কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়া একটি কথা বলেছিলেন যে এই দেশের বাইরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কোনো ঠিকানা নেই। বাংলাদেশের বাইরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কোনো ঠিকানা নেই। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে আজ আপনাদের সামনে একইভাবে আমিও বলতে চাই, বাংলাদেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এই দেশই আমার ঠিকানা। এই দেশই আমার প্রথম ঠিকানা। এই দেশই আমার শেষ ঠিকানা। কাজেই এই দেশের জন্য, এই দেশের মানুষের ভালোবাসার জন্য আমাদের সকল রকমের প্রচেষ্টা থাকবে। এই দেশই আমাদের প্রথম, এই দেশই আমাদের শেষ বাংলাদেশ।’
আজ সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করি যে শত–হাজার মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন স্বৈরাচারকে বিদায়ের জন্য, যে হাজারো মানুষ নিজেরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েও দমে যায়নি, সে মানুষগুলোর আত্মত্যাগকে মূল্যায়ন করে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি। কেউ যেন আমাদের ঐক্য নষ্ট করতে না পারে। কেউ যেন আমাদের পিছিয়ে দিতে না পারে। সে ব্যাপারে আমাদের সজাগ ও সর্তক থাকতে হবে।’
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে হাজারো শহীদ আছেন, যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন বিগত ১৭ বছরে। বিশেষ করে গত জুলাই–আগস্ট মাসেই হাজারো হাজারো মানুষ আছে, যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে ঢাকা শহরে। এর বাইরে বিভিন্ন মানুষ যারা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিএনপিরই ৬০ লাখ মানুষ বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। বিএনপির বাইরেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরা নির্যাতিত হয়েছেন। কেন তারা নির্যাতিত হয়েছে; কারণ একটাই, তারা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে চেয়েছিল।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে লাখো জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এই সরকার জনগণের রাজনৈতিক যে প্রত্যাশা, জনগণের রাজনৈতিক যে অধিকার, যার জন্য বিগত ১৭ বছর বাংলাদেশের মানুষ সংগ্রাম করছে—সেই অধিকার যেন সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তার জন্য তাঁরা পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কিন্তু এটিও সতর্কভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে তাঁরা জনগণের এই কাজটি করতে গিয়ে, জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে—এমন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব না হয়—যাতে করে স্বৈরাচার আবার কোনো ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পায়। স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা বসে নেই।’
তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক মুক্তি হলে, রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হলেই সকল কিছু হয়ে যায় না। বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক সংগ্রামেও আমাদের জয় পেতে হবে। তাহলেই আমাদের যে আন্দোলন সেটির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। আমরা যদি এ দেশের মানুষের হাতে তাদের অধিকার দিতে পারি, তাঁরা নেতৃত্ব নির্বাচিত করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সঠিক ব্যাক্তিগণ এই জাতিকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবে। যে নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এবং অর্থনৈতিক মুক্তিও সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা কি জানেন, হাওর অঞ্চলে বোরো মৌসুমে যে পরিমাণ ধান হয়, তাতে দেশের ১৬ শতাংশ ধান উৎপাদন হয়। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে যে বিশাল হাওর আছে, এইখানে মিঠাপানির মাছের বিশাল ভান্ডার। আমরা যদি সঠিক পরিকল্পনা করতে পারি, তবে এই অঞ্চলের মাছ দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ করে বাইরেও রপ্তানি করতে পারব। গার্মেন্টস শিল্পের মাধ্যমে বিশ্বমান চিত্রে বাংলাদেশের যেমন পরিচিতি, একইভাবে মাছ রপ্তানি করে আমরা বাংলাদেশকে পরিচিতি করে দিতে পারব। যার মাধ্যমে যে শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে তা নয়, লাখো মানুষের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে। অষ্টগ্রামের পনির সম্পর্কে মানুষ জানেই না। এই পনিরকে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারি এবং বিশ্বে পরিচিত করাতে পারি। এতে বাংলাদেশের যেমন সুনাম অর্জিত হবে, তেমনি বহু বেকার ভাইবোনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘সেই কাজগুলো জনগণ দ্বারা নির্বাচিত একটি সরকার করতে পারবে। কারণ, জনগণের সরকারের বাধ্যবাধকতা ও জবাবদিহিতা থাকবে জনগণের কাছে। যেহেতু জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকবে, সেহেতু জনগণের অভাব–অভিযোগ তাদের শুনতে হবে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সেই জনগণের সরকারকে দেখতে হবে। সেই জন্যই প্রয়োজন জনগণের সরকার।’
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ। মহাসমাবেশ পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে মহাসমাবেশ করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর এবারই প্রথম জেলায় বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি পালন করল দলটি। ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ফলে দীর্ঘ ১০ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো এই মহাসমাবেশ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়া একটি কথা বলেছিলেন যে এই দেশের বাইরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কোনো ঠিকানা নেই। বাংলাদেশের বাইরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কোনো ঠিকানা নেই। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে আজ আপনাদের সামনে একইভাবে আমিও বলতে চাই, বাংলাদেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এই দেশই আমার ঠিকানা। এই দেশই আমার প্রথম ঠিকানা। এই দেশই আমার শেষ ঠিকানা। কাজেই এই দেশের জন্য, এই দেশের মানুষের ভালোবাসার জন্য আমাদের সকল রকমের প্রচেষ্টা থাকবে। এই দেশই আমাদের প্রথম, এই দেশই আমাদের শেষ বাংলাদেশ।’
