নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারের নির্বাহী আদেশে কারাগারের বাইরে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আবার জেলে ঢোকানো হবে কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে বলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন।
বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মনে হচ্ছে খালেদা জিয়া আদালত কর্তৃক জামিন না পাওয়া সত্ত্বেও বা আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে যে মহানুভবতা দেখিয়ে কারাগারের বাইরে রাখা হয়েছে, মনে হয় সেটি ভুল হচ্ছে আমাদের। এখন সেটি আবার পুনর্বিবেচনা করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়াকে আইন অনুযায়ী আবার জেলখানায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না, সেটি একটু চিন্তাভাবনা করতে হবে।’
সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নবনির্বাচিত কমিটির নেতারা আজ সোমবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তথ্যসচিব মো. মকবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির দুজন নেতার পদত্যাগ নিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি একটি বহতা নদীর মতো, নদীতে স্রোত আসবে যাবে, তেমনি দলেও নেতা আসবে যাবে। ব্যক্তিগত ও শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে গত ২৮ জুন দল থেকে পদত্যাগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হানিফ ও কর্নেল (অব.) মো. শাহজাহান মিয়া।
এ নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেভাবে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে দুজন পদত্যাগ করলেন, এতে মনে হচ্ছে বিএনপি থেকে এখন পলায়ন শুরু হয়েছে। বিএনপি একসময় বহতা নদীর মতোই ছিল। যে নদী এখন শুকিয়ে গেছে, মরে গেছে।’
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে শালীনতাবিবর্জিত বলে দাবি করেছে বিএনপি। এ নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিছু অপ্রিয় সত্য কথা সংসদে বলেছেন। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমান অস্ত্রের জোরে ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেছিলেন। এই রাজনৈতিক দলটির জন্মই হচ্ছে অবৈধ, যেটি হাইকোর্টও রায়ে বলেছেন।
‘ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেছেন এটি বলাতে মির্জা ফখরুলদের গাত্রদাহ হচ্ছে, এটি খুবই স্বাভাবিক। কারণ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির প্রথম সারির নেতারা সবাই অন্য দল করতেন। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করার জন্য মির্জা ফখরুল, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, রিজভী আহমেদসহ সবাই বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিএনপির সত্যটাকে মেন নেওয়া প্রয়োজন। অসত্যের ওপর দাঁড়িয়ে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না।’
মির্জা ফখরুলকে দলের নেতাদের শালীনতা শেখানোর আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী যখন ফোন করেছিলেন তখন কী রকম অশালীন ভাষায় খালেদা জিয়া কথা বলেছিলেন দেশবাসী তা দেখেছেন। তাঁর ছেলে কোকোর মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী সমবেদনা জানানোর জন্য খালেদা জিয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০ মিনিট দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকলেন কিন্তু খালেদা জিয়া দরজা খোলেননি, এটা কেমন শালীনতা? যারা এ রকম অশালীন আচরণ করে, তাদের মুখে শালীনতা শব্দটি মানায় না।
বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সংগঠনের কার্যালয় সংস্কার, সেখানে মিডিয়া সেল স্থাপন এবং সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার দাবি জানান বিএসআরএফের সভাপতি। তথ্যমন্ত্রী এসব বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বিএসআরএফের সদস্যদের সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অসংগতিগুলো তুলে ধরার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের অনেক সফলতা আছে। সেই গল্পগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে মানুষকে আশাবাদী করতে হবে। ভুল রিপোর্ট যেন প্রকাশিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে কোনো তথ্য তিনবার পরীক্ষা করতে হবে।

সরকারের নির্বাহী আদেশে কারাগারের বাইরে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আবার জেলে ঢোকানো হবে কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে বলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন।
বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মনে হচ্ছে খালেদা জিয়া আদালত কর্তৃক জামিন না পাওয়া সত্ত্বেও বা আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে যে মহানুভবতা দেখিয়ে কারাগারের বাইরে রাখা হয়েছে, মনে হয় সেটি ভুল হচ্ছে আমাদের। এখন সেটি আবার পুনর্বিবেচনা করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়াকে আইন অনুযায়ী আবার জেলখানায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না, সেটি একটু চিন্তাভাবনা করতে হবে।’
সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নবনির্বাচিত কমিটির নেতারা আজ সোমবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তথ্যসচিব মো. মকবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির দুজন নেতার পদত্যাগ নিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি একটি বহতা নদীর মতো, নদীতে স্রোত আসবে যাবে, তেমনি দলেও নেতা আসবে যাবে। ব্যক্তিগত ও শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে গত ২৮ জুন দল থেকে পদত্যাগ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হানিফ ও কর্নেল (অব.) মো. শাহজাহান মিয়া।
এ নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেভাবে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে দুজন পদত্যাগ করলেন, এতে মনে হচ্ছে বিএনপি থেকে এখন পলায়ন শুরু হয়েছে। বিএনপি একসময় বহতা নদীর মতোই ছিল। যে নদী এখন শুকিয়ে গেছে, মরে গেছে।’
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে শালীনতাবিবর্জিত বলে দাবি করেছে বিএনপি। এ নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিছু অপ্রিয় সত্য কথা সংসদে বলেছেন। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমান অস্ত্রের জোরে ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেছিলেন। এই রাজনৈতিক দলটির জন্মই হচ্ছে অবৈধ, যেটি হাইকোর্টও রায়ে বলেছেন।
‘ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেছেন এটি বলাতে মির্জা ফখরুলদের গাত্রদাহ হচ্ছে, এটি খুবই স্বাভাবিক। কারণ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির প্রথম সারির নেতারা সবাই অন্য দল করতেন। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করার জন্য মির্জা ফখরুল, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, রিজভী আহমেদসহ সবাই বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিএনপির সত্যটাকে মেন নেওয়া প্রয়োজন। অসত্যের ওপর দাঁড়িয়ে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না।’
মির্জা ফখরুলকে দলের নেতাদের শালীনতা শেখানোর আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী যখন ফোন করেছিলেন তখন কী রকম অশালীন ভাষায় খালেদা জিয়া কথা বলেছিলেন দেশবাসী তা দেখেছেন। তাঁর ছেলে কোকোর মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী সমবেদনা জানানোর জন্য খালেদা জিয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০ মিনিট দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকলেন কিন্তু খালেদা জিয়া দরজা খোলেননি, এটা কেমন শালীনতা? যারা এ রকম অশালীন আচরণ করে, তাদের মুখে শালীনতা শব্দটি মানায় না।
বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সংগঠনের কার্যালয় সংস্কার, সেখানে মিডিয়া সেল স্থাপন এবং সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার দাবি জানান বিএসআরএফের সভাপতি। তথ্যমন্ত্রী এসব বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বিএসআরএফের সদস্যদের সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অসংগতিগুলো তুলে ধরার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের অনেক সফলতা আছে। সেই গল্পগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে মানুষকে আশাবাদী করতে হবে। ভুল রিপোর্ট যেন প্রকাশিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে কোনো তথ্য তিনবার পরীক্ষা করতে হবে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে