নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির ‘সহিংসতার’ প্রতিবাদে আগামীকাল বুধবার থেকে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট। তবে, রংপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা থাকায় বৃহস্পতিবার থেকে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন জোট। জোটের একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল সোমবার জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর বাসায় বৈঠক করে ২ আগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। প্রথম দিন বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সমাবেশ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সমাবেশের অনুমতি রীতি চালু হওয়ায় সমাবেশস্থলের নাম ঘোষণা করেনি।
বুধবারের সমাবেশের স্থান ও সময় নিয়ে ১৪ দলীয় জোটের একাধিক নেতার সঙ্গে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কথা হয় আজকের পত্রিকার। এর মধ্যে তিনটি দলের সর্বোচ্চ নেতারা জানান স্থান ও সময় নিয়ে জোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগ বা জোটের মুখপাত্রের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোটের এক নেতা বলেন, ‘রংপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির জনসভা থাকায় বুধবারের পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সমাবেশ করা হবে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এর বাইরে কোনো কিছুই এখনো জানি না। কারণ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বেশির ভাগই রংপুরে থাকবেন।’
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার আজকের পত্রিকাকে বলেন, কালকে (বুধবার) প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সমাবেশ করা হবে। তবে, সমাবেশের স্থান এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

বিএনপির ‘সহিংসতার’ প্রতিবাদে আগামীকাল বুধবার থেকে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট। তবে, রংপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা থাকায় বৃহস্পতিবার থেকে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন জোট। জোটের একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল সোমবার জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর বাসায় বৈঠক করে ২ আগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। প্রথম দিন বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সমাবেশ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সমাবেশের অনুমতি রীতি চালু হওয়ায় সমাবেশস্থলের নাম ঘোষণা করেনি।
বুধবারের সমাবেশের স্থান ও সময় নিয়ে ১৪ দলীয় জোটের একাধিক নেতার সঙ্গে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কথা হয় আজকের পত্রিকার। এর মধ্যে তিনটি দলের সর্বোচ্চ নেতারা জানান স্থান ও সময় নিয়ে জোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগ বা জোটের মুখপাত্রের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোটের এক নেতা বলেন, ‘রংপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির জনসভা থাকায় বুধবারের পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সমাবেশ করা হবে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এর বাইরে কোনো কিছুই এখনো জানি না। কারণ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বেশির ভাগই রংপুরে থাকবেন।’
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার আজকের পত্রিকাকে বলেন, কালকে (বুধবার) প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সমাবেশ করা হবে। তবে, সমাবেশের স্থান এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৮ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৮ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
১০ ঘণ্টা আগে