নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির আন্দোলনের মুরোদ নেই, লোকবল নেই। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের এমন সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সাম্প্রতিক সময়ে রাস্তায় আন্দোলনে দলটির অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর গুলি ও নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে সরকার এবং আওয়ামী লীগকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, মাত্রতো রিহার্সাল, ফাইনাল খেলা এখনো শুরু হয়নি।
আজ বুধবার রাজধানীর মিরপুর ৬ নম্বরের বায়তুল মোশাররফ মসজিদ এলাকায় আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন দেখেন নাই? ২০১৩ সালের আন্দোলন দেখেন নাই? ২০১৫ সালের আন্দোলন দেখেন নাই? আর এদিকে ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনের মুরাদ নাই, লোক সমাগম করার মুরাদ নাই। আরও কত কথা কয়। এখন যখন আমরা রাস্তায় নেমেছি তখন এত কা কা করেন কেন? মাত্রতো রিহার্সাল, ফাইনাল খেলায়তো আমাদের কর্মীরা নামেই নাই।’
যদি চিকন লাঠিতে না পোষায় এরপরে মোটা লাঠি নিয়ে রাস্তায় থাকার আহ্বান জানিয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমার ভাই মরেছে, মরতে হয় আমিও মরব। তবে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে রক্তের ঋণ পরিশোধ করব। প্রত্যেকের হাতে লাঠি থাকবে, কেন থাকবে? আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে নেতা-কর্মীদের আত্মরক্ষার জন্য, কাউকে আঘাত করার জন্য নয়। তবে আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত করতে হবে। সেখানেতো ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এই আন্দোলন দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে। এই সরকার কোনো কিছুর দাম কমাবে না। তাই প্রথম দায়িত্ব এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানো। ভবিষ্যতে যারা সরকারে আসবে তারা এসে জিনিসপত্রের দাম কমাবে। তারা এসে আইনের শাসন কায়েম করবে, তারা এসে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। সুতরাং যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় তাদের কাছে কোনো কিছুর দাবি নাই জনগণের দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ। জনগণের দাবি এক, ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ। জনগণের দাবি এক, খুনি সরকারের পদত্যাগ।
নির্বাচনের আগে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন কেনাকে দলের লোককে সুবিধা দিয়ে লুটেপুটে খাওয়ার প্রকল্প উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতি হলো নির্বাচনের আগে কিছু টাকা লুট করা। ৫০০ শতাংশ অতিরিক্ত দামে ইভিএম মেশিন কেনা কিছু লোককে সুবিধা দেওয়া। কিছু লোককে লুটপাট করার সুযোগ করে দেওয়া। আমরা যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না তাই ইভিএম নিয়ে কোনো কথা নয়। আমরা নির্বাচন করব কখন? এই সরকারের পতন নিশ্চিত করে। আমরা কখন নির্বাচন করব, যখন পার্লামেন্ট উন্মুক্ত হবে। আমরা কখন নির্বাচন করব, যখন নির্বাচন কমিশন পদত্যাগ করতে বাধ্য হবে।’
সমাবেশে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠি নিয়ে অবস্থান করতে দেখা গেছে। পুলিশ ছিল সতর্ক অবস্থায় এবং প্রস্তুত রাখা হয়েছিল জল কামানের গাড়ি ও সাঁজোয়া যান।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুব মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিমুদ্দিন আলম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য তাবিথ আউয়াল প্রমুখ।

বিএনপির আন্দোলনের মুরোদ নেই, লোকবল নেই। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের এমন সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সাম্প্রতিক সময়ে রাস্তায় আন্দোলনে দলটির অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর গুলি ও নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে সরকার এবং আওয়ামী লীগকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, মাত্রতো রিহার্সাল, ফাইনাল খেলা এখনো শুরু হয়নি।
আজ বুধবার রাজধানীর মিরপুর ৬ নম্বরের বায়তুল মোশাররফ মসজিদ এলাকায় আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন দেখেন নাই? ২০১৩ সালের আন্দোলন দেখেন নাই? ২০১৫ সালের আন্দোলন দেখেন নাই? আর এদিকে ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনের মুরাদ নাই, লোক সমাগম করার মুরাদ নাই। আরও কত কথা কয়। এখন যখন আমরা রাস্তায় নেমেছি তখন এত কা কা করেন কেন? মাত্রতো রিহার্সাল, ফাইনাল খেলায়তো আমাদের কর্মীরা নামেই নাই।’
যদি চিকন লাঠিতে না পোষায় এরপরে মোটা লাঠি নিয়ে রাস্তায় থাকার আহ্বান জানিয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমার ভাই মরেছে, মরতে হয় আমিও মরব। তবে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে রক্তের ঋণ পরিশোধ করব। প্রত্যেকের হাতে লাঠি থাকবে, কেন থাকবে? আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে নেতা-কর্মীদের আত্মরক্ষার জন্য, কাউকে আঘাত করার জন্য নয়। তবে আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত করতে হবে। সেখানেতো ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এই আন্দোলন দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে। এই সরকার কোনো কিছুর দাম কমাবে না। তাই প্রথম দায়িত্ব এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানো। ভবিষ্যতে যারা সরকারে আসবে তারা এসে জিনিসপত্রের দাম কমাবে। তারা এসে আইনের শাসন কায়েম করবে, তারা এসে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। সুতরাং যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় তাদের কাছে কোনো কিছুর দাবি নাই জনগণের দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ। জনগণের দাবি এক, ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ। জনগণের দাবি এক, খুনি সরকারের পদত্যাগ।
নির্বাচনের আগে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন কেনাকে দলের লোককে সুবিধা দিয়ে লুটেপুটে খাওয়ার প্রকল্প উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতি হলো নির্বাচনের আগে কিছু টাকা লুট করা। ৫০০ শতাংশ অতিরিক্ত দামে ইভিএম মেশিন কেনা কিছু লোককে সুবিধা দেওয়া। কিছু লোককে লুটপাট করার সুযোগ করে দেওয়া। আমরা যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না তাই ইভিএম নিয়ে কোনো কথা নয়। আমরা নির্বাচন করব কখন? এই সরকারের পতন নিশ্চিত করে। আমরা কখন নির্বাচন করব, যখন পার্লামেন্ট উন্মুক্ত হবে। আমরা কখন নির্বাচন করব, যখন নির্বাচন কমিশন পদত্যাগ করতে বাধ্য হবে।’
সমাবেশে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠি নিয়ে অবস্থান করতে দেখা গেছে। পুলিশ ছিল সতর্ক অবস্থায় এবং প্রস্তুত রাখা হয়েছিল জল কামানের গাড়ি ও সাঁজোয়া যান।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুব মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিমুদ্দিন আলম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য তাবিথ আউয়াল প্রমুখ।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৩ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৫ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১৫ ঘণ্টা আগে