আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাতীয় ঐক্যের উদ্যোগে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, ‘ঐক্য করতে গিয়ে বাকশাল করে ফেললে, সেই ঐক্যে কাজ হবে না।’ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মঈন খান বলেন, ‘জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্য অবশ্যই প্রয়োজন। এতে কারও কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। কিন্তু এই প্রশ্নে সতর্ক করে দিতে চাই, ইংরেজিতে একটা কথা আছে, “ইউনিটি ইন ডাইভার্সিটি”—আমরা ঐক্য করতে গিয়ে যদি আবার বাকশাল করে ফেলি, তাহলে কিন্তু সেই ঐক্যে কাজ হবে না। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ডেমোক্রেসি মুখে বলা সহজ, কিন্তু বাস্তবে রূপদান করা কিন্তু এত সহজ না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আজ সংস্কারের কথা বলছেন, খুব ভালো কথা। সংস্কার তো লাগবেই। কিছু মনে করবেন না, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলে দিই, আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত না নিজেরা নিজেদের সংস্কার না করব, ততক্ষণ কোনো সংস্কারই কাজে আসবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা নতুন প্রজন্মের কথা বলেন, কোথায় নতুন প্রজন্ম? বিগত ১৫-২০ বছর বা দুই দশক ধরে আমাদের নতুন প্রজন্মের কেউ ভোট দিতে পেরেছে? পারেনি তো।’
বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার আন্দোলনের পুরোধা, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির নেতা আতিকুর রহমান সালুর স্মরণে এ সভার আয়োজন করে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি। স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া প্রমুখ।

জাতীয় ঐক্যের উদ্যোগে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, ‘ঐক্য করতে গিয়ে বাকশাল করে ফেললে, সেই ঐক্যে কাজ হবে না।’ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মঈন খান বলেন, ‘জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্য অবশ্যই প্রয়োজন। এতে কারও কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। কিন্তু এই প্রশ্নে সতর্ক করে দিতে চাই, ইংরেজিতে একটা কথা আছে, “ইউনিটি ইন ডাইভার্সিটি”—আমরা ঐক্য করতে গিয়ে যদি আবার বাকশাল করে ফেলি, তাহলে কিন্তু সেই ঐক্যে কাজ হবে না। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ডেমোক্রেসি মুখে বলা সহজ, কিন্তু বাস্তবে রূপদান করা কিন্তু এত সহজ না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আজ সংস্কারের কথা বলছেন, খুব ভালো কথা। সংস্কার তো লাগবেই। কিছু মনে করবেন না, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলে দিই, আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত না নিজেরা নিজেদের সংস্কার না করব, ততক্ষণ কোনো সংস্কারই কাজে আসবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা নতুন প্রজন্মের কথা বলেন, কোথায় নতুন প্রজন্ম? বিগত ১৫-২০ বছর বা দুই দশক ধরে আমাদের নতুন প্রজন্মের কেউ ভোট দিতে পেরেছে? পারেনি তো।’
বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার আন্দোলনের পুরোধা, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির নেতা আতিকুর রহমান সালুর স্মরণে এ সভার আয়োজন করে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি। স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া প্রমুখ।

সংস্কারের বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির অবস্থান থাকবে বলে জানিয়ে দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের বলেছেন, ‘আমরা ‘‘না’’ ভোট দেব। দেশের স্বার্থে, আইনের শাসনের স্বার্থে জনগণকে ‘‘না’’ ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করব। সরকারের এমন উদ্যোগ সংবিধানবিরুদ্ধ, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধ্বংস হয়ে যাবে।’
১৪ মিনিট আগে
নিজেকে কড়াইলের সন্তান দাবি করে আজীবন কড়াইলবাসীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দল ক্ষমতায় গেলে তাঁদের আবাসনের কষ্ট দূর করার জন্য বহুতল ভবন গড়ে ছোট ছোট ফ্ল্যাট তাঁদের নামে বরাদ্দ দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ভোটের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা নির্বাচন চাই। আমরা জনগণের কাছে যাব। জনগণ যদি আমাদের গ্রহণ করে, আমরা আছি। আর যদি বাদ দেয়, আমরা বিরোধী দলে থাকব। আগে থেকে এত গলাবাজি কেন ভাই?’
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘এবার আমরা সরাসরি নারী প্রার্থী না দিলেও আমাদের জোটের পক্ষ থেকে নারী প্রার্থী আছে।’ আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত দলটির পলিসি সামিটের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
৭ ঘণ্টা আগে