Ajker Patrika

যে মাঠে বিশ্বকাপ জিতেছে বাংলাদেশ, সেই মাঠে ফিরে হৃদয়ের আবেগঘন বার্তা

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২১: ৪২
যে মাঠে বিশ্বকাপ জিতেছে বাংলাদেশ, সেই মাঠে ফিরে হৃদয়ের আবেগঘন বার্তা
পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে পারভেজ হোসেন ইমন, হাসান মুরাদ, তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদুল হাসান জয়। ছবি: ফেসবুক

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ সফলতা সেই ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়। পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে উল্লাস করেছিলেন তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদুল হাসান জয়রা। ছয় বছর পর সেই মাঠে ফিরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন হৃদয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের সাড়ে তিন বছর পেরিয়ে গেলেও কখনোই হৃদয়ের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়া হয়নি। এবার তিনি গিয়েছেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক হয়ে। পরশু সেনওয়েস পার্কে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ‘এ’-দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’। লাল বলের ক্রিকেটে মাঠে নামার আগে হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন, জয় ও হাসান মুরাদ ছবি তুলেছেন। ক্যাপশনে হৃদয় লিখেছেন, ‘এই সেই মাঠ যেখানে রচিত হয়েছিলো বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্বকাপ (২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ) জয়ের ইতিহাস। আবারও সেই মাঠে আসার অনুভূতি কখনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

হৃদয়ের মতো জয়, ইমন, মুরাদেরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে। তবে যে মাঠে ছয় বছর আগে বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরেছিলেন, সেই স্মৃতি কি এত সহজে ভুলে থাকা যায়! যেখানে দাঁড়িয়ে আজ বাংলাদেশের চার ক্রিকেটার ছবি তুলেছেন, সেখানে লেখা রয়েছে ‘চ্যাম্পিয়নদের ঘর’। সেই লেখার দিকে ইঙ্গিত করেছেন জয়, ইমন, হৃদয় ও মুরাদ। লাল ইটে বসানো সেই ফলকের ওপরে রয়েছে বিশ্বকাপ।

সেনওয়েস পার্কে ফিরে হৃদয়ের বারবার মনে পড়েছে ছয় বছর আগের সেই স্মৃতিবিজড়িত দিনের কথা। আগামী বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি। ফেসবুকে বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটার বলেন, ‘এই মাঠে বিশ্বজয়ের হাসি ছিল মুখে। এই মাঠেই ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যৎে আবারও বিশ্বজয় করার স্বপ্ন আমার এবং আমাদের। চেষ্টা করব আগের চেয়েও অনেক বেশি। বাংলাদেশের পতাকা আরও একবার হাতে নিয়ে স্বগৌরবে দৌড়ানোর ইচ্ছা। ইনশা আল্লাহ সম্ভব।’

চার ক্রিকেটারের মধ্যে হৃদয়েরই বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। হৃদয় ১ টেস্ট, ৫৬ ওয়ানডে ও ৬৫ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। মুরাদ টেস্ট ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুটি করে ম্যাচ খেলেছেন। ইমনের নামের পাশে রয়েছে ৩৮ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও ৩ ওয়ানডে। জয় ২৩ টেস্ট ও ৩ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন বাংলাদেশের হয়ে।

হৃদয় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রথম টেস্ট খেলেননি। তিন দিনে শেষ হওয়া প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ‘এ’ দল হেরেছিল ইনিংস ও ৪১৩ রানে। ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত হয়েছিল এই টেস্ট।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত