নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারওয়ার তুষারের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তি হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান।
ওই বিবৃতিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফাও স্বাক্ষর করেছেন।
বিবৃতিতে ড. শহিদুল আলম বলেন, ‘রাষ্ট্রচিন্তার একজন সদস্য সারওয়ার তুষারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত যৌন নিপীড়ন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য হিসেবে আমরা ৩০ জানুয়ারি ২০২১ থেকে এক বছর কাজ করেছি এবং ৩০ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে সর্বসম্মতিক্রমে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিই। এই ধরনের তদন্তের রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংবেদনশীলতার কথা বিবেচনা করে তদন্ত প্রসঙ্গে আমরা কোনো পাবলিক প্ল্যাটফর্মে মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছি। এখনো থাকছি।’
তবে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তীকালে অভিযুক্ত ব্যক্তির/সারওয়ার তুষারের নেতা হিসেবে রাজনৈতিক উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগটির নিষ্পত্তি নিয়ে আমাদেরকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁদের প্রশ্নের জবাবে আমরা শুধু এটুকুই বলতে পারি যে আমাদের মতে অভিযোগটির গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তি হয়নি। আমাদের এই মতামত দ্রুত রাষ্ট্রচিন্তাকে জানিয়ে দিলেও তারা আমাদের মতামত গ্রাহ্য করেনি।
২০২১ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রচিন্তার অন্যতম সংগঠক সারোয়ার তুষারের বিষয়ে বীথি সপ্তর্ষি নামে এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে সংগঠনটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা তাসলিমাকে আহ্বায়ক করে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা, আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া (পরবর্তী সময়ে জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার স্থানে আইনজীবী সাদিয়া আরমান) এবং গবেষক দিলশানা পারুলের সমন্বয়ে গঠিত ৫ সদস্যের কমিটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারওয়ার তুষারের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তি হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান।
ওই বিবৃতিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফাও স্বাক্ষর করেছেন।
বিবৃতিতে ড. শহিদুল আলম বলেন, ‘রাষ্ট্রচিন্তার একজন সদস্য সারওয়ার তুষারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত যৌন নিপীড়ন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য হিসেবে আমরা ৩০ জানুয়ারি ২০২১ থেকে এক বছর কাজ করেছি এবং ৩০ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে সর্বসম্মতিক্রমে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিই। এই ধরনের তদন্তের রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংবেদনশীলতার কথা বিবেচনা করে তদন্ত প্রসঙ্গে আমরা কোনো পাবলিক প্ল্যাটফর্মে মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছি। এখনো থাকছি।’
তবে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তীকালে অভিযুক্ত ব্যক্তির/সারওয়ার তুষারের নেতা হিসেবে রাজনৈতিক উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগটির নিষ্পত্তি নিয়ে আমাদেরকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁদের প্রশ্নের জবাবে আমরা শুধু এটুকুই বলতে পারি যে আমাদের মতে অভিযোগটির গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তি হয়নি। আমাদের এই মতামত দ্রুত রাষ্ট্রচিন্তাকে জানিয়ে দিলেও তারা আমাদের মতামত গ্রাহ্য করেনি।
২০২১ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রচিন্তার অন্যতম সংগঠক সারোয়ার তুষারের বিষয়ে বীথি সপ্তর্ষি নামে এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে সংগঠনটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা তাসলিমাকে আহ্বায়ক করে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা, আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া (পরবর্তী সময়ে জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার স্থানে আইনজীবী সাদিয়া আরমান) এবং গবেষক দিলশানা পারুলের সমন্বয়ে গঠিত ৫ সদস্যের কমিটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
২ ঘণ্টা আগে