
মহাকাশ একটি রহস্যময় জায়গা। এর অজানা তথ্য বিজ্ঞানীদের রাতের ঘুম কেড়ে নেয়। চলতি বছরের একদম শেষে এসে এই রহস্যময় মহাকাশে বিরল ঘটনার সাক্ষী হব আমরা। কারণ আজ ও কাল (৩০–৩১ ডিসেম্বর) আকাশে ব্ল্যাক মুনের (কালো চাঁদ) মতো দেখা অভূতপূর্ব ঘটনা দেখা যাবে।
ব্ল্যাক মুন কি
ব্লু মনের কথা শুনে থাকবেন অনেকেই। ব্ল্যাক মুনের সঙ্গে ব্লু মুনের কিছুটা মিল থাকলেও, এ দুটি ঘটনা একে অপরের থেকে ভিন্ন।
১৯৩৭ সালে ব্লু মুন নামটি দিয়েছেন—মেইন ফার্মারের অ্যালমানাক। ব্লু মুন সাধারণত দুটি ধরনের হয়—একটি ঋতুতে চারটি পূর্ণিমা হলে তার তৃতীয়টি ব্লু মুন হিসেবে ধরা হয়। অথবা কোনো মাসে দুটি পূর্ণিমা হলে দ্বিতীয় পূর্ণ চাঁদটিকে ব্লু মুন বলা হয়।
ব্লু মুনের দ্বিতীয় সংজ্ঞাটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে এটি আসলে একটি ভুল বোঝাবুঝির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। ১৯৪৬ সালে ‘স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ’ ম্যাগাজিনে একটি লেখায় ‘জেমস হিউ প্রুয়েট’ বলেছেন যে, যখন কোনো মাসে দুটি পূর্ণিমা হয়, তখন দ্বিতীয়টি ব্লু মুন। এটি আসলে একটি ভুল ব্যাখ্যা ছিল। এর পর থেকেই এই ভুল ধারণা সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়েছে।
এই ব্যাখ্যাটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর হলেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্ল্যাক মুন এরও দুটি সংজ্ঞা রয়েছে, যা ব্লু মুনের মতোই কাজ করে। তবে, ব্লু মুন যেখানে পূর্ণিমার সংখ্যা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, ব্ল্যাক মুন নির্ধারিত হয় নিউ মুন–এর সংখ্যা অনুযায়ী। এক ঋতুতে চারটি নতুন চাঁদের মধ্যে তৃতীয়টি হলো ব্ল্যাক মুন অথবা এক মাসের দুটি নিউ মুনের মধ্যে দ্বিতীয়টি ব্ল্যাক মুন। এটি ব্লু মুনের মতোই বিরল ঘটনা।
এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে ঘটবে ৩০ ডিসেম্বর। তবে ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়াতে এই ঘটনাটি ঘটবে ৩১ ডিসেম্বর।
এ ছাড়া, আপনি যদি পরবর্তী ব্লু মুনের জন্য অপেক্ষা করেন। তবে পরবর্তী দুটি ফুল মুন একই মাসে ৩১ মে ২০২৬-এ ঘটবে, এবং পরবর্তী ঋতুবদ্ধ ব্লু মুন ২০ মে ২০২৭-এ ঘটবে।
ব্ল্যাক মুন বিরল, তবে যেটি এক মাসে দুটি নতুন চাঁদের মধ্যে দ্বিতীয় নতুন চাঁদ হিসেবে নির্ধারিত হয়, তা তুলনামূলকভাবে বেশি ঘটে (প্রতি ২৯ মাসে একবার)। এর বিপরীতে ঋতু ভিত্তিক ব্ল্যাক মুন আরও বিরল, যা প্রতি ৩৩ মাসে একবার ঘটে। ২০২৩ সালের ১৯ মে সর্বশেষ ব্ল্যাক মুনটি দেখা যায়।
দুঃখজনকভাবে, যেহেতু ব্ল্যাক মুন একটি নতুন চাঁদ, এটি আকাশে সেভাবে দৃশ্যমান হবে না। নতুন চাঁদের সময় চাঁদ পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থান করে, ফলে যে অংশটি সূর্য দ্বারা আলোকিত হয় তা দেখা যায় না। তবে এই সময়ে আকাশে চাঁদ না থাকার কারণে, এটি আকাশগঙ্গার অন্যান্য তারাগুলো পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি দুর্দান্ত সময় হতে পারে। কারণ আকাশে চাঁদের আলো কম থাকবে। মহাকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য এটি জ্যোতিবিজ্ঞানীদের বড় সুযোগ।
