নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় শোক দিবসে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ছাত্রলীগ।
সোমবার সকাল ৯টার আগে সংগঠনের নেতা কর্মীদের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিতে আসেন সংগঠনের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা কর্মীরা।
জানা গেছে, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সময় কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবকেরা বারবার মাইকে ছাত্রলীগের সভাপতি জয়, মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিতের নাম ধরে দ্রুত ফুল দিয়ে স্থান ত্যাগ করতে বলছিলেন। মাইকে থাকা স্বেচ্ছাসেবক কমিটির নেতারা এ সময় বলতে থাকেন, ‘ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন, তাই দয়া করে তোমরা বিশৃঙ্খলা করবে না’, ‘হয় ফুল দাও, নয়তো স্থান ত্যাগ কর’ ইত্যাদি। পরে একসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিষয়টি নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে কল দেওয়া হলেও তাঁরা তা রিসিভ করেননি।
আজ সোমবার সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে প্রথমে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা ছেড়ে গেলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, শ্রমিক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-অধিদপ্তর, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ছাত্রলীগ।
সোমবার সকাল ৯টার আগে সংগঠনের নেতা কর্মীদের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিতে আসেন সংগঠনের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা কর্মীরা।
জানা গেছে, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সময় কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবকেরা বারবার মাইকে ছাত্রলীগের সভাপতি জয়, মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিতের নাম ধরে দ্রুত ফুল দিয়ে স্থান ত্যাগ করতে বলছিলেন। মাইকে থাকা স্বেচ্ছাসেবক কমিটির নেতারা এ সময় বলতে থাকেন, ‘ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন, তাই দয়া করে তোমরা বিশৃঙ্খলা করবে না’, ‘হয় ফুল দাও, নয়তো স্থান ত্যাগ কর’ ইত্যাদি। পরে একসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিষয়টি নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে কল দেওয়া হলেও তাঁরা তা রিসিভ করেননি।
আজ সোমবার সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে প্রথমে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা ছেড়ে গেলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, শ্রমিক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-অধিদপ্তর, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
১ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে