বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর হতাশা লুকাতে পারেননি অধিনায়ক মার্কিনিওস। নরওয়ের বিপক্ষে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করার আক্ষেপের পাশাপাশি ব্রাজিলের সমর্থকদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডার।
নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে ২–১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচে পেনাল্টিসহ বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাজিল। আর সেটিকেই পরাজয়ের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন মার্কিনিওস।
ম্যাচ শেষে ব্রাজিল অধিনায়ক বলেন, ‘ব্যাখ্যা করা কঠিন। এমন সময়ে কথা বলাটাও কঠিন। আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এ ধরনের ম্যাচ খুব কঠিন হয়। প্রতিটি বলই গুরুত্বপূর্ণ। নরওয়ে তাদের পাওয়া সুযোগগুলো কাজে লাগিয়েছে। আমরা পেনাল্টিসহ যেসব সুযোগ পেয়েছি, তার অনেকগুলোই নষ্ট করেছি। বিশ্বকাপে যে দল কম ভুল করে, তারাই পরের ধাপে যায়।’
তিনটি বিশ্বকাপ খেলা এই ডিফেন্ডার নিজের দায় স্বীকার করে ব্রাজিলের সমর্থকদের কাছে ক্ষমাও চান। মার্কিনিওস বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই। যারা এখানে এসে আমাদের সমর্থন করেছেন, তাদের সবার কাছে। এখন আমি চাই, সবাই আগামী প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সমর্থন করুন। তাদের সামনে কাজ করার জন্য চার বছর সময় আছে।’
দলের অধিনায়ক হিসেবে নিজের দায়িত্বের কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি, ‘অধিনায়ক হিসেবে, আর বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে, যাতে আগামী প্রজন্ম নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারে।’

আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এটি তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে। তাই শেষ বাঁশির পর নেইমারের কান্না শুধু একটি ম্যাচে হারের হতাশা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়ের আজীবনের স্বপ্ন অধরা থেকে যাওয়ার বেদনাও হয়ে উঠেছে।
৩৩ মিনিট আগে
অন্যদিকে নরওয়ের ইতিহাস গড়ার রাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম হালান্ড। তাঁর জোড়া গোলেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। আর ব্রাজিলের জন্য এই রাত হয়ে থাকল স্বপ্নভঙ্গের, যেখানে শেষ বাঁশির পর নেইমারের অশ্রুই হয়ে উঠল পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রতীক।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এমন প্রতিপক্ষ খুব বেশি নেই, যাদের বিপক্ষে কখনো জয়ের স্বাদই পাওয়া হয়নি। নরওয়ে সেই বিরল ব্যতিক্রম। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে সেই অস্বস্তিকর ইতিহাস আরও দীর্ঘ করলেন আর্লিং হালান্ড। এক গোলে ব্রাজিলকে চাপে ফেললেন, তো আরেক গোলে শেষ করে দিলেন ম্যাচ। তাঁর জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে
১ ঘণ্টা আগে
পাল্টা আক্রমণেই বেশি ভয়ঙ্কর ছিল ব্রাজিল। ৩১ মিনিটে মার্তিনেল্লির নিচু ক্রস পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড। ৪১ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান নরওয়ের গোলরক্ষক। বক্সের মধ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভিনিসিয়ুসের নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি। কয়েক মিনিট পর হালান্ড–ওডেগার্ডের আরেকটি আক্রমণ থ
৩ ঘণ্টা আগে