
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যাচেষ্টার নৃশংস ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ সোমবার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, গত শনিবার (১ মার্চ) সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় এই পাশবিক ঘটনা ঘটেছে। এই নৃশংসতা মানবিক মূল্যবোধকে চরমভাবে ভূলুণ্ঠিত করেছে এবং পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এই ঘটনাকে সামাজিক অবক্ষয়ের এক নির্মম চিত্র হিসেবে অভিহিত করেন।
জামায়াত নেতা বলেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর ওপর এমন পাশবিকতা কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিই নয়, বরং অপরাধীদের দুঃসাহসেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তারা মানবতার শত্রু। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে।
বিবৃতিতে অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুটির উন্নত চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শিশুটির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে মো. দেলাওয়ার হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
১৭ ঘণ্টা আগে
গুম প্রতিরোধের বাতিল করা অধ্যাদেশটি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে যারা গুমের সঙ্গে জড়িত তাদের হাতে তদন্তের দায়িত্ব না দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস। ওই দিন রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানে ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর।
১ দিন আগে
শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই নৃশংসতার শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের অসংখ্য নাগরিক। তাঁদের অনেকেই এখনো নিখোঁজ। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন...
২ দিন আগে