নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন ছাড়া দেশে অরাজকতা তৈরি হবে এবং এর ফলে ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থান ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র ও জাতীয় সনদ গ্রহণের পর নির্বাচনই জাতির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) জেএসডি স্থায়ী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে আ স ম আবদুর রব এসব কথা বলেন।
উত্তরার বাসভবনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, স্থায়ী কমিটির সদস্য মিসেস তানিয়া রব, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজ মিয়া, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী প্রমুখ।
জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘রক্তাক্ত জুলাইর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান জাতিকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। জুলাই ঘোষণাপত্র ও জাতীয় সনদ গৃহীত হওয়ার পর নির্বাচনই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার রক্ষাকবচ নিশ্চিত করার মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন।’
আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘নির্বাচনবিহীন ফ্যাসিবাদী সরকার উৎখাতের পর রাষ্ট্রীয় রাজনীতির মৌলিক পরিবর্তনের অভিপ্রায়মুখী জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্যই নির্বাচন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান শুধু একটি রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়; এটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সাংবিধানিক নির্দেশনা এবং ফ্যাসিবাদী প্রভাব প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ। অরাজকতা বা নির্বাচনের বিরোধিতা ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।’
সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নৈতিক নির্দেশনা আমাদের সামনে এই শিক্ষা দিয়েছে যে রাষ্ট্র কারও একার নয়, বরং জনগণের সম্মিলিত সম্পদ। রাষ্ট্র পরিচালনায় শ্রমজীবী কর্মজীবী পেশাজীবী, নারী, ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসহ সমাজশক্তি তথা সব অংশীজনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচনকে আন্দোলন ও সংগ্রামের কৌশল হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।’

নির্বাচন ছাড়া দেশে অরাজকতা তৈরি হবে এবং এর ফলে ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থান ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র ও জাতীয় সনদ গ্রহণের পর নির্বাচনই জাতির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) জেএসডি স্থায়ী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে আ স ম আবদুর রব এসব কথা বলেন।
উত্তরার বাসভবনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, স্থায়ী কমিটির সদস্য মিসেস তানিয়া রব, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজ মিয়া, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী প্রমুখ।
জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘রক্তাক্ত জুলাইর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান জাতিকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। জুলাই ঘোষণাপত্র ও জাতীয় সনদ গৃহীত হওয়ার পর নির্বাচনই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার রক্ষাকবচ নিশ্চিত করার মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন।’
আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘নির্বাচনবিহীন ফ্যাসিবাদী সরকার উৎখাতের পর রাষ্ট্রীয় রাজনীতির মৌলিক পরিবর্তনের অভিপ্রায়মুখী জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্যই নির্বাচন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান শুধু একটি রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়; এটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সাংবিধানিক নির্দেশনা এবং ফ্যাসিবাদী প্রভাব প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ। অরাজকতা বা নির্বাচনের বিরোধিতা ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।’
সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নৈতিক নির্দেশনা আমাদের সামনে এই শিক্ষা দিয়েছে যে রাষ্ট্র কারও একার নয়, বরং জনগণের সম্মিলিত সম্পদ। রাষ্ট্র পরিচালনায় শ্রমজীবী কর্মজীবী পেশাজীবী, নারী, ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসহ সমাজশক্তি তথা সব অংশীজনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচনকে আন্দোলন ও সংগ্রামের কৌশল হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
২ ঘণ্টা আগে