কোহলির থাকলেও সেটা হয়নি। ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের মাঠে ৫ টেস্টের ১০ ইনিংসে ৫৯৩ রান করেছিলেন
কোহলি। সেবার তিনি ৬০০ ছুঁইছুঁই রান করেছিলেন অধিনায়ক হিসেবে। ভারতীয় এই ব্যাটিং তারকা এ বছরের মে মাসে টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন। এর আগে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলেছিলেন কোহলি। বর্তমানে তিনি ভারতের জার্সিতে শুধু ওয়ানডেই খেলছেন।
ইংল্যান্ডের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে এশিয়ার সর্বোচ্চ পাঁচ রানসংগ্রাহক
ব্যাটার রান দল সাল
শুবমান গিল ৬৯৭* ভারত ২০২৫
মোহাম্মদ ইউসুফ ৬৩১ পাকিস্তান ২০০৬
রাহুল দ্রাবিড় ৬০২ ভারত ২০০২
বিরাট কোহলি ৫৯৩ ভারত ২০১৮
সুনীল গাভাস্কার ৫৪২ ভারত ১৯৭৯

ব্যাট হাতে ইব্রাহিম জাদরানের দুর্দান্ত এক ইনিংস, আর বল হাতে মোহাম্মদ নবির কিপ্টে এবং কার্যকর বোলিং। এই দুইয়ের মাঝে পড়ে নাস্তানাবুদ কানাডা। হেরেছে ৮২ রানে। আফগানিস্তান রেকর্ড ২০০ রানের স্কোর গড়লেই বোঝা গিয়েছিল এই রান তাড়া করতে পারবে না কানাডা। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই; আফগানদের রানের নিচে চাপা পড়েছে...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিকেট বিশ্বকে চমক দিয়ে চলেছে জিম্বাবুয়ে। আন্ডারডগ তকমা ঝেড়ে ফেলে গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবেই সুপার এইটে পা রেখেছে সিকান্দার রাজার দল। আজ স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারানোর পর জিম্বাবুয়ের অধি
১২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জাজনক বিদায়ে ক্ষুব্ধ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর এবার ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে ‘ফরেনসিক পর্যালোচনার’ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। ২০২১ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন বিপর্যয় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না অজি
১৩ ঘণ্টা আগে
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপে দীর্ঘ ১৬ বছরের খরা কাটাল জিম্বাবুয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে গত ১৬ বছরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়েছে জিম্বাবুয়ে। আগের দুইবারই জেতে লঙ্কানরা। লঙ্কানদের বিপক্ষে এই স্মরণীয় জয়ের ফলে
১৪ ঘণ্টা আগে