পরবর্তী ব্লু মুনটি ঘটবে ২০২৬ সালের, যেখানে এক মাসে দুটি পূর্ণ চাঁদ থাকবে এবং দ্বিতীয় পূর্ণ চাঁদটি ব্লু মুন হিসেবে গণ্য হবে। আর পরবর্তী ঋতুভিত্তিক ব্লু মুনটি ঘটবে ২০২৭ সালের ২০ মে, যেখানে এক ঋতুতে চারটি পূর্ণ চাঁদ হবে এবং তৃতীয় পূর্ণ চাঁদটি ব্লু মুন হিসেবে ধরা হবে।
তথ্যসূত্র: আইএফএল সায়েন্স

মহাকাশ একটি রহস্যময় জায়গা। এর অজানা তথ্য বিজ্ঞানীদের রাতের ঘুম কেড়ে নেয়। চলতি বছরের একদম শেষে এসে এই রহস্যময় মহাকাশে বিরল ঘটনার সাক্ষী হব আমরা। কারণ আজ ও কাল (৩০–৩১ ডিসেম্বর) আকাশে ব্ল্যাক মুনের (কালো চাঁদ) মতো দেখা অভূতপূর্ব ঘটনা দেখা যাবে।
ব্ল্যাক মুন কি
ব্লু মনের কথা শুনে থাকবেন অনেকেই। ব্ল্যাক মুনের সঙ্গে ব্লু মুনের কিছুটা মিল থাকলেও, এ দুটি ঘটনা একে অপরের থেকে ভিন্ন।
১৯৩৭ সালে ব্লু মুন নামটি দিয়েছেন—মেইন ফার্মারের অ্যালমানাক। ব্লু মুন সাধারণত দুটি ধরনের হয়—একটি ঋতুতে চারটি পূর্ণিমা হলে তার তৃতীয়টি ব্লু মুন হিসেবে ধরা হয়। অথবা কোনো মাসে দুটি পূর্ণিমা হলে দ্বিতীয় পূর্ণ চাঁদটিকে ব্লু মুন বলা হয়।
ব্লু মুনের দ্বিতীয় সংজ্ঞাটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে এটি আসলে একটি ভুল বোঝাবুঝির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। ১৯৪৬ সালে ‘স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ’ ম্যাগাজিনে একটি লেখায় ‘জেমস হিউ প্রুয়েট’ বলেছেন যে, যখন কোনো মাসে দুটি পূর্ণিমা হয়, তখন দ্বিতীয়টি ব্লু মুন। এটি আসলে একটি ভুল ব্যাখ্যা ছিল। এর পর থেকেই এই ভুল ধারণা সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়েছে।
এই ব্যাখ্যাটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর হলেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্ল্যাক মুন এরও দুটি সংজ্ঞা রয়েছে, যা ব্লু মুনের মতোই কাজ করে। তবে, ব্লু মুন যেখানে পূর্ণিমার সংখ্যা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, ব্ল্যাক মুন নির্ধারিত হয় নিউ মুন–এর সংখ্যা অনুযায়ী। এক ঋতুতে চারটি নতুন চাঁদের মধ্যে তৃতীয়টি হলো ব্ল্যাক মুন অথবা এক মাসের দুটি নিউ মুনের মধ্যে দ্বিতীয়টি ব্ল্যাক মুন। এটি ব্লু মুনের মতোই বিরল ঘটনা।
এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে ঘটবে ৩০ ডিসেম্বর। তবে ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়াতে এই ঘটনাটি ঘটবে ৩১ ডিসেম্বর।
এ ছাড়া, আপনি যদি পরবর্তী ব্লু মুনের জন্য অপেক্ষা করেন। তবে পরবর্তী দুটি ফুল মুন একই মাসে ৩১ মে ২০২৬-এ ঘটবে, এবং পরবর্তী ঋতুবদ্ধ ব্লু মুন ২০ মে ২০২৭-এ ঘটবে।
