নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ গণতন্ত্রবিরোধী ও স্বৈরতন্ত্রের ভিত্তি আখ্যা দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এমপিরা হাত তোলা এমপি। তারা জনগণ দ্বারা নির্বাচিত হয়, কিন্তু পার্লামেন্টে গিয়ে দলের বাইরে কোনো ভূমিকা রাখার কোনো সুযোগ নাই। এখানে তো একটা বিরাট দ্বন্দ্ব! দল আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে, জনগণ কিন্তু আপনাকে নির্বাচিত করেছে। তাহলে এখানে কে প্রাধান্য পাবে? যদি জনগণ প্রাধান্য পায়, তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ থাকতে পারে না। ৭০ অনুচ্ছেদ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটা সম্পূর্ণ বিরোধী জিনিস এবং এটাই যে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম একটা ভিত্তি, সেই আলোচনাটা আমরা করতে পারব।’
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ইউনিয়ন সদস্য সংস্থা (বাইসস) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাইসসের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহমেদ আব্দুল কাইয়ুম, বাইসসের মহাসচিব এম সাইফুল ইসলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকারব্যবস্থা হবে ভিত্তি, ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকবে। রিপাবলিক যদি করতে চান, ক্ষমতা জনগণের হাতে দিতে হবে এবং এ জন্য গ্রাম পর্যন্ত ক্ষমতা যেতে হবে। সেটা করতে গেলে গ্রামের যারা জনপ্রতিনিধি, তাদের হাতে গ্রামের উন্নয়ন, কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সেবা, আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা এগুলো ছাড়তে হবে। এবং আপনার তার জন্য যে বাজেট, কর সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এগুলো কাঠামোগত জায়গায় নিতে হবে। এমপিতন্ত্র কায়েম রাখলে এটা হবে না।’
সাকি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সব সময়ই বলি, আপনারা কিছু সিগনেচার ওয়ার্ক করেন। যতটুক সময় পাবেন, এই সময়ের মধ্যে আপনারা সব সমস্যার সমাধান করতে পারবেন না। কেউ প্রত্যাশাও করে না। আপনারা যেটা করতে পারবেন, অনেকগুলো বড় জায়গায় হাত দিতে পারেন। বড়, ছোট, যেগুলো মানুষের জীবনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এবং সেই সব কাজ যেগুলো মানুষের কাছে অসম্ভব মনে হতো, যেগুলো মনে হতো যে বাংলাদেশে কোনোদিন বদলাবে না, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে সেটা যে পরিবর্তন করা সম্ভব, এইটা মানুষ উপলব্ধি করবে। ফলে মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা কিন্তু ভিন্ন জায়গায় চলে যাবে। এবং পরবর্তীতে কোনো সরকার আর মানুষের দুর্দশাকে দিনের পর দিন পুঁজি করতে পারত না।’
জনপ্রশাসনের সমালোচনা করে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনি একজন নাগরিক হিসেবে ইউএনও অফিসে যাচ্ছেন, একজন এসিল্যান্ডের কাছে যাচ্ছেন, আপনি একটু সম্মানের সহিত তার কাছ থেকে একটা ব্যবহার পাচ্ছেন? আপনার আম পাবলিকের কি কোনো পাত্তা আছে? মেম্বার-চেয়ারম্যানদের অনেক ক্ষেত্রে পাত্তা নাই, যদিও তারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আমরা যদি দেখতাম যে, এই জনপ্রশাসনকে জনবান্ধব করা হয়েছে, যে প্রকৃত অর্থে তারা প্রজাতন্ত্রের সেবক, অন্তর্বর্তী সরকার এসে একটা বিশাল পরিবর্তন এনেছে, তাহলে মানুষ সন্তুষ্ট হতো।’

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ গণতন্ত্রবিরোধী ও স্বৈরতন্ত্রের ভিত্তি আখ্যা দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এমপিরা হাত তোলা এমপি। তারা জনগণ দ্বারা নির্বাচিত হয়, কিন্তু পার্লামেন্টে গিয়ে দলের বাইরে কোনো ভূমিকা রাখার কোনো সুযোগ নাই। এখানে তো একটা বিরাট দ্বন্দ্ব! দল আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে, জনগণ কিন্তু আপনাকে নির্বাচিত করেছে। তাহলে এখানে কে প্রাধান্য পাবে? যদি জনগণ প্রাধান্য পায়, তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ থাকতে পারে না। ৭০ অনুচ্ছেদ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটা সম্পূর্ণ বিরোধী জিনিস এবং এটাই যে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম একটা ভিত্তি, সেই আলোচনাটা আমরা করতে পারব।’
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ইউনিয়ন সদস্য সংস্থা (বাইসস) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাইসসের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহমেদ আব্দুল কাইয়ুম, বাইসসের মহাসচিব এম সাইফুল ইসলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকারব্যবস্থা হবে ভিত্তি, ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকবে। রিপাবলিক যদি করতে চান, ক্ষমতা জনগণের হাতে দিতে হবে এবং এ জন্য গ্রাম পর্যন্ত ক্ষমতা যেতে হবে। সেটা করতে গেলে গ্রামের যারা জনপ্রতিনিধি, তাদের হাতে গ্রামের উন্নয়ন, কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সেবা, আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা এগুলো ছাড়তে হবে। এবং আপনার তার জন্য যে বাজেট, কর সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এগুলো কাঠামোগত জায়গায় নিতে হবে। এমপিতন্ত্র কায়েম রাখলে এটা হবে না।’
সাকি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সব সময়ই বলি, আপনারা কিছু সিগনেচার ওয়ার্ক করেন। যতটুক সময় পাবেন, এই সময়ের মধ্যে আপনারা সব সমস্যার সমাধান করতে পারবেন না। কেউ প্রত্যাশাও করে না। আপনারা যেটা করতে পারবেন, অনেকগুলো বড় জায়গায় হাত দিতে পারেন। বড়, ছোট, যেগুলো মানুষের জীবনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এবং সেই সব কাজ যেগুলো মানুষের কাছে অসম্ভব মনে হতো, যেগুলো মনে হতো যে বাংলাদেশে কোনোদিন বদলাবে না, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে সেটা যে পরিবর্তন করা সম্ভব, এইটা মানুষ উপলব্ধি করবে। ফলে মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা কিন্তু ভিন্ন জায়গায় চলে যাবে। এবং পরবর্তীতে কোনো সরকার আর মানুষের দুর্দশাকে দিনের পর দিন পুঁজি করতে পারত না।’
জনপ্রশাসনের সমালোচনা করে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনি একজন নাগরিক হিসেবে ইউএনও অফিসে যাচ্ছেন, একজন এসিল্যান্ডের কাছে যাচ্ছেন, আপনি একটু সম্মানের সহিত তার কাছ থেকে একটা ব্যবহার পাচ্ছেন? আপনার আম পাবলিকের কি কোনো পাত্তা আছে? মেম্বার-চেয়ারম্যানদের অনেক ক্ষেত্রে পাত্তা নাই, যদিও তারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আমরা যদি দেখতাম যে, এই জনপ্রশাসনকে জনবান্ধব করা হয়েছে, যে প্রকৃত অর্থে তারা প্রজাতন্ত্রের সেবক, অন্তর্বর্তী সরকার এসে একটা বিশাল পরিবর্তন এনেছে, তাহলে মানুষ সন্তুষ্ট হতো।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৭ ঘণ্টা আগে