
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল শুরুর তৃতীয় মিনিটেই লিওনেল মেসির সঙ্গে তর্কে জড়ান জুড বেলিংহাম। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের ফুটবলার ভালেনতিন বার্কোর ঘাড়ে চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। সব মিলিয়ে দলের হারের দিনে আচরণজনিত কারণে সমালোচিত নাম হয়ে থাকলেন বেলিংহাম।
ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে সেই ঘটনার পেছনের কারণ জানা যায়। ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন গ্যালারিতে থাকা এক দর্শক। ভিডিওতে দেখা যায়, এনসো ফার্নান্দেস আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে ফেরানোর পর বদলি বেঞ্চ থেকে উচ্ছ্বাস নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন বার্কো। এ সময় বিমর্ষ হয়ে থাকা ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের খুব কাছ দিয়ে যান তিনি।
দৌড়ানোর সময় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সামনে দিয়েই গোল উদ্যাপন করতে দেখা যায় বার্কোকে। একপর্যায়ে ইংল্যান্ডের এক ফুটবলার তাঁকে ধাক্কাও দেন। সেখানে ছিলেন কয়েকজন ইংলিশ খেলোয়াড়। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন বেলিংহাম, যাঁকে ভিডিওতে ঘাসের ওপর শুয়ে থাকতে দেখা যায়। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার কয়েক মিটার দূর দিয়ে দৌড়ে চলে যান বার্কো।
অফিশিয়াল সম্প্রচারে এই অংশ না থাকায় দর্শকেরা কেবল ম্যাচ শেষে বেলিংহামের চড় মারা, ওতামেন্দির হস্তক্ষেপ ও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বাক্যবিনিময়ই দেখতে পেয়েছিলেন। তবে নতুন এই ভিডিও প্রকাশের পর বেলিংহামের ক্ষোভের সম্ভাব্য কারণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বেলিংহামের এমন আচরণের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। এই সংঘর্ষ নিয়ে আর্জেন্টিনা দলের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
১ মিনিট আগে
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ম্যাচের পর তাদের উদযাপন নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ফকল্যান্ড ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত চান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
১৮ মিনিট আগে
টানা দ্বিতীয় এবং সব মিলিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি আর্জেন্টিনার সামনে। এ জন্য আর মাত্র একটি ম্যাচ জিততে হবে। ফাইনালের মঞ্চে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। তার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান দেখালেন লিওনেল মেসি। ফাইনালে দুই সমান শক্তির দলের লড়াই হবে বলে মনে করছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
১ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনার ম্যাচ মানেই যেন আইশোস্পিডের (স্পিড) জন্য নতুন করে ট্রলের উপলক্ষ। বিশ্বকাপজুড়ে লিওনেল মেসির দলের প্রতিপক্ষকে সমর্থন করে আসা জনপ্রিয় এই মার্কিন ইউটিউবার এবারও ব্যতিক্রম হননি। তবে ইংল্যান্ডকে সমর্থন করেও শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছে তাঁকে।
৩ ঘণ্টা আগে