নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করাসহ ৩০ দফা দাবি নিয়ে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। শিক্ষা বাজেট অগ্রাধিকার, নারী শিক্ষার প্রসারে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত, ছাত্ররাজনীতির যথাযথ চর্চা ও নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কথাও সেখানে বলা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে কেন্দ্রীয় ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।
এ সময় প্রকাশিত জুলাই ঘোষণাপত্রে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করে জুলাই সনদ প্রণয়ন ও এর আইনি ভিত্তি দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় ছাত্রশিবির।
প্রস্তাবে পাঠ্যক্রম, শিক্ষানীতি, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, উচ্চশিক্ষা, ছাত্র সংসদ, মাদ্রাসা শিক্ষা, দক্ষতা, মূল্যায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং বিবিধ বিষয়ে মোট ৩০ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
সমৃদ্ধ জাতি গঠনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র শিক্ষাব্যবস্থা বরাবরের মতোই ‘উপেক্ষিত’ হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন জাহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘ঔপনিবেশিক মনোভাব, পাশ্চাত্য সভ্যতার আগ্রাসন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রভাব এ দেশের নিজস্ব শিক্ষা কাঠামো তৈরিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৭২ সালে ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন স্বাধীনতার মূলমন্ত্র (সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার) উপেক্ষা করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে, যা ছিল দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষা, চিন্তাচেতনা, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক জীবনবোধের পরিপন্থী।
‘এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে যে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল, তাদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থ ও সুবিধা রক্ষায় বিভিন্ন সময়ে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তন করা জরুরি, যার মাধ্যমে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধকে জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।’
শিবিরের এই নেতা লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘ইউনেসকোর সুপারিশ অনুযায়ী একটি দেশের শিক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত জিডিপির ন্যূনতম ৬ শতাংশ; কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই হার ২ শতাংশেরও কম। এশিয়ার অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে আমাদের শিক্ষা খাতের করুণ অবস্থা আরও ন্যক্কারজনকভাবে ফুটে ওঠে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করাসহ ৩০ দফা দাবি নিয়ে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। শিক্ষা বাজেট অগ্রাধিকার, নারী শিক্ষার প্রসারে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত, ছাত্ররাজনীতির যথাযথ চর্চা ও নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কথাও সেখানে বলা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে কেন্দ্রীয় ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।
এ সময় প্রকাশিত জুলাই ঘোষণাপত্রে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করে জুলাই সনদ প্রণয়ন ও এর আইনি ভিত্তি দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় ছাত্রশিবির।
প্রস্তাবে পাঠ্যক্রম, শিক্ষানীতি, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, উচ্চশিক্ষা, ছাত্র সংসদ, মাদ্রাসা শিক্ষা, দক্ষতা, মূল্যায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং বিবিধ বিষয়ে মোট ৩০ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
সমৃদ্ধ জাতি গঠনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র শিক্ষাব্যবস্থা বরাবরের মতোই ‘উপেক্ষিত’ হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন জাহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘ঔপনিবেশিক মনোভাব, পাশ্চাত্য সভ্যতার আগ্রাসন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রভাব এ দেশের নিজস্ব শিক্ষা কাঠামো তৈরিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৭২ সালে ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন স্বাধীনতার মূলমন্ত্র (সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার) উপেক্ষা করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে, যা ছিল দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষা, চিন্তাচেতনা, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক জীবনবোধের পরিপন্থী।
‘এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে যে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল, তাদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থ ও সুবিধা রক্ষায় বিভিন্ন সময়ে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তন করা জরুরি, যার মাধ্যমে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধকে জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।’
শিবিরের এই নেতা লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘ইউনেসকোর সুপারিশ অনুযায়ী একটি দেশের শিক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত জিডিপির ন্যূনতম ৬ শতাংশ; কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই হার ২ শতাংশেরও কম। এশিয়ার অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে আমাদের শিক্ষা খাতের করুণ অবস্থা আরও ন্যক্কারজনকভাবে ফুটে ওঠে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে— কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে