
১৯ জুলাই শ্রীলঙ্কায় শুরু হচ্ছে নারী এশিয়া কাপ। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম নারী আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সাথিরা জাকির জেসি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) রেখেছে বাংলাদেশের এক আম্পায়ারকেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এশিয়া কাপে আম্পায়ার হিসেবে থাকার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন জেসি নিজেই। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, স্বপ্ন সত্যি হলো। উইমেন্স এশিয়া কাপ ২০২৪ (শ্রীলঙ্কা) এ নতুন মিশন শুরু হবে। আমি জানাতে করতে পেরে আনন্দিত, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আমাকে ১৮ থেকে ২৮ জুলাই শ্রীলঙ্কায় ২০২৪ নারী এশিয়া কাপের দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচিত করেছে। সবাই দোয়া করবেন। আমাকে আপনার প্রার্থনায় রাখবেন।’
কিছুদিন আগে প্রথমবারের মতো পাঁচ বাংলাদেশি নারী আম্পায়ারকে ডেভেলপমেন্ট প্যানেলে যুক্ত করে আইসিসি। এর মধ্যে জেসি, রোকেয়া সুলতানা, ডলি রানী সরকার ও চম্পা চাকমাকে আম্পায়ার এবং সুপ্রিয়া রানী দাসকে ম্যাচ রেফারি হিসেবে যুক্ত করা হয়।
দুটি গ্রুপে ৮টি দল নিয়ে ১৯ জুলাই শ্রীলঙ্কায় শুরু হবে নারী এশিয়া কাপ। শেষ হবে ২৮ জুলাই। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ দল। তাদের সঙ্গে রয়েছে মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। ‘এ’ গ্রুপে আছে ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ১৬ জুলাই শ্রীলঙ্কায় যাবেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
২০ মিনিট আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
৩ ঘণ্টা আগে