নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় গণফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় হয়।
মতবিনিময় শেষে গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘অনেক সুন্দর আলোচনা করেছেন। আমরা ওনার কাছে লিখিত প্রস্তাব দিয়েছি।’
ড. কামাল হোসেনের পক্ষে কথা বলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা গণফোরামের পক্ষ থেকে ২১টি দাবি উপস্থাপন করেছি। আমাদের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টা গ্রহণ করেছেন।’
গত ১৬ বছর স্বৈরাচার শাসনের মাধ্যমে দেশের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দলীয়করণের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে যে একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া আছে। তাতে তিনি ক্ষমতায় যাওয়ার পরে রাষ্ট্রের সকল কর্তৃত্ব তাঁর হাতে থাকে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে প্রস্তাব করেছি। সেই জন্য প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের প্রস্তাব গণফোরাম জানিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি বিগত নির্বাচনগুলো (দশম-দ্বাদশ) কখনো রাতে ভোট করা হয়েছে। কখনো প্রশাসনের মাধ্যমে একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকা হয়েছে। এতে সংবিধান অনুযায়ী ভোটাধিকার নিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তাই আমরা সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে বলেছি।
‘দেশের সম্পদ পাচার নিয়ে আমাদের নেতা কামাল হোসেন সব সময় সোচ্চার ছিলেন। কিন্তু সেই সরকার আমলে নেয় নাই। তাই আমরা বলেছি টাকা পাচার যারা করেছে, ব্যাংক দখল করেছে, সেই লুটেরাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আনতে হবে।’
বাংলাদেশ এখন অরক্ষিত হয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পুলিশ বলতে কিছুই নেই। গত ৫ তারিখ (৫ আগস্ট) পর্যন্ত তৎকালীন সরকার পুলিশকে যে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করেছে, মানুষকে শহীদ ও হত্যা করেছে। পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ, ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন। আমরা আহত ও নিহতদের তালিকা প্রণয়ন করে ক্ষতিপূরণের কথা বলেছি। পাশাপাশি থানা থেকে যে অস্ত্র লুট হয়েছে, তা উদ্ধারে দ্রুত অভিযান পরিচালনার জন্য বলেছি। সংস্কার করতে যে সময় প্রয়োজন তা বর্তমান সরকারকে দিতে চায় গণফোরাম। একই সঙ্গে সরকারকে দলটি সহযোগিতা করবে বলেও জানায়।’
সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সংশোধন করতে বলেছি।’
কীভাবে সংবিধান সংশোধন করে সামগ্রিক সংস্কার প্রশাসন, পুলিশসহ সর্বত্র আনা যায় সেই বিষয়ে কামাল হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি প্রস্তাবনা গণফোরাম জমা দেবে বলে জানান মিজানুর রহমান।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় গণফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় হয়।
মতবিনিময় শেষে গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘অনেক সুন্দর আলোচনা করেছেন। আমরা ওনার কাছে লিখিত প্রস্তাব দিয়েছি।’
ড. কামাল হোসেনের পক্ষে কথা বলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা গণফোরামের পক্ষ থেকে ২১টি দাবি উপস্থাপন করেছি। আমাদের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টা গ্রহণ করেছেন।’
গত ১৬ বছর স্বৈরাচার শাসনের মাধ্যমে দেশের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দলীয়করণের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে যে একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া আছে। তাতে তিনি ক্ষমতায় যাওয়ার পরে রাষ্ট্রের সকল কর্তৃত্ব তাঁর হাতে থাকে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে প্রস্তাব করেছি। সেই জন্য প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের প্রস্তাব গণফোরাম জানিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি বিগত নির্বাচনগুলো (দশম-দ্বাদশ) কখনো রাতে ভোট করা হয়েছে। কখনো প্রশাসনের মাধ্যমে একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকা হয়েছে। এতে সংবিধান অনুযায়ী ভোটাধিকার নিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তাই আমরা সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে বলেছি।
‘দেশের সম্পদ পাচার নিয়ে আমাদের নেতা কামাল হোসেন সব সময় সোচ্চার ছিলেন। কিন্তু সেই সরকার আমলে নেয় নাই। তাই আমরা বলেছি টাকা পাচার যারা করেছে, ব্যাংক দখল করেছে, সেই লুটেরাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আনতে হবে।’
বাংলাদেশ এখন অরক্ষিত হয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পুলিশ বলতে কিছুই নেই। গত ৫ তারিখ (৫ আগস্ট) পর্যন্ত তৎকালীন সরকার পুলিশকে যে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করেছে, মানুষকে শহীদ ও হত্যা করেছে। পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ, ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন। আমরা আহত ও নিহতদের তালিকা প্রণয়ন করে ক্ষতিপূরণের কথা বলেছি। পাশাপাশি থানা থেকে যে অস্ত্র লুট হয়েছে, তা উদ্ধারে দ্রুত অভিযান পরিচালনার জন্য বলেছি। সংস্কার করতে যে সময় প্রয়োজন তা বর্তমান সরকারকে দিতে চায় গণফোরাম। একই সঙ্গে সরকারকে দলটি সহযোগিতা করবে বলেও জানায়।’
সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সংশোধন করতে বলেছি।’
কীভাবে সংবিধান সংশোধন করে সামগ্রিক সংস্কার প্রশাসন, পুলিশসহ সর্বত্র আনা যায় সেই বিষয়ে কামাল হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি প্রস্তাবনা গণফোরাম জমা দেবে বলে জানান মিজানুর রহমান।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে