
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেসি।
মেসির দাবি, একের পর এক আক্রমণ করে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছিল তাঁরা। তাই ম্যাচের শেষ দিকে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় পুরোপুরি আর্জেন্টিনার হাতে,। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে মেসি বলেন, ‘এটা ছিল খুবই আবেগঘন একটি মুহূর্ত। আমরা যখন সমতায় ফিরলাম, তখন সমর্থকদের সমর্থন অনুভব করেছিলাম। কারণ আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, ৯০ মিনিটের মধ্যেই আমরা জিততে পারব। আমরা তাদের কোণঠাসা করে ফেলেছিলাম। ভেতর দিয়ে, বাইরে দিয়ে আক্রমণ করেছি, ক্রস, থ্রু পাস—সবভাবেই সুযোগ তৈরি করেছি। আমাদের মনে হচ্ছিল, তারা আর খেলতে চাইছে না। আমরা জয়ের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম।’
আর্জেন্টিনা অধিনায়ক এই জয়ে সমর্থকদের ভূমিকাও তুলে ধরেছেন। সমতা ফেরার পর গ্যালারিতে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দলকে আরও উজ্জীবিত করেছিল বলে মনে করেন তিনি, ‘১-১ সমতার পর সমর্থকেরা আবার অসাধারণভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি যেমন বলেছি, আর্জেন্টিনা অনেক বড় একটি দল। কারণ এটি এমন একটি ম্যাচ ছিল, যেটি আমরা যেকোনো মূল্যে জিততে চেয়েছিলাম। আর এই জয় আমাদের আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ে গেছে।’
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করা আর্জেন্টিনা এখন চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবে। নিউইয়র্ক নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আগামী ১৯ জুলাই দিবাগত রাত ১টায় তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। ইউরোপের দলটিকে হারাতে পারলে টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তিতে নাম লেখাবে লিওনেল স্কালোনির দল। এই কীর্তি আছে কেবল ব্রাজিল ও ইতালির দখলে।

বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
১৪ মিনিট আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৪৩ মিনিট আগে
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ম্যাচের পর তাদের উদ্যাপন নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ফকল্যান্ড ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত চান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
২ ঘণ্টা আগে
টানা দ্বিতীয় এবং সব মিলিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি আর্জেন্টিনার সামনে। এ জন্য আর মাত্র একটি ম্যাচ জিততে হবে। ফাইনালের মঞ্চে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। তার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান দেখালেন লিওনেল মেসি। ফাইনালে দুই সমান শক্তির দলের লড়াই হবে বলে মনে করছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
৩ ঘণ্টা আগে