আজ সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করি যে শত–হাজার মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন স্বৈরাচারকে বিদায়ের জন্য, যে হাজারো মানুষ নিজেরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েও দমে যায়নি, সে মানুষগুলোর আত্মত্যাগকে মূল্যায়ন করে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি। কেউ যেন আমাদের ঐক্য নষ্ট করতে না পারে। কেউ যেন আমাদের পিছিয়ে দিতে না পারে। সে ব্যাপারে আমাদের সজাগ ও সর্তক থাকতে হবে।’
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে হাজারো শহীদ আছেন, যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন বিগত ১৭ বছরে। বিশেষ করে গত জুলাই–আগস্ট মাসেই হাজারো হাজারো মানুষ আছে, যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে ঢাকা শহরে। এর বাইরে বিভিন্ন মানুষ যারা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিএনপিরই ৬০ লাখ মানুষ বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। বিএনপির বাইরেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরা নির্যাতিত হয়েছেন। কেন তারা নির্যাতিত হয়েছে; কারণ একটাই, তারা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে চেয়েছিল।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে লাখো জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এই সরকার জনগণের রাজনৈতিক যে প্রত্যাশা, জনগণের রাজনৈতিক যে অধিকার, যার জন্য বিগত ১৭ বছর বাংলাদেশের মানুষ সংগ্রাম করছে—সেই অধিকার যেন সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তার জন্য তাঁরা পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কিন্তু এটিও সতর্কভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে তাঁরা জনগণের এই কাজটি করতে গিয়ে, জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে—এমন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব না হয়—যাতে করে স্বৈরাচার আবার কোনো ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পায়। স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা বসে নেই।’
তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক মুক্তি হলে, রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হলেই সকল কিছু হয়ে যায় না। বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক সংগ্রামেও আমাদের জয় পেতে হবে। তাহলেই আমাদের যে আন্দোলন সেটির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। আমরা যদি এ দেশের মানুষের হাতে তাদের অধিকার দিতে পারি, তাঁরা নেতৃত্ব নির্বাচিত করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সঠিক ব্যাক্তিগণ এই জাতিকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবে। যে নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এবং অর্থনৈতিক মুক্তিও সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা কি জানেন, হাওর অঞ্চলে বোরো মৌসুমে যে পরিমাণ ধান হয়, তাতে দেশের ১৬ শতাংশ ধান উৎপাদন হয়। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে যে বিশাল হাওর আছে, এইখানে মিঠাপানির মাছের বিশাল ভান্ডার। আমরা যদি সঠিক পরিকল্পনা করতে পারি, তবে এই অঞ্চলের মাছ দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ করে বাইরেও রপ্তানি করতে পারব। গার্মেন্টস শিল্পের মাধ্যমে বিশ্বমান চিত্রে বাংলাদেশের যেমন পরিচিতি, একইভাবে মাছ রপ্তানি করে আমরা বাংলাদেশকে পরিচিতি করে দিতে পারব। যার মাধ্যমে যে শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে তা নয়, লাখো মানুষের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে। অষ্টগ্রামের পনির সম্পর্কে মানুষ জানেই না। এই পনিরকে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারি এবং বিশ্বে পরিচিত করাতে পারি। এতে বাংলাদেশের যেমন সুনাম অর্জিত হবে, তেমনি বহু বেকার ভাইবোনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘সেই কাজগুলো জনগণ দ্বারা নির্বাচিত একটি সরকার করতে পারবে। কারণ, জনগণের সরকারের বাধ্যবাধকতা ও জবাবদিহিতা থাকবে জনগণের কাছে। যেহেতু জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকবে, সেহেতু জনগণের অভাব–অভিযোগ তাদের শুনতে হবে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সেই জনগণের সরকারকে দেখতে হবে। সেই জন্যই প্রয়োজন জনগণের সরকার।’
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ। মহাসমাবেশ পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে মহাসমাবেশ করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর এবারই প্রথম জেলায় বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি পালন করল দলটি। ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ফলে দীর্ঘ ১০ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো এই মহাসমাবেশ।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়—এমন কোনো কাজ বিএনপি করছে না বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী নবীন দলের আয়োজনে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
১২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
১৬ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১৮ ঘণ্টা আগে