নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শাপলা প্রতীকের বিষয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা বলেছেন, প্রতীক বাছাইয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।
আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এনসিপির প্রতিনিধিদল এসব কথা জানায়।
দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দেখছি, নির্বাচন কমিশন স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এই সিদ্ধান্তগুলো আসলে চাপিয়ে দেওয়া।’
প্রতীক বরাদ্দে ইসির কোনো ‘নীতিমালা নেই’ অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ইসিতে প্রাতিষ্ঠানিক অটোক্রেসি (স্বৈরতন্ত্র) তৈরি হয়েছে। তাদের মনোভাব দেখে তা-ই মনে হচ্ছে। বিদ্যমান দলগুলোকে যে মার্কা দেওয়া হয়েছে, কোনো নীতিমালার আওতায় তা করা হয় নাই। মধ্যযুগে বর্বর শাসনব্যবস্থা যেমন দেখতাম, রাজা যেমন ইচ্ছা করছে। রাজা-বাদশাদের আচরণের সঙ্গে তাদের (ইসি) সাদৃশ্য রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের রিমোট কন্ট্রোলটা অন্য জায়গায়, আগারগাঁওয়ে নেই। ইসি স্পাইনলেস (মেরুদণ্ডহীন)।’
বর্তমান ইসির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার ‘যোগ্যতা নেই’ বলেও মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, দলের পক্ষ থেকে ইসির চিঠির জবাব দিয়ে চারটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
নাসীরুদ্দীন বলেন, দেড় কোটি মৃত ও প্রবাসী ভোটার তালিকায় রয়েছে। এটা ইসিকে সংশোধন করতে বলা হয়েছে। দলীয় ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের সরাতে বলা হয়েছে। মোট চারটি বিষয় সমাধান করতে হবে। সমাধান করতে না পারলে ইসির পদত্যাগ করতে হবে। বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।
প্রতীকের বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের জন্য ৫০টি প্রতীক রয়েছে। এর মধ্যে আছে খাট, বেগুন। আমরা স্পষ্ট প্রশ্ন করেছি, কোন নীতিমালার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, ‘ইসি আইনগতভাবে যেকোনো প্রতীক বরাদ্দ দিতে পারে না। এটা আমরা ইসিকে জানিয়েছি।’
শাপলা প্রতীক নিয়ে এনসিপির দাবির বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে জানানো হয়েছে, এনসিপি শাপলা দাবি করলেও প্রতীক তালিকায় না থাকায় তা বরাদ্দ দেওয়া যাচ্ছে না।

শাপলা প্রতীকের বিষয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা বলেছেন, প্রতীক বাছাইয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।
আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এনসিপির প্রতিনিধিদল এসব কথা জানায়।
দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দেখছি, নির্বাচন কমিশন স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এই সিদ্ধান্তগুলো আসলে চাপিয়ে দেওয়া।’
প্রতীক বরাদ্দে ইসির কোনো ‘নীতিমালা নেই’ অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ইসিতে প্রাতিষ্ঠানিক অটোক্রেসি (স্বৈরতন্ত্র) তৈরি হয়েছে। তাদের মনোভাব দেখে তা-ই মনে হচ্ছে। বিদ্যমান দলগুলোকে যে মার্কা দেওয়া হয়েছে, কোনো নীতিমালার আওতায় তা করা হয় নাই। মধ্যযুগে বর্বর শাসনব্যবস্থা যেমন দেখতাম, রাজা যেমন ইচ্ছা করছে। রাজা-বাদশাদের আচরণের সঙ্গে তাদের (ইসি) সাদৃশ্য রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের রিমোট কন্ট্রোলটা অন্য জায়গায়, আগারগাঁওয়ে নেই। ইসি স্পাইনলেস (মেরুদণ্ডহীন)।’
বর্তমান ইসির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার ‘যোগ্যতা নেই’ বলেও মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, দলের পক্ষ থেকে ইসির চিঠির জবাব দিয়ে চারটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
নাসীরুদ্দীন বলেন, দেড় কোটি মৃত ও প্রবাসী ভোটার তালিকায় রয়েছে। এটা ইসিকে সংশোধন করতে বলা হয়েছে। দলীয় ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের সরাতে বলা হয়েছে। মোট চারটি বিষয় সমাধান করতে হবে। সমাধান করতে না পারলে ইসির পদত্যাগ করতে হবে। বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।
প্রতীকের বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের জন্য ৫০টি প্রতীক রয়েছে। এর মধ্যে আছে খাট, বেগুন। আমরা স্পষ্ট প্রশ্ন করেছি, কোন নীতিমালার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, ‘ইসি আইনগতভাবে যেকোনো প্রতীক বরাদ্দ দিতে পারে না। এটা আমরা ইসিকে জানিয়েছি।’
শাপলা প্রতীক নিয়ে এনসিপির দাবির বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে জানানো হয়েছে, এনসিপি শাপলা দাবি করলেও প্রতীক তালিকায় না থাকায় তা বরাদ্দ দেওয়া যাচ্ছে না।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে