
আর মাত্র দু্ই দিন পরই শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় থাকা দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসি এরই মধ্যে ভক্তদের নিয়ে গেলেন স্মৃতির ভেলায়। ষষ্ঠ বিশ্বকাপে নামার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগের পাঁচটি বিশ্বকাপের স্মরণীয় মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।আর মাত্র দু্ই দিন পরই শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় থাকা দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসি এরই মধ্যে ভক্তদের নিয়ে গেলেন স্মৃতির ভেলায়। ষষ্ঠ বিশ্বকাপে নামার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগের পাঁচটি বিশ্বকাপের স্মরণীয় মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।
শনিবার মেসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জার্মানি ২০০৬, দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০, ব্রাজিল ২০১৪, রাশিয়া ২০১৮, কাতার ২০২২ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ছবিসহ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘২০০৬ থেকে ২০২৬’। এই ছোট বার্তাতেই যেন ফুটে উঠেছে তাঁর দুই দশকের বিশ্বকাপ যাত্রার গল্প।
২০০৬ সালে জার্মানিতে বিশ্বকাপ অভিষেক হয়েছিল মেসির। এরপর ২০১০ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনার অধীনে খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে। পরে ব্রাজিল ২০১৪, রাশিয়া ২০১৮ এবং কাতার ২০২২—প্রতিটি আসরেই ছিলেন আর্জেন্টিনার ভরসার প্রতীক। কাতারে তিনি পূরণ করেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন; বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বাদ পান আলবিসেলেস্তেদের নেতৃত্ব দিয়ে।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় চলমান বিশ্বকাপ হবে মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। এর মাধ্যমে তিনি মেক্সিকোর গিয়ের্মো ওচোয়া এবং পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ডে নাম লেখাচ্ছেন। এই বিশেষ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এবারের আসরে তাঁর জার্সিতে থাকবে বিশেষ ব্যাজ।
তবে শুধু অংশগ্রহণ নয়, বিশ্বকাপে আরও কয়েকটি ঐতিহাসিক রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন মেসি। বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় বর্তমানে তাঁর অবস্থান চতুর্থ। ১৩ গোল নিয়ে তিনি ফ্রান্সের জুস্ত ফন্তেইনের সঙ্গে যৌথভাবে রয়েছেন। তালিকার শীর্ষে থাকা জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার গোল ১৬টি।
বিশ্বকাপে মেসির ১৩ গোলের মধ্যে একটি এসেছে ২০০৬ সালে, চারটি ২০১৪ সালে, একটি ২০১৮ সালে এবং সাতটি ২০২২ সালে। এবার ক্লোসার রেকর্ড স্পর্শ বা ভাঙার সুযোগ আর্জেন্টাইন মহাতারকার সামনে। যদিও এই লড়াইয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই ফরোয়ার্ডের গোলসংখ্যাও সমান ১৩টি।
গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টের রেকর্ডেও নজর থাকবে মেসির। বর্তমানে বিশ্বকাপে তাঁর অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৮। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে, যার অ্যাসিস্ট ১০টি। মেসির জন্য রেকর্ডটি হাতছোঁয়া দূরত্বেই রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে বেশিবার খেলা ফুটবলারদের এলিট তালিকায়ও জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে মেসির সামনে। এখন পর্যন্ত তিনি খেলেছেন দুটি ফাইনাল—২০১৪ ও ২০২২ সালে। যদি এবারও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে পারেন, তাহলে তিনবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার বিরল কীর্তিতে নাম লেখাবেন তিনি।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড ইতোমধ্যেই নিজের করে নিয়েছেন মেসি। ২৬ ম্যাচ নিয়ে তিনি আছেন সবার ওপরে। তাঁর পেছনে রয়েছেন লোথার ম্যাথিউস (২৫), মিরোস্লাভ ক্লোসা (২৪) ও পাওলো মালদিনি (২৩)। নতুন সংস্করণের কারণে এবার একটি দল সর্বোচ্চ আটটি ম্যাচ খেলতে পারবে। ফলে নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগও থাকছে মেসির সামনে।
সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি টুর্নামেন্ট নয়, মেসির জন্য এটি হতে পারে রেকর্ডের খাতা নতুন করে লেখার মঞ্চ। আর বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি বুকে নিয়ে নিজের ষষ্ঠ আসরে নামতে যাওয়া এই কিংবদন্তিকে ঘিরে তাই প্রত্যাশাও আকাশছোঁয়া।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে সেন্টার ফরোয়ার্ড পজিশন। বুধবার আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে লিওনেল স্কালোনি কাকে শুরুর একাদশে রাখবেন—হুলিয়ান আলভারেজ নাকি লাউতারো মার্তিনেজ?
৩৬ মিনিট আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে জয় হাতছাড়া হলেও পুরো সিরিজে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। পুরস্কার হিসেবে পাওয়া প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের চেরি গাড়িটি তিনি মাকে উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের কীর্তিকে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর মতে, শুধু শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানোই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেট, ক্রিকেটার ও দেশের উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ানদের ইতিবাচক মন্তব্যও এই অর্জন
২ ঘণ্টা আগে
শেষ দিকে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন শরীফুল ইসলাম। তাতে হারের খুব কাছে দাঁড়িয়েও জয়ের আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পেরে উঠল না নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ১ উইকেট হারিয়েছে অজিরা।
৪ ঘণ্টা আগে