
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতিহিংসাপরায়ণ ও হিংসাত্মক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ এই ঘটনা—যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ন করেছে।
আজ বুধবার এক বিবৃতিতে রিজভী বলেন, জেএফকে বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার অপচেষ্টা করেছেন ফ্যাসিস্ট হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া কিছু পাণ্ডা। ফ্যাসিস্ট হাসিনার পাণ্ডাদের কর্তৃক ড. ইউনূসকে হেনস্তা বাংলাদেশ থেকে পলায়ন করা পতিত ফ্যাসিস্টদের অনুশোচনার অভাব ও দেশবিরোধী কার্যকলাপের ধারাবাহিকতারই অংশ। ড. ইউনূসের প্রতি এই অসম্মানজনক আচরণ পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোবৃত্তিরই বহিঃপ্রকাশ।
রিজভী বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার কারণেই জেএফকে বিমানবন্দরে প্রফেসর ইউনূসের ওপর আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। ড. ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টাই ছিলেন না, তিনি নোবেল লরিয়েট ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূস সাহেবের প্রতি অসদাচরণই করা হয়নি, বরং বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে হেয় করা হয়েছে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ‘আওয়ামী দুঃশাসনে দেশ ছিল গুম-খুন ও গুপ্তহত্যার এক অরাজক পরিস্থিতি। সেই অপশাসনের সহযোগী দুষ্কৃতকারীরা দেশে-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারাই ড. ইউনূস এর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে। বিদেশের মাটিতে সংঘটিত এই অপ্রীতিকর ঘটনা বাংলাদেশের জনগণের মনে এই ধারণাকে আরও বেশি পাকাপোক্ত করল যে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই বছর পরও আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তপরায়ণ মনোভাব ও হিংসাশ্রয়ী আচরণের কোনো কমতি হয়নি।’

ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা না হলেও ইতিমধ্যে অধিকাংশ ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে সংসদে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। এই নির্বাচনে ভালো ফল করতে কয়েক মাস আগে থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার চালাচ্ছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। তবে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে
১২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে নয়, নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোনো এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনসিপি-সমর্থিত প্রার্থীরা অন্য
১২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে নিজেদের জন্য দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। একদিকে সরকার হিসেবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা, অন্যদিকে দল হিসেবে নির্বাচনে সফল হতে স্থানীয় পর্যায়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতিযোগিতা, নেতাদের প্রভাব বিস্তার এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দিতে হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
গত ১৫ মে এনসিপির সাধারণ সভায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ও কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। মুখ্য সমন্বয়ক, মুখ্য সংগঠক, মুখপাত্র পদ বিলুপ্ত করারও সিদ্ধান্ত হয় ওই সভায়। এরপর গত ১১ অক্টোবর এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে কেন্দ্রীয় কমিটির তালিকা চূড়ান্ত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে