
নেস্তোরি ইরানকুন্দের জন্ম তানজানিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে। সেখান থেকে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে ইতিহাস গড়া। ২০ বছর বয়সী ফুটবলারের গল্পটা তাই বাস্তবের এক অনুপ্রেরণামূলক উপাখ্যান হয়ে থাকল। মজার ব্যাপার হলো, এই উইঙ্গারের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেকে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম। ২০২৪ সালের জুনে এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া দলে অভিষেক হয় তাঁর।
তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। ভ্যাঙ্কুভারের ভিসি প্লেসে সকারুদের জয়ের পথে প্রথম গোলটা করেন ইরানকুন্দা। সেই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা বনে গেছেন ইরানকুন্দা। তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল ফুটবল মাঠে নয়, বরং তানজানিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় কিগোমার একটি শরণার্থী শিবিরে। বুরুন্ডির গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তাঁর বাবা-মা নিজ দেশ ছেড়ে তানজানিয়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেখানেই জন্ম নেন ইরানকুন্দা।
শৈশবেই পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান ইরানকুন্দা। প্রথমে পার্থে এবং পরে অ্যাডিলেডে বসবাস শুরু করে তাঁর পরিবার। অ্যাডিলেডেই ফুটবলের সঙ্গে তাঁর পরিচয় এবং সেখান থেকেই শুরু হয় ভবিষ্যতের স্বপ্নযাত্রা। ছোটবেলা থেকেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে শুরু করেন ইরানকুন্দা। স্থানীয় পর্যায়ের ফুটবলে নজর কাড়ার পর যোগ দেন অ্যাডিলেড ইউনাইটেডের একাডেমিতে। দ্রুতই উন্নতি করে জায়গা করে নেন মূল দলে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে এ-লিগে অভিষেক হয় তাঁর।
গতি, শক্তি ও আক্রমণাত্মক খেলার জন্য দ্রুত পরিচিতি পান ইরানকুন্দা। তাঁর পারফরম্যান্স নজরে আসে ইউরোপের ক্লাবগুলোর। শেষ পর্যন্ত এই তরুণ ফুটবলারকে দলে ভেড়ায় জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ, যা তাঁর ক্যারিয়ারের বড় একটি মাইলফলক। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় প্রতিভা হিসেবে বহুদিন ধরেই আলোচনায় ছিলেন ইরানকুন্দা। তুরস্কের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ম্যাচে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা গেল স্পষ্টভাবে।
ম্যাচের ২৭তম মিনিটে স্মরণীয় গোলটা করেন ইরানকুন্দা। তুরস্কের আর্দা গুলের গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার পর দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। বাম দিক দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেন ইরানকুন্দা। এরপর ভেতরে ঢুকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান।
ইরানকুন্দার সামর্থ্য নিয়ে আগেই প্রশংসা করেছিল অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘এই ফুটবলারের রয়েছে বিস্ফোরক গতি, দুর্দান্ত শারীরিক শক্তি, তীক্ষ্ণ কারিগরি দক্ষতা, ড্রিবলিংয়ে নির্ভীক মানসিকতা এবং খেলার প্রতি সহজাত উপলব্ধি। তবে তাঁর সবচেয়ে বিস্ময়কর গুণ হলো ডান পা, যা অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলে আগে কখনো দেখা যায়নি বললেও বেশি বলা হবে না।’ তুরস্কের বিপক্ষে ইরানকুন্দের পারফরম্যান্স যেন সেই মূল্যায়নেরই বাস্তব প্রমাণ।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে জয় হাতছাড়া হলেও পুরো সিরিজে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। পুরস্কার হিসেবে পাওয়া প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের চেরি গাড়িটি তিনি মাকে উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
১২ মিনিট আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের কীর্তিকে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর মতে, শুধু শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানোই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেট, ক্রিকেটার ও দেশের উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ানদের ইতিবাচক মন্তব্যও এই অর্জন
১ ঘণ্টা আগে
আর মাত্র দু্ই দিন পরই শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় থাকা দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসি এরই মধ্যে ভক্তদের নিয়ে গেলেন স্মৃতির ভেলায়। ষষ্ঠ বিশ্বকাপে নামার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগের পাঁচটি বিশ্বকাপের স্মরণীয় মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
শেষ দিকে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন শরীফুল ইসলাম। তাতে হারের খুব কাছে দাঁড়িয়েও জয়ের আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পেরে উঠল না নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ১ উইকেট হারিয়েছে অজিরা।
৩ ঘণ্টা আগে