ব্ল্যাক মুন বিরল, তবে যেটি এক মাসে দুটি নতুন চাঁদের মধ্যে দ্বিতীয় নতুন চাঁদ হিসেবে নির্ধারিত হয়, তা তুলনামূলকভাবে বেশি ঘটে (প্রতি ২৯ মাসে একবার)। এর বিপরীতে ঋতু ভিত্তিক ব্ল্যাক মুন আরও বিরল, যা প্রতি ৩৩ মাসে একবার ঘটে। ২০২৩ সালের ১৯ মে সর্বশেষ ব্ল্যাক মুনটি দেখা যায়।
দুঃখজনকভাবে, যেহেতু ব্ল্যাক মুন একটি নতুন চাঁদ, এটি আকাশে সেভাবে দৃশ্যমান হবে না। নতুন চাঁদের সময় চাঁদ পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থান করে, ফলে যে অংশটি সূর্য দ্বারা আলোকিত হয় তা দেখা যায় না। তবে এই সময়ে আকাশে চাঁদ না থাকার কারণে, এটি আকাশগঙ্গার অন্যান্য তারাগুলো পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি দুর্দান্ত সময় হতে পারে। কারণ আকাশে চাঁদের আলো কম থাকবে। মহাকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য এটি জ্যোতিবিজ্ঞানীদের বড় সুযোগ।
পরবর্তী ব্লু মুনটি ঘটবে ২০২৬ সালের, যেখানে এক মাসে দুটি পূর্ণ চাঁদ থাকবে এবং দ্বিতীয় পূর্ণ চাঁদটি ব্লু মুন হিসেবে গণ্য হবে। আর পরবর্তী ঋতুভিত্তিক ব্লু মুনটি ঘটবে ২০২৭ সালের ২০ মে, যেখানে এক ঋতুতে চারটি পূর্ণ চাঁদ হবে এবং তৃতীয় পূর্ণ চাঁদটি ব্লু মুন হিসেবে ধরা হবে।
তথ্যসূত্র: আইএফএল সায়েন্স

উদ্ভিদের শ্বাস-প্রশ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য এক নতুন প্রযুক্তি তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষকদের মতে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন জিনগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে, যা ফসলকে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে আরও ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবে।
১ দিন আগে
একটা নীল রঙের ফুল আছে, যার নাম ফরগেট-মি-নট (Forget-me-not)। এই ফুলের সঙ্গে একটা লোককথা জড়িত। মর্মস্পর্শী ওই কাহিনীটি এমন যে, জার্মানির এক নাইট তাঁর প্রেমিকাকে নিয়ে নদীর ধারে হাঁটছিলেন। নদীর পাড়ে ছোট সুন্দর নীল ফুলের সারি দেখতে পেয়ে ওই নাইট প্রেমিকাকে ফুল দিয়ে খুশি করতে চান।
৬ দিন আগে
বিশ্বব্যাপী খাদ্যনিরাপত্তার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। চীনা কৃষিবিজ্ঞানীরা এমন এক বৈপ্লবিক হাইব্রিড ধান উদ্ভাবন করেছেন, যা বীজের মাধ্যমে নিজেকে ‘ক্লোন’ বা হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে। এই আবিষ্কারের ফলে প্রতিবছর কৃষকদের চড়া দামে নতুন হাইব্রিড বীজ কেনার চিরাচরিত বাধ্যবাধকতা ভেঙে
৬ দিন আগে
সম্প্রতি অটোব্রুয়ারি সিনড্রোমে আক্রান্ত রোগীদের ওপর পরিচালিত এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় গবেষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে, এই অবস্থার প্রধান হোতা আসলে ব্যাকটেরিয়া। নেচার মাইক্রোবায়োলজি সাময়িকীতে সম্প্রতি প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদন রোগীদের অন্ত্রের অণুজীবের অ্যালকোহল বিপাক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন...
১০ দিন আগে