ঢাবি প্রতিনিধি

চুরি, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মানসুরা আলম।
আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা ইসলামের আদালতে এ মামলা করেন তিনি। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে শাহবাগ থানাকে তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়ে আগামী ২৬ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দিন, সহ সভাপতি তিলোত্তমা শিকদার, মিজানুর রহমান পিকুল, সহ সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শামীম পারভেজ, গণ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ ছিল বারী, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ নাজির, উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক শাহিন ভালুকার, উপ-দপ্তর সম্পাদক, খান মোহাম্মদ শিমুল, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এনায়েত এইচ মনন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন সোহাগ, সাবেক অমর একুশে হলের সহ সভাপতি রাকিব হোসেন, বঙ্গবন্ধু হলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, স্যার এ এফ রহমান হলের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগাঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ, বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সহ সভাপতি মুজিবুল বাশার, আব্দুল্লাহ আল ফারিয়াল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের কর্মী নাজিমুদ্দিন সাইমুন, সায়েম, চুয়েটের সভাপতি সৈয়দ ইমাম বাকের, শহীদুল্লাহ্ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহম্মেদ মুনীম, ছাত্রলীগ কর্মী মাহমুদ চৌধুরী, নাহিদ সাদি, অভিজ্ঞান দাস অন্তু, ঐশিক শুভ, সৌরভ চক্রবর্তী, মুনিম শাহরিয়ার, আব্দুর রহিম প্রমুখ।
এ ছাড়া এজাহারে অজ্ঞাতনামা হিসেবে ১০০ জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৪ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রলীগে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় আক্রান্ত হন মানসুরা। তাঁকে মারধরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় গত শুক্রবার ছাত্রদল নেতাকর্মীদের আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা করেন এক ছাত্রলীগ নেতা। এতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, সিনিয়র সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, ঢাবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আমানুল্লাহ আমানসহ ১৭ জনের নামোল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

চুরি, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মানসুরা আলম।
আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা ইসলামের আদালতে এ মামলা করেন তিনি। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে শাহবাগ থানাকে তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়ে আগামী ২৬ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দিন, সহ সভাপতি তিলোত্তমা শিকদার, মিজানুর রহমান পিকুল, সহ সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শামীম পারভেজ, গণ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ ছিল বারী, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ নাজির, উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক শাহিন ভালুকার, উপ-দপ্তর সম্পাদক, খান মোহাম্মদ শিমুল, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এনায়েত এইচ মনন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন সোহাগ, সাবেক অমর একুশে হলের সহ সভাপতি রাকিব হোসেন, বঙ্গবন্ধু হলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, স্যার এ এফ রহমান হলের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগাঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ, বিজয় একাত্তর হলের সাবেক সহ সভাপতি মুজিবুল বাশার, আব্দুল্লাহ আল ফারিয়াল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের কর্মী নাজিমুদ্দিন সাইমুন, সায়েম, চুয়েটের সভাপতি সৈয়দ ইমাম বাকের, শহীদুল্লাহ্ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহম্মেদ মুনীম, ছাত্রলীগ কর্মী মাহমুদ চৌধুরী, নাহিদ সাদি, অভিজ্ঞান দাস অন্তু, ঐশিক শুভ, সৌরভ চক্রবর্তী, মুনিম শাহরিয়ার, আব্দুর রহিম প্রমুখ।
এ ছাড়া এজাহারে অজ্ঞাতনামা হিসেবে ১০০ জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৪ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রলীগে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় আক্রান্ত হন মানসুরা। তাঁকে মারধরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় গত শুক্রবার ছাত্রদল নেতাকর্মীদের আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা করেন এক ছাত্রলীগ নেতা। এতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, সিনিয়র সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, ঢাবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আমানুল্লাহ আমানসহ ১৭ জনের নামোল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৩ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৩ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে