
ম্যাচের শুরুতে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পেয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নবম মিনিটে মাথিয়াস কুনিয়াকে বক্সের মধ্যে ফেলে দেন নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আজের। প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বললেও পরে ভিএআরের আহ্বানে রিপ্লে দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
১৩ মিনিটে স্পটকিক নিতে যান ব্রুনো গিমারেসস। ব্রাজিলের মিডফিল্ডারের বাঁ দিক লক্ষ্য করে নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ড। ফলে নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে হতাশ হতে হয় ব্রাজিলকে।
এর আগে দ্বিতীয় মিনিটেই বল জালে পাঠিয়েছিল নরওয়ে। তবে আলেক্সান্ডার সোরলথ অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল হয়। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিজেদের দিকে টানলেও পেনাল্টি থেকে গোল করতে না পারায় ব্রাজিল এখনও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করল।
১৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে গোলশূন্য সমতা বিরাজ করছে।

দলের অধিনায়ক হিসেবে নিজের দায়িত্বের কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি, ‘অধিনায়ক হিসেবে, আর বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে, যাতে আগামী প্রজন্ম নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারে।’
২৪ মিনিট আগে
অন্যদিকে নরওয়ের ইতিহাস গড়ার রাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম হালান্ড। তাঁর জোড়া গোলেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। আর ব্রাজিলের জন্য এই রাত হয়ে থাকল স্বপ্নভঙ্গের, যেখানে শেষ বাঁশির পর নেইমারের অশ্রুই হয়ে উঠল পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রতীক।
৩৬ মিনিট আগে
ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এমন প্রতিপক্ষ খুব বেশি নেই, যাদের বিপক্ষে কখনো জয়ের স্বাদই পাওয়া হয়নি। নরওয়ে সেই বিরল ব্যতিক্রম। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে সেই অস্বস্তিকর ইতিহাস আরও দীর্ঘ করলেন আর্লিং হালান্ড। এক গোলে ব্রাজিলকে চাপে ফেললেন, তো আরেক গোলে শেষ করে দিলেন ম্যাচ। তাঁর জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে
১ ঘণ্টা আগে
পাল্টা আক্রমণেই বেশি ভয়ঙ্কর ছিল ব্রাজিল। ৩১ মিনিটে মার্তিনেল্লির নিচু ক্রস পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড। ৪১ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান নরওয়ের গোলরক্ষক। বক্সের মধ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভিনিসিয়ুসের নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি। কয়েক মিনিট পর হালান্ড–ওডেগার্ডের আরেকটি আক্রমণ থ
২ ঘণ্টা আগে