
বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আবারও প্রশ্ন উঠল। আর জবাবে বরাবরের মতোই কৌশলী উত্তর এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবিতে হাজার হাজার মানুষের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকার যদি বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও হাজার হাজার মামলাসহ বিরোধীদের সমাবেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। এমনকি নিষ্ক্রিয় বিরোধী নেতাদেরও বর্তমান সরকার রেহাই না দেয়। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশে যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করছে, তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কি?
জবাবে কোনো নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রাক্মূল্যায়ন করে না জানিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধা দেওয়ার জন্য গত ২৪ মে জারি করা হয় ঘোষিত ‘ভিসা নীতি’র আবারও ব্যাখ্যা করেন ম্যাথিউ মিলার।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাদানকারী কর্মের মধ্যে রয়েছে ভোট কারচুপি, ভোটারদের ভয় দেখানো, সহিংসতা করে জনগণকে সংঘবদ্ধ হওয়া এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার থেকে বিরত রাখা এবং রাজনৈতিক দল, ভোটার, সুশীল সমাজ বা মিডিয়াকে মতামত প্রচারে বিরত রাখা।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে মানবাধিকারকর্মীরা সরকারি ও বেসরকারিভাবে হুমকি, হয়রানি ও বিচার প্রক্রিয়ার শিকার হচ্ছেন বলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ৮৬ শতাংশ মানবাধিকারকর্মী বিভিন্ন বাধা, প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। এ ছাড়া এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে হওয়ায় তাঁদের অর্থায়নও সরকারের হাতের মুঠোয়। এতে অনেক আন্তর্জাতিক সাহায্য গ্রহীতা সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা তাঁদের বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।
এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টিকে উদ্বেগজনক মনে করে কি না, তার জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘আমরা মানবাধিকারের ওপর যেকোনো বিধিনিষেধের বিরোধিতা করি। এর চেয়ে আর কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য নেই।’

বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আবারও প্রশ্ন উঠল। আর জবাবে বরাবরের মতোই কৌশলী উত্তর এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবিতে হাজার হাজার মানুষের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকার যদি বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও হাজার হাজার মামলাসহ বিরোধীদের সমাবেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। এমনকি নিষ্ক্রিয় বিরোধী নেতাদেরও বর্তমান সরকার রেহাই না দেয়। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশে যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করছে, তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কি?
জবাবে কোনো নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রাক্মূল্যায়ন করে না জানিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধা দেওয়ার জন্য গত ২৪ মে জারি করা হয় ঘোষিত ‘ভিসা নীতি’র আবারও ব্যাখ্যা করেন ম্যাথিউ মিলার।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাদানকারী কর্মের মধ্যে রয়েছে ভোট কারচুপি, ভোটারদের ভয় দেখানো, সহিংসতা করে জনগণকে সংঘবদ্ধ হওয়া এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার থেকে বিরত রাখা এবং রাজনৈতিক দল, ভোটার, সুশীল সমাজ বা মিডিয়াকে মতামত প্রচারে বিরত রাখা।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে মানবাধিকারকর্মীরা সরকারি ও বেসরকারিভাবে হুমকি, হয়রানি ও বিচার প্রক্রিয়ার শিকার হচ্ছেন বলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ৮৬ শতাংশ মানবাধিকারকর্মী বিভিন্ন বাধা, প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। এ ছাড়া এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে হওয়ায় তাঁদের অর্থায়নও সরকারের হাতের মুঠোয়। এতে অনেক আন্তর্জাতিক সাহায্য গ্রহীতা সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা তাঁদের বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।
এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টিকে উদ্বেগজনক মনে করে কি না, তার জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘আমরা মানবাধিকারের ওপর যেকোনো বিধিনিষেধের বিরোধিতা করি। এর চেয়ে আর কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য নেই।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে