বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে রকেটের জ্বালানি তৈরির নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্পেসএক্স। মার্কিন এ রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক আজ মঙ্গলবার এক টুইটে এ ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড সংগ্রহ এবং সেটিকে রকেটের জ্বালানিতে রূপান্তরের একটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্পেসএক্স। আগ্রহীরা যুক্ত হতে পারেন।
এর পরের টুইটেই ইলন মাস্ক বলেছেন, এটি মঙ্গলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। মঙ্গলে পৌঁছানোর জন্য বিশ্বের বৃহত্তম মহাকাশযান স্টারশিপ বানাচ্ছে তাঁর প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। এরই মধ্যে এই রকেটের সফল উৎক্ষেপণও সম্পন্ন হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, মঙ্গলের বুকেই রকেটের জ্বালানি উৎপাদন প্লান্ট স্থাপন করা হবে। ফলে সেখান থেকে ফিরে আসার জন্য জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা থাকবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল গঠিত হয়েছে কার্বন ডাই অক্সাইড দিয়ে। এই বায়ুমণ্ডল থেকেই স্পেসএক্সের মহাকাশযান স্টারশিপের জ্বালানি হিসেবে উৎপাদন করা হবে মিথেন এবং তরল অক্সিজেন। এমন পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছেন ইলন মাস্ক।

পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো প্রাণের অস্তিত্বের এখনো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত খুঁজে চলেছেন এবং মহাবিশ্বে আমরা সত্যিই একা নই, এমন কোনো ইঙ্গিতের জন্য সংকেতও শুনে চলেছেন। এবার হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্স এবং ইউনিভার্সিটি অব ওরেগনের...
৪ দিন আগে
পৃথিবীর আলো, উষ্ণতা ও প্রাণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস এই সূর্যকে আমাদের কাছে চিরস্থায়ী মনে হয়। কিন্তু মহাবিশ্বের কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। একসময় সূর্যও তার বর্তমান রূপ হারিয়ে ফেলবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এই পরিবর্তন ঘটতে এখনো বিপুল সময় বাকি।
৭ দিন আগে
আফ্রিকা মহাদেশ ধারণার চেয়েও দ্রুত দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার পথে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূতত্ত্ববিদেরা। মহাদেশটির একটি সক্রিয় রিফট বা ভূত্বক বিচ্ছিন্ন হওয়া অঞ্চল ইতিমধ্যে ‘গুরুত্বপূর্ণ সীমা’ বা ক্রিটিক্যাল থ্রেশহোল্ডে পৌঁছে গেছে। ফলে আগামী কয়েক মিলিয়ন বছরের মধ্যে এই অঞ্চল ভেঙে গিয়ে সেখানে...
৮ দিন আগে
মানব মস্তিষ্ক বোঝার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো, মস্তিষ্কের ভেতরেই একজন ‘মানুষের’ টিকে থাকা। কারণ মানুষ জীবিত থাকা অবস্থায় তার মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটার বা ধূসর পদার্থ নিয়ে বিজ্ঞানীরা ইচ্ছেমতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন না। ফলে মস্তিষ্ক কীভাবে বিকশিত হয়, কীভাবে এর বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগ তৈরি হয়...
৯ দিন আগে