নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে চাইলে, আগে তাঁকে কারাগারে ফিরে সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। সরকারের নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিতের পর জেলের বাইরে থেকে প্রচলিত আইনে বিদেশ যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন।
শনিবার ঢাকায় একটি হোটেল এক কর্মশালায় আনিসুল হক বলেন, ‘এখন তাঁরা (খালেদা জিয়াকে) বিদেশ নিতে অনুমতি চায়। যে আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে, সেটি পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা আইনে আমাদের দেওয়া হয়নি। তাহলে উনাদের কী করতে হবে? তাঁদেরকে আবার আবেদন করতে হবে। আর আবেদন করতে হলে আগের আবেদনটি বাতিল করতে হবে এবং উনাকে (খালেদা জিয়া) আবার জেলে যেতে হবে।’
আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, যে কারও সাজা মওকুফের ক্ষমতা সরকারের আছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় এ সংক্রান্ত ছয়টি উপধারা আছে। একজনের সাজা শর্ত ছাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করতে পারে অথবা শর্ত ছাড়া কিছুটা মওকুফ করতে পারে। আবার শর্ত সাপেক্ষে পুরোটা মওকুফ করতে পারে কিংবা কিছুটা মওকুফ করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, ৪০১ ধারায় কোথাও বলা নাই, একটা আবেদন যখন নিষ্পত্তি করে ফেলা হয়, সেই আবেদনটিকে আবার রিকনসিডার করতে পারবে। তার মানে হচ্ছে আবেদনটি রিকনসিডার করার কোনো সুযোগ নাই। ৪০১ ধারায় সরকারের ক্ষমতার কথা বলা আছে। এই ধারা সংস্কারের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এটা ব্যবহার করে থাকে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী থেকে অনুমতি নিতে হয়। আর মতামত নিতে হয় আইন মন্ত্রণালয়ের।
খালেদা জিয়ার মামলার ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়েছে জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, উনার আত্মীয়-স্বজনদের পক্ষ থেকে যখন আবেদন করা হলো, তখন তাঁর সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিলাম। তার মানে, খালেদা জিয়ার পক্ষে যে আবেদনটা করা হয়েছিল, সেটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছর করোনা সংক্রমণের মধ্যে পরিবারের আবেদনে সরকার খালেদা জিয়ার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে তাঁকে সাময়িক মুক্তি দেয়। খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার বিদেশ নিতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলেও তা নাকচ করে দেয় সরকার।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে চাইলে, আগে তাঁকে কারাগারে ফিরে সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। সরকারের নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিতের পর জেলের বাইরে থেকে প্রচলিত আইনে বিদেশ যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন।
শনিবার ঢাকায় একটি হোটেল এক কর্মশালায় আনিসুল হক বলেন, ‘এখন তাঁরা (খালেদা জিয়াকে) বিদেশ নিতে অনুমতি চায়। যে আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে, সেটি পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা আইনে আমাদের দেওয়া হয়নি। তাহলে উনাদের কী করতে হবে? তাঁদেরকে আবার আবেদন করতে হবে। আর আবেদন করতে হলে আগের আবেদনটি বাতিল করতে হবে এবং উনাকে (খালেদা জিয়া) আবার জেলে যেতে হবে।’
আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, যে কারও সাজা মওকুফের ক্ষমতা সরকারের আছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় এ সংক্রান্ত ছয়টি উপধারা আছে। একজনের সাজা শর্ত ছাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করতে পারে অথবা শর্ত ছাড়া কিছুটা মওকুফ করতে পারে। আবার শর্ত সাপেক্ষে পুরোটা মওকুফ করতে পারে কিংবা কিছুটা মওকুফ করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, ৪০১ ধারায় কোথাও বলা নাই, একটা আবেদন যখন নিষ্পত্তি করে ফেলা হয়, সেই আবেদনটিকে আবার রিকনসিডার করতে পারবে। তার মানে হচ্ছে আবেদনটি রিকনসিডার করার কোনো সুযোগ নাই। ৪০১ ধারায় সরকারের ক্ষমতার কথা বলা আছে। এই ধারা সংস্কারের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এটা ব্যবহার করে থাকে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী থেকে অনুমতি নিতে হয়। আর মতামত নিতে হয় আইন মন্ত্রণালয়ের।
খালেদা জিয়ার মামলার ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়েছে জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, উনার আত্মীয়-স্বজনদের পক্ষ থেকে যখন আবেদন করা হলো, তখন তাঁর সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিলাম। তার মানে, খালেদা জিয়ার পক্ষে যে আবেদনটা করা হয়েছিল, সেটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছর করোনা সংক্রমণের মধ্যে পরিবারের আবেদনে সরকার খালেদা জিয়ার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে তাঁকে সাময়িক মুক্তি দেয়। খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার বিদেশ নিতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলেও তা নাকচ করে দেয় সরকার।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে